আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
ভিড় ঠেলে মুম্বাই লোকালে চড়ে ট্রেনিংয়ে যেতেন৷ ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আর লোকাল ট্রেনে চেপে যাতায়াত করার সুযোগ হয়নি ক্রিকেটঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরের৷ ক্রিকেট কেরিয়ারের মাঝে একাধিক আড্ডায় সেই নিয়ে আক্ষেপ করে সচিন বলেছেন,মানুষের ভিড়ে মুম্বইয়ের লোকাল ট্রেনে চড়ার আর সুযোগ হয়ে ওঠে না৷ব্যাপারটা মিস করেন খুব৷ সচিনের রাজ্য থেকেই এবার লোকাল ট্রেনে চেপে খবরের শিরোনামে উঠে এলেন জাতীয় দলে খেলা এক মারাঠী ক্রিকেটার৷ নেহাতই ছোটবেলায় স্মৃতি রোমন্থন করতে লোকালে চড়ে বসলেন ভারতের উঠতি ক্রিকেটার শার্দুল ঠাকুর৷ আর মুহূর্তেই কোহলির দলের ক্রিকেটারের লোকাল ট্রেনে চাপার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়
সদ্যই দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে দেশে ফিরেছেন শার্দুল ঠাকুর। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, আন্ধেরি স্টেশন থেকে নিজের বাড়িতে শার্দূল ফিরেছেন ট্রেনে চড়েই! প্রায় দেড় ঘণ্টা সাধারণ যাত্রীদের মতোই আমজনতার কনুইয়ের গুঁতো খেয়ে রেল-যাত্রা সারলেন জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য এই পেসার।
বেনজির কাণ্ড ঘটিয়ে শার্দূল বলেছেন,‘দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিমানে মুম্বইতে ফেরার পর যত দ্রুত সম্ভব বাড়ি আসতে চেয়েছিলাম। কানে হেডফোন লাগিয়ে কালবিলম্ব না করে ট্রেনেই চেপে পড়ি। ’ তবে তিনি নিজেকে ‘সেলিব্রিটি’ না মনে করতে পারেন, অন্যের চোখে তো তিনি ‘স্পেশ্যাল’। তাই ট্রেনে চড়েই বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল তাকে।
শার্দূল বলছিলেন,‘অনেকেই বলছিল, এই ক্রিকেটার জাতীয় দলে খেলে। অনেকেই জিজ্ঞাসা করছিলেন, আপনি কি সত্যিই শার্দুল ঠাকুর? একদল কলেজ পড়ুয়া গুগলে আমার ছবি দেখে নিশ্চিত হওয়ার পরেই সেলফি তুলতে চায়! আমি বলেছিলাম, পালাঘরে নামা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। ’
জাতীয় তারকা হয়ে ওঠার পরেও শার্দূলের পা মাটিতেই রয়েছে। তিনিই বলছেন,‘অনেকেই আমার মতো একজন জাতীয় ক্রিকেটারকে রেলের কামরায় দেখে অবাক হয়েছিল। অনেক ট্রেন যাত্রীই পুরনো দিনের কথা রোমন্থন করতে গিয়ে জানতে চাইছিলেন, কী ভাবে আমি আমি আগে ট্রেনে যাতায়াত করতাম। সোনার চামচ মুখে নিয়ে আমি জন্মাইনি। প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছি শৈশব থেকেই। ’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























