ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু: স্পিকার জনগণের কাছে যান, শহর ঘুরে দেখুন: সিটি প্রশাসকদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ২৩ দেশে এমএলএআর পাঠিয়েছে সরকার:সংসদে অর্থমন্ত্রী তীব্র বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ভুয়া প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত হয়েছে ইরান: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার্চুয়ালি আদালত পরিচালনায় বিচারকাজে সমস্যা হবে না : অ্যাটর্নি জেনারেল শিগগিরই ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক রাত পর শিশু সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন সেই মহিলা লীগ নেত্রী

প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যকে ধরে ২৫ নাম পেল র‌্যাব

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য অভিযোগে একজনকে আটক করে তার কাছ থেকে এই চক্রের ২৫ জনের নাম পাওয়ার কথা জানিয়েছে র‌্যাব। আটক তরুণের নাম রবিউল ইসলাম ওরফে জনি। জেলার বাগমারা উপজেলার সাইধাড়া গ্রামে বাড়ি তার।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ গ্রাম থেকেই জনিকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৫ এর মেজর এ এম আশরাফুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইমো এবং হটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ ও সরবরাহ করতেন আটক জনি।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, আটকের পর জনিকে র‌্যাব-৫ এর কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবদ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রশ্নফাঁস করা চক্রের অন্তত ২৫ জনের নাম জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বাড়ি। এদের কাছ থেকেই প্রশ্ন আসতো জনির কাছে। তারপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করতেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আগেভাগই ফেসবুকে নৈর্ব্যত্তিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়া নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে। পরীক্ষার আধা ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘঁনায় ধরা পড়েছে দেড় শতাধিক ব্যক্তি।

এই প্রশ্ন ট্রেজারি থেকে কেন্দ্রে পাঠানোর সময় ফাঁস হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই কাজটি কারা করেছে, তাদেরকে শনাক্ত করে গেপ্তার করা যায়নি।

রাজশাহীতে ধরা পড়া জনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি এই কাজ করে আসছেন। কখনও আসল, কখনও নকল প্রশ্ন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তিনি।

ফেব্রুয়ারিতে হওয় এসএসসি ও এর আগে অষ্টম শ্রেণি সমাপনী জেএসসি পরীক্ষায় তিনি অনেক পরীক্ষার্থী ও তার স্বজনদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন। এ জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে বিকাশের মাধ্যমে।

চলতি এইচএসসি পরীক্ষাতেও জনিস অন্তত পাঁচজনকে প্রশ্ন দিয়েছেন। তবে এবারের প্রশ্নগুলো আসল না নকল সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় র‌্যাব। এগুলো জানার চেষ্টা করছে বাহিনীটি।

র‌্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, জনির মুঠোফোনের দুটি সীমের বিকাশে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জনিকে বাগমারা থানায় হস্তান্তর করা হবে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলাও করা হবে তার বিরুদ্ধে।

আর জনির দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চক্রের অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নাহিদের আগুনে বোলিংয়ে মুগ্ধ টেইট

প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যকে ধরে ২৫ নাম পেল র‌্যাব

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীতে প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য অভিযোগে একজনকে আটক করে তার কাছ থেকে এই চক্রের ২৫ জনের নাম পাওয়ার কথা জানিয়েছে র‌্যাব। আটক তরুণের নাম রবিউল ইসলাম ওরফে জনি। জেলার বাগমারা উপজেলার সাইধাড়া গ্রামে বাড়ি তার।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ গ্রাম থেকেই জনিকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৫ এর মেজর এ এম আশরাফুল ইসলাম জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইমো এবং হটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ ও সরবরাহ করতেন আটক জনি।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, আটকের পর জনিকে র‌্যাব-৫ এর কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবদ করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত তিনি প্রশ্নফাঁস করা চক্রের অন্তত ২৫ জনের নাম জানিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের বাড়ি। এদের কাছ থেকেই প্রশ্ন আসতো জনির কাছে। তারপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তিনি রাজশাহী অঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করতেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আগেভাগই ফেসবুকে নৈর্ব্যত্তিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়া নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে। পরীক্ষার আধা ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘঁনায় ধরা পড়েছে দেড় শতাধিক ব্যক্তি।

এই প্রশ্ন ট্রেজারি থেকে কেন্দ্রে পাঠানোর সময় ফাঁস হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই কাজটি কারা করেছে, তাদেরকে শনাক্ত করে গেপ্তার করা যায়নি।

রাজশাহীতে ধরা পড়া জনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই তিনি এই কাজ করে আসছেন। কখনও আসল, কখনও নকল প্রশ্ন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তিনি।

ফেব্রুয়ারিতে হওয় এসএসসি ও এর আগে অষ্টম শ্রেণি সমাপনী জেএসসি পরীক্ষায় তিনি অনেক পরীক্ষার্থী ও তার স্বজনদের কাছে প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন। এ জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে বিকাশের মাধ্যমে।

চলতি এইচএসসি পরীক্ষাতেও জনিস অন্তত পাঁচজনকে প্রশ্ন দিয়েছেন। তবে এবারের প্রশ্নগুলো আসল না নকল সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় র‌্যাব। এগুলো জানার চেষ্টা করছে বাহিনীটি।

র‌্যাব কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, জনির মুঠোফোনের দুটি সীমের বিকাশে অস্বাভাবিক লেনদেন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জনিকে বাগমারা থানায় হস্তান্তর করা হবে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলাও করা হবে তার বিরুদ্ধে।

আর জনির দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে চক্রের অন্য সদস্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।