ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ভারতে বামপন্থীদের বিক্ষোভ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভারত সফরের বিরুদ্ধে দিল্লিতে বাম ফ্রন্টের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। সোমবার সিপিআই, সিপিআই(এম), সিপিআই(এমএল), এসইউসিআইসহ বিভিন্ন বামপন্থী দলের পক্ষ থেকে ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহনসহ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হোক, ফ্রি, ফ্রি প্যালেস্টাইন, নেতানিয়াহুকে স্বাগত জানানো বন্ধ কর, ফিলিস্তিনি জনতার আন্দোলনকে ‘লাল সালাম’ ইত্যাদি স্লোগানে সোচ্চার হন।

তারা ইসরাইলি হামলাকারী- মুর্দাবাদ, ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন জিন্দাবাদ, হত্যাকারী নেতানিয়াহু গো ব্যাক, ফ্যাসিস্ট নেতানিয়াহু গো ব্যাক, ফিলিস্তিনিনের রাজধানী জেরুজালেম ইত্যাদি লেখাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে ওই বিক্ষোভ মিছিলে বাম ফ্রন্ট নেতা ডি রাজা, প্রকাশ কারাত, অতুল কুমার আনজান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বাম ফ্রন্ট নেতা ডি রাজা বলেন, “আরব দেশ নয়- এমন দেশের মধ্যে ভারত প্রথম ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকে সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি সরকার সেখানকার মানুষদের ওপর জুলুম চালানো ইসরাইল দেশকে নিজেদের বন্ধু করছে। সেখানকার প্রধানমন্ত্রীকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিন্তু আমরা এটা বলতে চাই যে, ভারতীয় জনতা তাকে স্বাগত জানাচ্ছে না।”

বাম ফ্রন্ট নেতা অতুল কুমার আনজান বলেন, “ভারত ইসরাইলের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় রফতানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অর্থ ফিলিস্তিনি জনগণের নির্যাতনের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।”

সিপিআই(এম) নেতা প্রকাশ কারাতের অভিযোগ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইসরাইলি ঔপনিবেশিক নীতি সমর্থন করছেন। প্রধানমন্ত্রী যখন ইসরাইল সফরে গিয়েছিলেন তখন তিনি ফিলিস্তিনি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি বলেও শ্রী কারাত বলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ভারতে বামপন্থীদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৭:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভারত সফরের বিরুদ্ধে দিল্লিতে বাম ফ্রন্টের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। সোমবার সিপিআই, সিপিআই(এম), সিপিআই(এমএল), এসইউসিআইসহ বিভিন্ন বামপন্থী দলের পক্ষ থেকে ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহনসহ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা সাম্রাজ্যবাদ ধ্বংস হোক, ফ্রি, ফ্রি প্যালেস্টাইন, নেতানিয়াহুকে স্বাগত জানানো বন্ধ কর, ফিলিস্তিনি জনতার আন্দোলনকে ‘লাল সালাম’ ইত্যাদি স্লোগানে সোচ্চার হন।

তারা ইসরাইলি হামলাকারী- মুর্দাবাদ, ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন জিন্দাবাদ, হত্যাকারী নেতানিয়াহু গো ব্যাক, ফ্যাসিস্ট নেতানিয়াহু গো ব্যাক, ফিলিস্তিনিনের রাজধানী জেরুজালেম ইত্যাদি লেখাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে ওই বিক্ষোভ মিছিলে বাম ফ্রন্ট নেতা ডি রাজা, প্রকাশ কারাত, অতুল কুমার আনজান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বাম ফ্রন্ট নেতা ডি রাজা বলেন, “আরব দেশ নয়- এমন দেশের মধ্যে ভারত প্রথম ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকে সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি সরকার সেখানকার মানুষদের ওপর জুলুম চালানো ইসরাইল দেশকে নিজেদের বন্ধু করছে। সেখানকার প্রধানমন্ত্রীকে এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিন্তু আমরা এটা বলতে চাই যে, ভারতীয় জনতা তাকে স্বাগত জানাচ্ছে না।”

বাম ফ্রন্ট নেতা অতুল কুমার আনজান বলেন, “ভারত ইসরাইলের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় রফতানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা চুক্তির অর্থ ফিলিস্তিনি জনগণের নির্যাতনের কাজে ব্যবহার হচ্ছে।”

সিপিআই(এম) নেতা প্রকাশ কারাতের অভিযোগ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইসরাইলি ঔপনিবেশিক নীতি সমর্থন করছেন। প্রধানমন্ত্রী যখন ইসরাইল সফরে গিয়েছিলেন তখন তিনি ফিলিস্তিনি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি বলেও শ্রী কারাত বলেন।