আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
২০০৩ সালের ২৭ মার্চ লাওসের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। ১৫ বছর পর ঠিক সেই দিনেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের প্রত্যাবর্তন ম্যাচে লাওসকে রুখে দিল বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার ফিফা প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের নাটকীয় ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজের দল। জাফর ইকবাল ও আবু সুফিয়ান সুফিলের গোলে লাওসের মাঠে হার এড়িয়েছে অ্যান্ড্রু অর্ডের শিষ্যরা।
লাওসের সঙ্গে বাংলাদেশের র্যাংকিংয়ের ব্যবধান খুব বেশি নয়। বাংলাদেশের র্যাংকিং ১৯৭ এবং লাওসের ১৮৩। এর আগে দু’দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল সেই ২০০৩ সালে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে। যে ম্যাচে ২-১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার মূল আলোচনা ছিল বাংলাদেশের মাঠে ফেরা নিয়ে।
২০১৬ সালের অক্টোবরের পর এই প্রথম বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল মাঠে নামে আন্তর্জাতিক ম্যাচে। লাওসের রাজধানী ভিয়েনতিয়ানে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ২৯ মিনিটে প্রথম গোল হজম করে বাংলাদেশ। ডিফেন্ডার মামুন মিয়া ঠিকমতো বল ক্লিয়ার করতে না পারায় বলে পেয়ে যান কংমাথিলাথ। লাওসের এই ফরোয়ার্ড বল জালে জড়াতে কোনো ভুল করেননি (১-০)।
যদিও গোলের প্রথম সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে লাওস। মাশুক মিয়া জনি প্রতিপক্ষের একজনকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় লাওস। কংমাথিলাথ সুযোগটা কাজে লাগাতে ভুল করেননি (২-০)। প্রথমার্ধেই দু’গোলে পিছিয়ে পড়ায় হারের শঙ্কা জেগেছিল লাল-সবুজ শিবিরে।
কিন্তু অ্যান্ড্রু অর্ডের শিষ্যরা দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। শেষ ২০ মিনিটে বাংলাদেশ গোল দুটি ফিরিয়ে দেয়। যার একটি যোগ করা সময়ে। ম্যাচের ৮১ মিনিটে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে ব্যবধান কমান ফরোয়ার্ড জাফর ইকবাল (১-২)। ইনজুরি টাইমে বক্সের মধ্যে জটলায় বল পেয়ে দুর্দান্ত ভলিতে সমতাসূচক গোলটি করেন সুফিল (২-২)।
নিশ্চিত হার এড়িয়ে বাংলাদেশ মেতে ওঠে অসাধারণ ড্রয়ের আনন্দে। ১৭ মাস পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরে এমন লড়াকু ড্র বড় প্রাপ্তিই।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























