ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা হত্যায় সেনাবাহিনীর স্বীকারোক্তি ইতিবাচক: সু চি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দায় নেয়ার ঘটনাকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়েছেন দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তাদের সেনাসদস্যদের কর্মকাণ্ডের দায় নিচ্ছে। আমাদের দেশের জন্য এ এক নতুন ধাপ। আমি বিষয়টিকে এভাবেই দেখি। কারণ দেশে আইনের শাসনের জন্য একটি দেশের দায় নেয়াটা জরুরি। আর সেই দায় নেয়ার পথে এটিই হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ। এটি একটি ইতিবাচক ব্যাপার।

গত বছরের আগস্ট থেকে সন্ত্রাস দমনের নাম করে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর জাতিগত নিধন অভিযান চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ করলেও তা অস্বীকার করে আসছিল সেনাবাহিনী।

তবে গত বুধবার কথিত সন্ত্রাস দমন অভিযানে ১০ রোহিঙ্গাকে ধরার পর হত্যার কথা স্বীকার করে তারা। মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে জানান, স্থানীয় বৌদ্ধ ও সেনাসদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন।

শুক্রবার মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন অং সান সু চি। তখন তাকে সেনাবাহিনীর অপকর্মের ওই বিরল স্বীকারোক্তির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমার সেনার নির্যাতনের মুখে হত্যা-ধর্ষণ থেকে বাঁচতে গত আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা হত্যায় সেনাবাহিনীর স্বীকারোক্তি ইতিবাচক: সু চি

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দায় নেয়ার ঘটনাকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়েছেন দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তাদের সেনাসদস্যদের কর্মকাণ্ডের দায় নিচ্ছে। আমাদের দেশের জন্য এ এক নতুন ধাপ। আমি বিষয়টিকে এভাবেই দেখি। কারণ দেশে আইনের শাসনের জন্য একটি দেশের দায় নেয়াটা জরুরি। আর সেই দায় নেয়ার পথে এটিই হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ। এটি একটি ইতিবাচক ব্যাপার।

গত বছরের আগস্ট থেকে সন্ত্রাস দমনের নাম করে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর জাতিগত নিধন অভিযান চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ করলেও তা অস্বীকার করে আসছিল সেনাবাহিনী।

তবে গত বুধবার কথিত সন্ত্রাস দমন অভিযানে ১০ রোহিঙ্গাকে ধরার পর হত্যার কথা স্বীকার করে তারা। মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে জানান, স্থানীয় বৌদ্ধ ও সেনাসদস্যরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন।

শুক্রবার মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন অং সান সু চি। তখন তাকে সেনাবাহিনীর অপকর্মের ওই বিরল স্বীকারোক্তির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমার সেনার নির্যাতনের মুখে হত্যা-ধর্ষণ থেকে বাঁচতে গত আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।