ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরাকের মসুলে আইএসের হাতে অপহৃত ৩৯ ভারতীয়র মৃত্যু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরাকের মসুলে চার বছর আগে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের হাতে অপহৃত ৩৯ জন ভারতীয় দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, ‘আইএস জঙ্গিরাই তাদের খুন করেছে।’ তবে প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করতে সরকার কেন এত দেরি করল, এ নিয়ে পুরো ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

জানা গেছে, মসুলের একটি গণকবর থেকে উদ্ধার হয়েছে ওই ভারতীয়দের দেহাবশেষ। সুষমা জানান, ডিপ পেনিট্রেটিভ স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি থেকেই মসুলের ওই গণকবরে দেহাবশেষের সন্ধান মেলে। মৃতদেহের স্তূপের মধ্যে থেকে ভারতীয়দের দেহাবশেষ চিহ্নিত করে বাগদাদে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসাটাই চ্যালেঞ্জের কাজ ছিল।’ ওই স্তূপের মধ্যে ৩৯টি দেহাবশেষ এমন ছিল, যার লম্বা চুল, ইরাকিদের মতো জুতো ছিল না। তা দেখেই ওই ৩৯টি দেহাবশেষের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। তাতেই জানা যায়, ওই ৩৮ জন আসলে চার বছর আগের অপহৃত ভারতীয়। বাকি একটি দেহাবশেষের ডিএনএ এর ৭০ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে।

সুষমা আরো বলেছেন, ‘নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়ার পরেই জানাচ্ছি, ওই ৩৯ জন মৃত। প্রমাণ হাতে পাওয়ার পরই মৃতদের পরিবারকে এ কথা জানাতে চেয়েছি আমরা।’ ওই ৩৯ জনের বেশির ভাগই পঞ্জাবের বাসিন্দা। এছাড়া রয়েছেন হরিয়ানা, বিহার, হিমাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গের কয়েক জন। ২০১৪ সালে মসুলের দখল নেয়ার পর থেকেই প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় ইরাক ছাড়তে শুরু করেন। সে সময়ই অগণিত মানুষদের বন্দি করে আইএস জঙ্গিরা। তার মধ্যে ৩৯ জন ভারতীয়ও ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকের মসুলে আইএসের হাতে অপহৃত ৩৯ ভারতীয়র মৃত্যু

আপডেট সময় ০৯:০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইরাকের মসুলে চার বছর আগে জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের হাতে অপহৃত ৩৯ জন ভারতীয় দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বলেন, ‘আইএস জঙ্গিরাই তাদের খুন করেছে।’ তবে প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যুর খবর ঘোষণা করতে সরকার কেন এত দেরি করল, এ নিয়ে পুরো ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

জানা গেছে, মসুলের একটি গণকবর থেকে উদ্ধার হয়েছে ওই ভারতীয়দের দেহাবশেষ। সুষমা জানান, ডিপ পেনিট্রেটিভ স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি থেকেই মসুলের ওই গণকবরে দেহাবশেষের সন্ধান মেলে। মৃতদেহের স্তূপের মধ্যে থেকে ভারতীয়দের দেহাবশেষ চিহ্নিত করে বাগদাদে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসাটাই চ্যালেঞ্জের কাজ ছিল।’ ওই স্তূপের মধ্যে ৩৯টি দেহাবশেষ এমন ছিল, যার লম্বা চুল, ইরাকিদের মতো জুতো ছিল না। তা দেখেই ওই ৩৯টি দেহাবশেষের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। তাতেই জানা যায়, ওই ৩৮ জন আসলে চার বছর আগের অপহৃত ভারতীয়। বাকি একটি দেহাবশেষের ডিএনএ এর ৭০ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে।

সুষমা আরো বলেছেন, ‘নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়ার পরেই জানাচ্ছি, ওই ৩৯ জন মৃত। প্রমাণ হাতে পাওয়ার পরই মৃতদের পরিবারকে এ কথা জানাতে চেয়েছি আমরা।’ ওই ৩৯ জনের বেশির ভাগই পঞ্জাবের বাসিন্দা। এছাড়া রয়েছেন হরিয়ানা, বিহার, হিমাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গের কয়েক জন। ২০১৪ সালে মসুলের দখল নেয়ার পর থেকেই প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় ইরাক ছাড়তে শুরু করেন। সে সময়ই অগণিত মানুষদের বন্দি করে আইএস জঙ্গিরা। তার মধ্যে ৩৯ জন ভারতীয়ও ছিল।