ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী ফুটবল ম্যাচ দেখে ফেরার পথে হামলায় প্রাণ গেল যুবকের পেনশন ভোগান্তি কমাতে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করছে সরকার তীব্র তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ৫০ জনের মৃত্যু, আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিল মার্কিন সিনেট নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম গ্রেফতার সাপাহার সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় অবস্থান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতার: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতারা সংকটের সময় মাথা ঠিক রাখতে পারেন না। সত্তর সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই নির্বাচন করতে চায়নি। আমার নিজের কানেই শোনা অনেকেই স্লোগান দিয়েছেন, ভোটের বাক্সে লাথি মার, বাংলাদেশ স্বাধীন কর। অনেকেই বিতর্ক শুরু করে দিয়েছিল ৬ দফা না ৮ দফা।

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের গণহত্যাকারী, রাজাকার আর পঁচাত্তরের খুনিদের মাঝে কোনো তফাত নেই। তারা একই বৃন্তের ফুল। তারাই দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা জয়ী হয়েছি বলেই উন্নয়নের ছোঁয়াটা মানুষ পেয়েছে। যদি আমরা আসতে না পারতাম তাহলে সব কাজ নষ্ট করে দিত।

সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি কখনও, কোনো দিন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিত না। তারা দুই বছর, তিন বছর করে পরিকল্পনা নিত। নিজেদের লাভ হতো, মানুষের উন্নয়ন হতো না।

তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশটাকে একটা জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য আমরা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যদি জন্মগ্রহণ না করতেন আমরা স্বাধীন হতাম কিনা, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতাম কিনা সন্দেহ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতা করে গেছেন। বাংলায় কথা বলার অধিকারও তিনি দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন- তিনি (বঙ্গবন্ধু) কিন্তু প্রতি মুহূর্তে এই ভুখণ্ডের মানুষের দাবিদাওয়া নিয়ে কথা বলতেন। আর আমাদের দেশের বহু নেতাকেই দেখেছি পাকিস্তানিরা একটু ডাক দিলে, অমনি দৌড়ে গিয়ে মন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করতেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের অনেক বড় বড় নেতারা সংকটের সময় মাথা ঠিক রাখতে পারেন না। সত্তর সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই নির্বাচন করতে চায়নি। আমার নিজের কানেই শোনা অনেকেই স্লোগান দিয়েছেন, ভোটের বাক্সে লাথি মার, বাংলাদেশ স্বাধীন কর। অনেকেই বিতর্ক শুরু করে দিয়েছিল ৬ দফা না ৮ দফা।

রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের গণহত্যাকারী, রাজাকার আর পঁচাত্তরের খুনিদের মাঝে কোনো তফাত নেই। তারা একই বৃন্তের ফুল। তারাই দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা জয়ী হয়েছি বলেই উন্নয়নের ছোঁয়াটা মানুষ পেয়েছে। যদি আমরা আসতে না পারতাম তাহলে সব কাজ নষ্ট করে দিত।

সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি কখনও, কোনো দিন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিত না। তারা দুই বছর, তিন বছর করে পরিকল্পনা নিত। নিজেদের লাভ হতো, মানুষের উন্নয়ন হতো না।

তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশটাকে একটা জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য আমরা পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যদি জন্মগ্রহণ না করতেন আমরা স্বাধীন হতাম কিনা, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতাম কিনা সন্দেহ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির সব অধিকার আদায়ের আন্দোলনই জাতির পিতা করে গেছেন। বাংলায় কথা বলার অধিকারও তিনি দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন- তিনি (বঙ্গবন্ধু) কিন্তু প্রতি মুহূর্তে এই ভুখণ্ডের মানুষের দাবিদাওয়া নিয়ে কথা বলতেন। আর আমাদের দেশের বহু নেতাকেই দেখেছি পাকিস্তানিরা একটু ডাক দিলে, অমনি দৌড়ে গিয়ে মন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করতেন।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, চিত্রশিল্পী হাশেম খান, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন প্রমুখ।