ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

পেটে সন্তান রেখে সেলাই, পরে সাধারণ প্রসব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘা ফাতেমা ক্লিনিকে পারভীন বেগম নামের এক প্রসূতির পেটে সন্তান রেখে সেলাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাৎক্ষনিক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করার পর সাধারণভাবে (নরমাল ডেলিভারি) বাচ্চা প্রসব করেছেন ওই প্রসূতি মা।

ওই প্রসূতি ৯দিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে শনিবার বাঘা উপজেলার জোতনাসী গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। এদিকে তার স্বামী কায়েম আলী দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ক্লিনিক মালিকের কাছে। এই দাবি মানা না হলে আইনি আশ্রয় নিবেন বলে জানান তিনি।

কায়েম আলী বলেন, আমার স্ত্রী পারভীন বেগমের প্রসব ব্যাথা উঠলে ১২ এপ্রিল ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করি। ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান রোগীকে সিজার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান। সেখানে পেট কাটার পর অবস্থা বেগতিক দেখে রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর পরই সাধারণভাবে (নরমাল ডেলিভারি) সন্তান প্রসব করেন পারভীন। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসা শেষে শনিবার বাড়িতে নিয়ে এসেছি।

ক্লিনিক মালিকের কাছে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরন দাবি করেছি। আর এই দাবি মানা না হলে আদালতে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।

বাঘা ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক ডা. আবদুল বারী বলেন, রোগীর অবস্থা আগে থেকেই ভালো ছিল না। এছাড়া এর আগেও এই রোগীর সিজার করে বাচ্চা প্রসব করানো হয়। তারপরও রোগীর স্বামীর অনুরোধে অপারেশ থিয়েটারে নেয়ার পর অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করি। তবে সেখানে নরমালি বাচ্চা প্রসব শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিন রেজা বলেন, এই বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

পেটে সন্তান রেখে সেলাই, পরে সাধারণ প্রসব

আপডেট সময় ১১:১৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘা ফাতেমা ক্লিনিকে পারভীন বেগম নামের এক প্রসূতির পেটে সন্তান রেখে সেলাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাৎক্ষনিক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করার পর সাধারণভাবে (নরমাল ডেলিভারি) বাচ্চা প্রসব করেছেন ওই প্রসূতি মা।

ওই প্রসূতি ৯দিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে শনিবার বাঘা উপজেলার জোতনাসী গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরেছেন। এদিকে তার স্বামী কায়েম আলী দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন ক্লিনিক মালিকের কাছে। এই দাবি মানা না হলে আইনি আশ্রয় নিবেন বলে জানান তিনি।

কায়েম আলী বলেন, আমার স্ত্রী পারভীন বেগমের প্রসব ব্যাথা উঠলে ১২ এপ্রিল ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করি। ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান রোগীকে সিজার করার জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যান। সেখানে পেট কাটার পর অবস্থা বেগতিক দেখে রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পর পরই সাধারণভাবে (নরমাল ডেলিভারি) সন্তান প্রসব করেন পারভীন। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসা শেষে শনিবার বাড়িতে নিয়ে এসেছি।

ক্লিনিক মালিকের কাছে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরন দাবি করেছি। আর এই দাবি মানা না হলে আদালতে মামলা করা হবে বলে তিনি জানান।

বাঘা ফাতেমা ক্লিনিকের মালিক ডা. আবদুল বারী বলেন, রোগীর অবস্থা আগে থেকেই ভালো ছিল না। এছাড়া এর আগেও এই রোগীর সিজার করে বাচ্চা প্রসব করানো হয়। তারপরও রোগীর স্বামীর অনুরোধে অপারেশ থিয়েটারে নেয়ার পর অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করি। তবে সেখানে নরমালি বাচ্চা প্রসব শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিন রেজা বলেন, এই বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।