ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী সৌদি আরবে আরামকো’র হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ফ্রান্সে ১১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ

প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যকে ধরে ২৫ নাম পেল র‌্যাব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য অভিযোগে একজনকে আটক করে তার কাছ থেকে এই চক্রের ২৫ জনের নাম পাওয়ার কথা জানিয়েছে র‌্যাব। আটক তরুণের নাম রবিউল ইসলাম ওরফে জনি। জেলার বাগমারা উপজেলার সাইধাড়া গ্রামে বাড়ি তার।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ গ্রাম থেকেই জনিকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৫ এর মেজর এ এম আশরাফুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইমো এবং হটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ ও সরবরাহ করতেন আটক জনি।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, আটকের পর জনিকে র‌্যাব-৫ এর কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবদ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রশ্নফাঁস করা চক্রের অন্তত ২৫ জনের নাম জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বাড়ি। এদের কাছ থেকেই প্রশ্ন আসতো জনির কাছে। তারপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করতেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আগেভাগই ফেসবুকে নৈর্ব্যত্তিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়া নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে। পরীক্ষার আধা ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘঁনায় ধরা পড়েছে দেড় শতাধিক ব্যক্তি।

এই প্রশ্ন ট্রেজারি থেকে কেন্দ্রে পাঠানোর সময় ফাঁস হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই কাজটি কারা করেছে, তাদেরকে শনাক্ত করে গেপ্তার করা যায়নি।

রাজশাহীতে ধরা পড়া জনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি এই কাজ করে আসছেন। কখনও আসল, কখনও নকল প্রশ্ন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তিনি।

ফেব্রুয়ারিতে হওয় এসএসসি ও এর আগে অষ্টম শ্রেণি সমাপনী জেএসসি পরীক্ষায় তিনি অনেক পরীক্ষার্থী ও তার স্বজনদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন। এ জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে বিকাশের মাধ্যমে।

চলতি এইচএসসি পরীক্ষাতেও জনিস অন্তত পাঁচজনকে প্রশ্ন দিয়েছেন। তবে এবারের প্রশ্নগুলো আসল না নকল সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় র‌্যাব। এগুলো জানার চেষ্টা করছে বাহিনীটি।

র‌্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, জনির মুঠোফোনের দুটি সীমের বিকাশে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জনিকে বাগমারা থানায় হস্তান্তর করা হবে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলাও করা হবে তার বিরুদ্ধে।

আর জনির দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চক্রের অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি

প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যকে ধরে ২৫ নাম পেল র‌্যাব

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য অভিযোগে একজনকে আটক করে তার কাছ থেকে এই চক্রের ২৫ জনের নাম পাওয়ার কথা জানিয়েছে র‌্যাব। আটক তরুণের নাম রবিউল ইসলাম ওরফে জনি। জেলার বাগমারা উপজেলার সাইধাড়া গ্রামে বাড়ি তার।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ গ্রাম থেকেই জনিকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৫ এর মেজর এ এম আশরাফুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইমো এবং হটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ ও সরবরাহ করতেন আটক জনি।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, আটকের পর জনিকে র‌্যাব-৫ এর কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবদ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রশ্নফাঁস করা চক্রের অন্তত ২৫ জনের নাম জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বাড়ি। এদের কাছ থেকেই প্রশ্ন আসতো জনির কাছে। তারপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করতেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আগেভাগই ফেসবুকে নৈর্ব্যত্তিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়া নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে। পরীক্ষার আধা ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘঁনায় ধরা পড়েছে দেড় শতাধিক ব্যক্তি।

এই প্রশ্ন ট্রেজারি থেকে কেন্দ্রে পাঠানোর সময় ফাঁস হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই কাজটি কারা করেছে, তাদেরকে শনাক্ত করে গেপ্তার করা যায়নি।

রাজশাহীতে ধরা পড়া জনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি এই কাজ করে আসছেন। কখনও আসল, কখনও নকল প্রশ্ন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তিনি।

ফেব্রুয়ারিতে হওয় এসএসসি ও এর আগে অষ্টম শ্রেণি সমাপনী জেএসসি পরীক্ষায় তিনি অনেক পরীক্ষার্থী ও তার স্বজনদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন। এ জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে বিকাশের মাধ্যমে।

চলতি এইচএসসি পরীক্ষাতেও জনিস অন্তত পাঁচজনকে প্রশ্ন দিয়েছেন। তবে এবারের প্রশ্নগুলো আসল না নকল সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় র‌্যাব। এগুলো জানার চেষ্টা করছে বাহিনীটি।

র‌্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, জনির মুঠোফোনের দুটি সীমের বিকাশে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জনিকে বাগমারা থানায় হস্তান্তর করা হবে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলাও করা হবে তার বিরুদ্ধে।

আর জনির দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চক্রের অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।