ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ গেরিলা নিহত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ গেরিলা নিহত ও এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আজ (শনিবার) জম্মু-কাশ্মিরের সোপোরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লস্কর-ই তাইয়্যেবার তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের কাছ থেকে তিনটি এ কে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়েছে।

গেরিলাদের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে গতকাল (শুক্রবার) গভীর রাতে সোপোরের অমরগড় এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ সমন্বিত যৌথবাহিনী তল্লাশি চালানোর সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কনস্টেবলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

নিহত তিন গেরিলার মধ্যে এ পর্যন্ত দুই জনকে শনাক্ত করা গেছে। জাভেদ আহমেদ দার এবং আবিদ হামিদ মীর নামে দুই গেরিলার বাড়ি যথাক্রমে বারামুল্লার খানপোরা এবং বান্দিপোরার হাজিন এলাকায়। নিহত অন্য গেরিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এদিকে, ওই ঘটনায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আজ (শনিবার) উত্তর কাশ্মিরের বারামুল্লা জেলায় মোবাইল ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া কর্তৃপক্ষ বারামুল্লা ও সোপোর, হান্দওয়াড়া, হাজিন ও সাম্বল এলাকায় সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে। বারামুল্লার খানপোরা এলাকায় প্রচুর পরিমাণে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করাসহ বারামুল্লা শহরে প্রবেশ ও প্রস্থান পথ সম্পূর্ণ ‘সিল’ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে মানুষজনের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আজ সকালে কুলগাম জেলার কাইমহ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বাসিন্দারা টহলরত নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়লে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবাদী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শূন্যে গুলি চালায়। সেনাবাহিনী কাশ্মির উপত্যাকা থেকে গেরিলাদের নির্মূল করতে ‘অপারেশন অল আউট’ চালাচ্ছে। চলতি বছরে নিরাপত্তা বাহিনী এ পর্যন্ত ১২৩ গেরিলাকে হত্যা করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ গেরিলা নিহত

আপডেট সময় ০৪:২৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ গেরিলা নিহত ও এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আজ (শনিবার) জম্মু-কাশ্মিরের সোপোরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লস্কর-ই তাইয়্যেবার তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতদের কাছ থেকে তিনটি এ কে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়েছে।

গেরিলাদের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে গতকাল (শুক্রবার) গভীর রাতে সোপোরের অমরগড় এলাকায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ সমন্বিত যৌথবাহিনী তল্লাশি চালানোর সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ কনস্টেবলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

নিহত তিন গেরিলার মধ্যে এ পর্যন্ত দুই জনকে শনাক্ত করা গেছে। জাভেদ আহমেদ দার এবং আবিদ হামিদ মীর নামে দুই গেরিলার বাড়ি যথাক্রমে বারামুল্লার খানপোরা এবং বান্দিপোরার হাজিন এলাকায়। নিহত অন্য গেরিলার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এদিকে, ওই ঘটনায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আজ (শনিবার) উত্তর কাশ্মিরের বারামুল্লা জেলায় মোবাইল ইন্টারনেটে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া কর্তৃপক্ষ বারামুল্লা ও সোপোর, হান্দওয়াড়া, হাজিন ও সাম্বল এলাকায় সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে। বারামুল্লার খানপোরা এলাকায় প্রচুর পরিমাণে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করাসহ বারামুল্লা শহরে প্রবেশ ও প্রস্থান পথ সম্পূর্ণ ‘সিল’ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে মানুষজনের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আজ সকালে কুলগাম জেলার কাইমহ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। বাসিন্দারা টহলরত নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়লে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবাদী জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শূন্যে গুলি চালায়। সেনাবাহিনী কাশ্মির উপত্যাকা থেকে গেরিলাদের নির্মূল করতে ‘অপারেশন অল আউট’ চালাচ্ছে। চলতি বছরে নিরাপত্তা বাহিনী এ পর্যন্ত ১২৩ গেরিলাকে হত্যা করেছে।