ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের শিকার রোহিঙ্গারা জঙ্গি ছিল না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইনদিন গ্রামের ১০ রোহিঙ্গা ’বাঙালি জঙ্গি’- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে সেখানকার গ্রামবাসী। তাদের দাবি, সেনাদের হাতে নিহত ১০ রোহিঙ্গা জঙ্গি ছিল না। তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রামবাসীরা এ দাবি করে। উল্লেখ্য, গত বুধবার মিয়ানমার সেনাপ্রধান প্রথমবারের মতো ১০ রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন। সেনাপ্রধানের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্ট থেকে ইনদিন গ্রামের গণকবরের সত্যতা স্বীকার করে নিহতদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়৷

সেনাপ্রধান দাবি করেন, ১ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার পর গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’। ওই সংঘর্ষের পর ১০ ‘বাঙালি সন্ত্রাসীকে’ আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি স্কুলে নেয়া হয়। সেখানে পর দিন গ্রামবাসী তলোয়ার নিয়ে ওই ‘সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের লাশ মাটি চাপা দেয় সেনারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর পুঠিয়ায় অনুমোদনহীন ৯ ইটভাটা, চলছে অবৈধ ইট পোড়ানোর প্রস্তুতি

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের শিকার রোহিঙ্গারা জঙ্গি ছিল না

আপডেট সময় ১১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইনদিন গ্রামের ১০ রোহিঙ্গা ’বাঙালি জঙ্গি’- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে সেখানকার গ্রামবাসী। তাদের দাবি, সেনাদের হাতে নিহত ১০ রোহিঙ্গা জঙ্গি ছিল না। তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রামবাসীরা এ দাবি করে। উল্লেখ্য, গত বুধবার মিয়ানমার সেনাপ্রধান প্রথমবারের মতো ১০ রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন। সেনাপ্রধানের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্ট থেকে ইনদিন গ্রামের গণকবরের সত্যতা স্বীকার করে নিহতদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়৷

সেনাপ্রধান দাবি করেন, ১ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার পর গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’। ওই সংঘর্ষের পর ১০ ‘বাঙালি সন্ত্রাসীকে’ আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি স্কুলে নেয়া হয়। সেখানে পর দিন গ্রামবাসী তলোয়ার নিয়ে ওই ‘সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের লাশ মাটি চাপা দেয় সেনারা।