ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতার: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতারা সংকটের সময় মাথা ঠিক রাখতে পারেন না। সত্তর সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই নির্বাচন করতে চায়নি। আমার নিজের কানেই শোনা অনেকেই স্লোগান দিয়েছেন, ভোটের বাক্সে লাথি মার, বাংলাদেশ স্বাধীন কর। অনেকেই বিতর্ক শুরু করে দিয়েছিল ৬ দফা না ৮ দফা।

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের গণহত্যাকারী, রাজাকার আর পঁচাত্তরের খুনিদের মাঝে কোনো তফাত নেই। তারা একই বৃন্তের ফুল। তারাই দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা জয়ী হয়েছি বলেই উন্নয়নের ছোঁয়াটা মানুষ পেয়েছে। যদি আমরা আসতে না পারতাম তাহলে সব কাজ নষ্ট করে দিত।

সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি কখনও, কোনো দিন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিত না। তারা দুই বছর, তিন বছর করে পরিকল্পনা নিত। নিজেদের লাভ হতো, মানুষের উন্নয়ন হতো না।

তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশটাকে একটা জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য আমরা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যদি জন্মগ্রহণ না করতেন আমরা স্বাধীন হতাম কিনা, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতাম কিনা সন্দেহ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতা করে গেছেন। বাংলায় কথা বলার অধিকারও তিনি দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন- তিনি (বঙ্গবন্ধু) কিন্তু প্রতি মুহূর্তে এই ভুখণ্ডের মানুষের দাবিদাওয়া নিয়ে কথা বলতেন। আর আমাদের দেশের বহু নেতাকেই দেখেছি পাকিস্তানিরা একটু ডাক দিলে, অমনি দৌড়ে গিয়ে মন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করতেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতারা সংকটের সময় মাথা ঠিক রাখতে পারেন না। সত্তর সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই নির্বাচন করতে চায়নি। আমার নিজের কানেই শোনা অনেকেই স্লোগান দিয়েছেন, ভোটের বাক্সে লাথি মার, বাংলাদেশ স্বাধীন কর। অনেকেই বিতর্ক শুরু করে দিয়েছিল ৬ দফা না ৮ দফা।

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের গণহত্যাকারী, রাজাকার আর পঁচাত্তরের খুনিদের মাঝে কোনো তফাত নেই। তারা একই বৃন্তের ফুল। তারাই দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা জয়ী হয়েছি বলেই উন্নয়নের ছোঁয়াটা মানুষ পেয়েছে। যদি আমরা আসতে না পারতাম তাহলে সব কাজ নষ্ট করে দিত।

সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি কখনও, কোনো দিন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিত না। তারা দুই বছর, তিন বছর করে পরিকল্পনা নিত। নিজেদের লাভ হতো, মানুষের উন্নয়ন হতো না।

তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশটাকে একটা জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য আমরা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যদি জন্মগ্রহণ না করতেন আমরা স্বাধীন হতাম কিনা, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতাম কিনা সন্দেহ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতা করে গেছেন। বাংলায় কথা বলার অধিকারও তিনি দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন- তিনি (বঙ্গবন্ধু) কিন্তু প্রতি মুহূর্তে এই ভুখণ্ডের মানুষের দাবিদাওয়া নিয়ে কথা বলতেন। আর আমাদের দেশের বহু নেতাকেই দেখেছি পাকিস্তানিরা একটু ডাক দিলে, অমনি দৌড়ে গিয়ে মন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করতেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন প্রমুখ।