ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্যাকব টাওয়ার বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা বাড়িয়েছে: রাষ্ট্রপতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলায় দক্ষিণ এশিয়ার সুউচ্চ জ্যাকব টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলা শহরে নির্মিত ওয়াচ টাওয়ারটি বুধবার দুপুরে উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ২২০ ফুট উঁচু টাওয়ারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা।

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৬ তলার এ টাওয়ারের নির্মাণকাজ শুরু হয়। মাটির ৭৫ ফুট নিচে ঢালাই-পাইলিং ফাউন্ডেশনের ওপর সম্পূর্ণ ইস্পাত দিয়ে গড়ে তোলা টাওয়ারটি ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয়।

অনেকটা আইফেল টাওয়ারের আদলে নির্মিত টাওয়ারটির চারদিকে অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আছে স্বচ্ছ গ্লাস। চূড়ায় ওঠার জন্য সিঁড়ির সঙ্গে থাকছে ১৩ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক ক্যাপসুল লিফট।

ওয়াচ টাওয়ারটিতে স্থাপন করা হয়েছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বাইনোকুলার। যার সাহায্যে পর্যটকরা চরকুকরী-মুকরী, তারুয়া সৈকত এবং বঙ্গোপসাগরের একাংশসহ চারপাশে অবস্থিত ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পর্যবেক্ষণ ও উপভোগ করতে পারবেন।

এ ছাড়া রয়েছে বিশ্রামাগার, প্রাথমিক চিকিৎসা আর খাবারের সুব্যবস্থা।

ফ্যাশন স্কয়ারের পাশে নির্মিত টাওয়ারটির উদ্বোধন উচ্ছ্বসিত স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, পর্যটকের আনাগোনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অঞ্চলের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রা বদলে যাবে। অন্যদিকে সরকারি খাতে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্যাকব টাওয়ার বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা বাড়িয়েছে: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৯:২৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ভোলায় দক্ষিণ এশিয়ার সুউচ্চ জ্যাকব টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়েছে। চরফ্যাশন উপজেলা শহরে নির্মিত ওয়াচ টাওয়ারটি বুধবার দুপুরে উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ২২০ ফুট উঁচু টাওয়ারটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা।

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ১৬ তলার এ টাওয়ারের নির্মাণকাজ শুরু হয়। মাটির ৭৫ ফুট নিচে ঢালাই-পাইলিং ফাউন্ডেশনের ওপর সম্পূর্ণ ইস্পাত দিয়ে গড়ে তোলা টাওয়ারটি ৮ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয়।

অনেকটা আইফেল টাওয়ারের আদলে নির্মিত টাওয়ারটির চারদিকে অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আছে স্বচ্ছ গ্লাস। চূড়ায় ওঠার জন্য সিঁড়ির সঙ্গে থাকছে ১৩ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক ক্যাপসুল লিফট।

ওয়াচ টাওয়ারটিতে স্থাপন করা হয়েছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বাইনোকুলার। যার সাহায্যে পর্যটকরা চরকুকরী-মুকরী, তারুয়া সৈকত এবং বঙ্গোপসাগরের একাংশসহ চারপাশে অবস্থিত ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা পর্যবেক্ষণ ও উপভোগ করতে পারবেন।

এ ছাড়া রয়েছে বিশ্রামাগার, প্রাথমিক চিকিৎসা আর খাবারের সুব্যবস্থা।

ফ্যাশন স্কয়ারের পাশে নির্মিত টাওয়ারটির উদ্বোধন উচ্ছ্বসিত স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, পর্যটকের আনাগোনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অঞ্চলের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রা বদলে যাবে। অন্যদিকে সরকারি খাতে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে।