ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্বামী নয়, বাবার দেয়া আগুনে পুড়ল মুন্নি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হাজীগঞ্জে স্বামীর দেয়া আগুনে আহত হননি মুন্নি। বরং গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আলোচিত সেই মুন্নির সৎবাবা। শুক্রবার সকালে মুন্নির সঙ্গে কথা বললে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসে।

মুন্নি (১৮) উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের নাটেহারা গ্রামের আবু বকরের মেয়ে। সে এখন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে (যার নং ৬৩০) ভর্তি রয়েছে।

বুধবার হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়ায় সহযোগিতায় মুন্নিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে মুন্নিকে নির্যাতন করে আসছে তার সৎবাবা আবদুল লতিফ। বিষয়টি তার স্বামী সোহাগ দেখে ফেলে। এরপর সোহাগকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। ২৩ মার্চ বিকালে হাজীগঞ্জ বাজারের হকার্স মার্কেটের আলমগীরের ভাড়া বাড়িতে মুন্নিকে গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আবদুল লতিফ।

খবরটি মোবাইল ফোনে সোহাগকে জানানো হয়। সোহাগ ওই বাড়িতে গেলে মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে আবদুল লতিফ ও মা লাইলি বেগমসহ হাজীগঞ্জ থানায় যায়। এ সময় আবদুল লতিফ পুলিশকে জানায়, যৌতুকের জন্য মুন্নিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সোহাগ। তখনই পুলিশ সোহাগকে আটক করে। পরে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।

পরে হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম ও পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান তদন্ত করে এবং অগ্নিদগ্ধ মুন্নির সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনা জানতে পারে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম জানান, মুন্নি ও তার স্বামী দুজনেই প্রতিবন্ধী। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছি। এমন একজন প্রতিবন্ধী মেয়ের উপর তার সৎবাবা দীর্ঘদিন ধরেই অত্যাচার করে আসছিল। ভয়ে মেয়েটি তা প্রকাশ করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

স্বামী নয়, বাবার দেয়া আগুনে পুড়ল মুন্নি

আপডেট সময় ১১:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হাজীগঞ্জে স্বামীর দেয়া আগুনে আহত হননি মুন্নি। বরং গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আলোচিত সেই মুন্নির সৎবাবা। শুক্রবার সকালে মুন্নির সঙ্গে কথা বললে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসে।

মুন্নি (১৮) উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের নাটেহারা গ্রামের আবু বকরের মেয়ে। সে এখন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে (যার নং ৬৩০) ভর্তি রয়েছে।

বুধবার হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়ায় সহযোগিতায় মুন্নিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভয় দেখিয়ে মুন্নিকে নির্যাতন করে আসছে তার সৎবাবা আবদুল লতিফ। বিষয়টি তার স্বামী সোহাগ দেখে ফেলে। এরপর সোহাগকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। ২৩ মার্চ বিকালে হাজীগঞ্জ বাজারের হকার্স মার্কেটের আলমগীরের ভাড়া বাড়িতে মুন্নিকে গ্যাসের আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে আবদুল লতিফ।

খবরটি মোবাইল ফোনে সোহাগকে জানানো হয়। সোহাগ ওই বাড়িতে গেলে মুন্নিকে সঙ্গে নিয়ে আবদুল লতিফ ও মা লাইলি বেগমসহ হাজীগঞ্জ থানায় যায়। এ সময় আবদুল লতিফ পুলিশকে জানায়, যৌতুকের জন্য মুন্নিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সোহাগ। তখনই পুলিশ সোহাগকে আটক করে। পরে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।

পরে হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম ও পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান তদন্ত করে এবং অগ্নিদগ্ধ মুন্নির সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনা জানতে পারে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাবেদুল ইসলাম জানান, মুন্নি ও তার স্বামী দুজনেই প্রতিবন্ধী। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করেছি। এমন একজন প্রতিবন্ধী মেয়ের উপর তার সৎবাবা দীর্ঘদিন ধরেই অত্যাচার করে আসছিল। ভয়ে মেয়েটি তা প্রকাশ করেনি।