ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুয়েত দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালিত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত বছরের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। দিনটি উপলক্ষে দেশের মত বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। ২৫ মার্চ ২০১৮ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দূতাবাসের মাল্টিপারপাস হলে কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম।

শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, শহীদদের সম্মানে নীরবতা পালন এরপর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে কাউন্সিলর (শ্রম) আবদুল লতিফ খান, ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রি. জেনারেল শাহ সাগিরুল ইসলাম।

বক্তব্যে প্রবাসীরা ১৯৭১ সালের এইদিনে বাঙালি জাতির জীবনে এক বিভীষিকাময় রাত নেমে আসার কথা উল্লেখ করেন। ওই মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানানদার বাহিনী কাপুরুষের মত নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঘৃণা ভরে দিনটিকে মনে করে বাঙালী জাতি।

দীর্ঘ ৩৮ বছর পর এই দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান কুয়েত প্রবাসীরা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম সচিব জহুরুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি সাফায়েত হোসেন পাটোয়ারী, বিমান কান্ট্রি ম্যানেজার হাফিজুল ইসলামসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েত দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালিত

আপডেট সময় ১১:১৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গত বছরের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। দিনটি উপলক্ষে দেশের মত বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে দিবসটি উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। ২৫ মার্চ ২০১৮ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় দূতাবাসের মাল্টিপারপাস হলে কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম।

শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত, শহীদদের সম্মানে নীরবতা পালন এরপর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে কাউন্সিলর (শ্রম) আবদুল লতিফ খান, ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রি. জেনারেল শাহ সাগিরুল ইসলাম।

বক্তব্যে প্রবাসীরা ১৯৭১ সালের এইদিনে বাঙালি জাতির জীবনে এক বিভীষিকাময় রাত নেমে আসার কথা উল্লেখ করেন। ওই মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানানদার বাহিনী কাপুরুষের মত নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঘৃণা ভরে দিনটিকে মনে করে বাঙালী জাতি।

দীর্ঘ ৩৮ বছর পর এই দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান কুয়েত প্রবাসীরা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম সচিব জহুরুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক প্রতিনিধি সাফায়েত হোসেন পাটোয়ারী, বিমান কান্ট্রি ম্যানেজার হাফিজুল ইসলামসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা।