ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

অ্যান্টার্কটিকায় ৪০৩ দিন নারী বিজ্ঞানীর

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আগে কোনোদিনই তেমনভাবে তুষারের মধ্যে দিন কাটাননি। কিন্তু ৪০৩ দিন পর যখন তিনি ফিরলেন, তখন নিজের অজান্তেই তৈরি করে ফেলেছেন একটা রেকর্ড। তিনি মঙ্গলা মানি। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রথম নারী বিজ্ঞানী।

পরিবেশগত এক মিশনের জন্য এক বছরের বেশি সময় কাটালেন অ্যান্টার্কটিকায়। সেখানকার পরিবেশ নিয়ে গবেষণা চালাতেই এ মিশন, জানিয়েছেন মঙ্গলা। ২০১৬ সালের নভেম্বর। ২৩ সদস্যের একটি দল ইসরো থেকে রওনা হয়েছিল অ্যান্টার্কটিকার উদ্দেশে। দলটিতে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ৫৬ বছরের মঙ্গলা মানি।

গত বছর ডিসেম্বরে অ্যান্টার্কটিকায় গবেষণামূলক কাজ শেষের পর দেশে ফেরে দলটি। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে মানি জানিয়েছেন, কেমন ছিল সেই দিনগুলো। তার কথায়, ‘খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমাদের মিশন। আমি একজন নারী হওয়ায় চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও বেশি। কারণ, নারীদের থেকে পুরুষদের শারীরিক সক্ষমতা অনেকটাই বেশি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘সেখানকার পরিবেশ অত্যন্ত শুষ্ক। যখনই আমরা ক্লাইমেট কন্ট্রোল রিসার্চ সেন্টারের বাইরে বের হতাম, তখন খুবই সতর্ক থাকতে হতো।’

মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতগুলো দিন কাটানোর জন্য কিভাবে নিজেকে তৈরি করেছেন? সেই প্রস্তুতির কথাও নিজের মুখে জানিয়েছেন ওই নারী বিজ্ঞানী। মিশনের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর শুরু হয়েছিল শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে শারীরিক প্রশিক্ষণ। মানি জানিয়েছেন, এতগুলো দিন অ্যান্টার্কটিকায় কাটানোর সময় প্যাকেটজাত খাবারই ব্যবহার করেছেন তারা। একই সঙ্গে মনে রাখা হয়েছে পরিবেশ দূষণের দিকটাও। ৪০০ দিনের বেশি অ্যান্টার্কটিকায় সফলভাবে মিশন শেষ করার জন্য সহযাত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মঙ্গলাদেবী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

অ্যান্টার্কটিকায় ৪০৩ দিন নারী বিজ্ঞানীর

আপডেট সময় ০২:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আগে কোনোদিনই তেমনভাবে তুষারের মধ্যে দিন কাটাননি। কিন্তু ৪০৩ দিন পর যখন তিনি ফিরলেন, তখন নিজের অজান্তেই তৈরি করে ফেলেছেন একটা রেকর্ড। তিনি মঙ্গলা মানি। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রথম নারী বিজ্ঞানী।

পরিবেশগত এক মিশনের জন্য এক বছরের বেশি সময় কাটালেন অ্যান্টার্কটিকায়। সেখানকার পরিবেশ নিয়ে গবেষণা চালাতেই এ মিশন, জানিয়েছেন মঙ্গলা। ২০১৬ সালের নভেম্বর। ২৩ সদস্যের একটি দল ইসরো থেকে রওনা হয়েছিল অ্যান্টার্কটিকার উদ্দেশে। দলটিতে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ৫৬ বছরের মঙ্গলা মানি।

গত বছর ডিসেম্বরে অ্যান্টার্কটিকায় গবেষণামূলক কাজ শেষের পর দেশে ফেরে দলটি। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে মানি জানিয়েছেন, কেমন ছিল সেই দিনগুলো। তার কথায়, ‘খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমাদের মিশন। আমি একজন নারী হওয়ায় চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও বেশি। কারণ, নারীদের থেকে পুরুষদের শারীরিক সক্ষমতা অনেকটাই বেশি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘সেখানকার পরিবেশ অত্যন্ত শুষ্ক। যখনই আমরা ক্লাইমেট কন্ট্রোল রিসার্চ সেন্টারের বাইরে বের হতাম, তখন খুবই সতর্ক থাকতে হতো।’

মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতগুলো দিন কাটানোর জন্য কিভাবে নিজেকে তৈরি করেছেন? সেই প্রস্তুতির কথাও নিজের মুখে জানিয়েছেন ওই নারী বিজ্ঞানী। মিশনের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর শুরু হয়েছিল শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে শারীরিক প্রশিক্ষণ। মানি জানিয়েছেন, এতগুলো দিন অ্যান্টার্কটিকায় কাটানোর সময় প্যাকেটজাত খাবারই ব্যবহার করেছেন তারা। একই সঙ্গে মনে রাখা হয়েছে পরিবেশ দূষণের দিকটাও। ৪০০ দিনের বেশি অ্যান্টার্কটিকায় সফলভাবে মিশন শেষ করার জন্য সহযাত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মঙ্গলাদেবী।