ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমার দুইজন স্ত্রী, এই বেতনে আর চলেনাঃ ফিলিপাইন প্রেসিডেন্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মাদক নির্মূল ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত ও বিতর্কিত ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে। আগ্রাসী মনোভাবের এই নেতা কাজ ও কথাবার্তায় সব ক্ষেত্রে খোলামেলা। এবার সরাসরি নিজের বেতন বাড়ানোর দাবি জানালেন তিনি। আর কারণ হিসেবে দাবি করেছেন তার দুজন স্ত্রী থাকাকে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে রাখঢাক না করেই ওই দাবি জানান। রদ্রিগো দুতের্তে জানান, তার বেতন একেবারেই চলার মতো নয়। বেতনে খাবার জন্য আলাদা টাকাও দেয়া হয় না।

তিনি বলেন, ‘কত বেতন পাই আপনারা সবই তা জানেন। দুজন স্ত্রী আমার। তাই, মাত্র ৩ হাজার ৮৬০ ডলার আয়ে আর চলে না। আমার মাসিক ১০ লাখ ফিলিপিনো পেসো পাওয়া উচিত।’

জানা গেছে, প্রথম স্ত্রীর জন্য বেশ কিছুটা চাপেই রয়েছেন প্রেসিডেন্ট দুতের্তে। ১৯৯৮ সালে খোরপোষের দাবি জানান তার প্রথম স্ত্রী এলিজাবেথ জিমারম্যান। তাকে সেই টাকা দিতেই বেতনের অনেকটা খরচ হয়ে যায়। বিষয়টি চেপে রাখতে পারেননি প্রেসিডেন্ট দুতের্তে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনগিনো অ্যাকুইনো একটি নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করে দেশের চাকরিজীবী ও সামরিকবাহিনীর কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে দেন। বর্তমানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের বেতন আগামী বছর বেড়ে হচ্ছে মাসিক ৭ হাজার ৭১৪ ডলার। তার আগেই এনিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করলেন রদ্রিগো দুতের্তে। -সংবাদমাধ্যম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার দুইজন স্ত্রী, এই বেতনে আর চলেনাঃ ফিলিপাইন প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ০৩:২০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মাদক নির্মূল ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত ও বিতর্কিত ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে। আগ্রাসী মনোভাবের এই নেতা কাজ ও কথাবার্তায় সব ক্ষেত্রে খোলামেলা। এবার সরাসরি নিজের বেতন বাড়ানোর দাবি জানালেন তিনি। আর কারণ হিসেবে দাবি করেছেন তার দুজন স্ত্রী থাকাকে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতের্তে রাখঢাক না করেই ওই দাবি জানান। রদ্রিগো দুতের্তে জানান, তার বেতন একেবারেই চলার মতো নয়। বেতনে খাবার জন্য আলাদা টাকাও দেয়া হয় না।

তিনি বলেন, ‘কত বেতন পাই আপনারা সবই তা জানেন। দুজন স্ত্রী আমার। তাই, মাত্র ৩ হাজার ৮৬০ ডলার আয়ে আর চলে না। আমার মাসিক ১০ লাখ ফিলিপিনো পেসো পাওয়া উচিত।’

জানা গেছে, প্রথম স্ত্রীর জন্য বেশ কিছুটা চাপেই রয়েছেন প্রেসিডেন্ট দুতের্তে। ১৯৯৮ সালে খোরপোষের দাবি জানান তার প্রথম স্ত্রী এলিজাবেথ জিমারম্যান। তাকে সেই টাকা দিতেই বেতনের অনেকটা খরচ হয়ে যায়। বিষয়টি চেপে রাখতে পারেননি প্রেসিডেন্ট দুতের্তে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনগিনো অ্যাকুইনো একটি নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করে দেশের চাকরিজীবী ও সামরিকবাহিনীর কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে দেন। বর্তমানে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের বেতন আগামী বছর বেড়ে হচ্ছে মাসিক ৭ হাজার ৭১৪ ডলার। তার আগেই এনিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করলেন রদ্রিগো দুতের্তে। -সংবাদমাধ্যম।