ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

টুইন টাওয়ার হামলায় সৌদির বিচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ভয়াবহতম ৯/১১ হামলার ঘটনায় বিচারের মুখোমুখি হতে হবে সৌদি আরবকে। খবর বিবিসির।

নিউইয়র্কের এক বিচারক এমনই নির্দেশ দিয়েছেন।

তার নির্দেশ অনুযায়ী শতকোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা চলমান থাকবে।

সৌদি আরব সবসময়ই বলে আসছিল যে বিমান ছিনতাই ঘটনায় রিয়াদ কোন ধরনের সহায়তা করেছিল- এমন কোন প্রমাণ নেই। কিন্তু বিচারক জর্জ ড্যানিয়েলস বলেছে ২০১৬ সালের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইন অনুযায়ী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটির যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি আছে বলেই মনে করেন তিনি।

তিনি অবশ্য সৌদি আরবের একটি ব্যাংক ও নির্মাণ কোম্পানির আল কায়েদাকে সহায়তা করেছিল এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে।

সৌদি আরব ওই হামলায় কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নাকচ করে দিয়েছে।

৯/১১ এর ওই বিমান হামলায় ধসে পড়েছিল ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আর নিহত হয়েছিল প্রায় তিন হাজার মানুষ।

ওয়াশিংটনে পেন্টাগন ও পেনসিলভানিয়াতেও বিমান হামলা হয়েছিল। আর হামলাকারী ১৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই ছিল সৌদি নাগরিক।

২০০১ সালে নাইন ইলেভেনের ওই হামলায় বিমান অপহরণকারীদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিল সৌদি আরব থেকে এবং বারবার এমন সন্দেহ করা হয়েছে যে তাদের সঙ্গে সৌদি সরকারের একটি সংশ্লিষ্টতা ছিল।

ছিনতাই করা চারটি যাত্রীবাহী বিমান দিয়ে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আর ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে চালানো আত্মঘাতী আক্রমণে সব মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছিল।

দুটি বিমান আঘাত হেনেছিল টুইন টাওয়ারে, একটি পেন্টাগনে আর চতুর্থ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল পেনসিলভানিয়ার শ্যাংকসভিলে।

এরপর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ তার ভাষায় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সূচনা করেন।

গত দশ বছরে আফগানিস্তান ও ইরাকে দুটি যুদ্ধ চালিয়েছে আমেরিকা, যার রেশ এখনো চলছে।

ওই আক্রমণের জন্য আল কায়েদার সদস্যদের দায়ী করা হয়। আল কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেন পরে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন সেনাদের এক গোপন অভিযানে নিহত হন।

নিউইয়র্কে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের দুটি টাওয়ার যেখানে ছিল সেই শূন্যস্থানে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল দুটি জলাশয়, চারপাশে উৎকীর্ণ হয়েছে নিহতদের নাম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

টুইন টাওয়ার হামলায় সৌদির বিচার করবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ভয়াবহতম ৯/১১ হামলার ঘটনায় বিচারের মুখোমুখি হতে হবে সৌদি আরবকে। খবর বিবিসির।

নিউইয়র্কের এক বিচারক এমনই নির্দেশ দিয়েছেন।

তার নির্দেশ অনুযায়ী শতকোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা চলমান থাকবে।

সৌদি আরব সবসময়ই বলে আসছিল যে বিমান ছিনতাই ঘটনায় রিয়াদ কোন ধরনের সহায়তা করেছিল- এমন কোন প্রমাণ নেই। কিন্তু বিচারক জর্জ ড্যানিয়েলস বলেছে ২০১৬ সালের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আইন অনুযায়ী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটির যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি আছে বলেই মনে করেন তিনি।

তিনি অবশ্য সৌদি আরবের একটি ব্যাংক ও নির্মাণ কোম্পানির আল কায়েদাকে সহায়তা করেছিল এমন অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে।

সৌদি আরব ওই হামলায় কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নাকচ করে দিয়েছে।

৯/১১ এর ওই বিমান হামলায় ধসে পড়েছিল ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আর নিহত হয়েছিল প্রায় তিন হাজার মানুষ।

ওয়াশিংটনে পেন্টাগন ও পেনসিলভানিয়াতেও বিমান হামলা হয়েছিল। আর হামলাকারী ১৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই ছিল সৌদি নাগরিক।

২০০১ সালে নাইন ইলেভেনের ওই হামলায় বিমান অপহরণকারীদের অধিকাংশই যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিল সৌদি আরব থেকে এবং বারবার এমন সন্দেহ করা হয়েছে যে তাদের সঙ্গে সৌদি সরকারের একটি সংশ্লিষ্টতা ছিল।

ছিনতাই করা চারটি যাত্রীবাহী বিমান দিয়ে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার আর ওয়াশিংটনের পেন্টাগনে চালানো আত্মঘাতী আক্রমণে সব মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছিল।

দুটি বিমান আঘাত হেনেছিল টুইন টাওয়ারে, একটি পেন্টাগনে আর চতুর্থ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল পেনসিলভানিয়ার শ্যাংকসভিলে।

এরপর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ তার ভাষায় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সূচনা করেন।

গত দশ বছরে আফগানিস্তান ও ইরাকে দুটি যুদ্ধ চালিয়েছে আমেরিকা, যার রেশ এখনো চলছে।

ওই আক্রমণের জন্য আল কায়েদার সদস্যদের দায়ী করা হয়। আল কায়েদার নেতা ওসামা বিন লাদেন পরে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন সেনাদের এক গোপন অভিযানে নিহত হন।

নিউইয়র্কে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের দুটি টাওয়ার যেখানে ছিল সেই শূন্যস্থানে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল দুটি জলাশয়, চারপাশে উৎকীর্ণ হয়েছে নিহতদের নাম।