ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের শিকার রোহিঙ্গারা জঙ্গি ছিল না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইনদিন গ্রামের ১০ রোহিঙ্গা ’বাঙালি জঙ্গি’- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে সেখানকার গ্রামবাসী। তাদের দাবি, সেনাদের হাতে নিহত ১০ রোহিঙ্গা জঙ্গি ছিল না। তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রামবাসীরা এ দাবি করে। উল্লেখ্য, গত বুধবার মিয়ানমার সেনাপ্রধান প্রথমবারের মতো ১০ রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন। সেনাপ্রধানের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্ট থেকে ইনদিন গ্রামের গণকবরের সত্যতা স্বীকার করে নিহতদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়৷

সেনাপ্রধান দাবি করেন, ১ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার পর গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’। ওই সংঘর্ষের পর ১০ ‘বাঙালি সন্ত্রাসীকে’ আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি স্কুলে নেয়া হয়। সেখানে পর দিন গ্রামবাসী তলোয়ার নিয়ে ওই ‘সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের লাশ মাটি চাপা দেয় সেনারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের শিকার রোহিঙ্গারা জঙ্গি ছিল না

আপডেট সময় ১১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইনদিন গ্রামের ১০ রোহিঙ্গা ’বাঙালি জঙ্গি’- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে সেখানকার গ্রামবাসী। তাদের দাবি, সেনাদের হাতে নিহত ১০ রোহিঙ্গা জঙ্গি ছিল না। তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রামবাসীরা এ দাবি করে। উল্লেখ্য, গত বুধবার মিয়ানমার সেনাপ্রধান প্রথমবারের মতো ১০ রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন। সেনাপ্রধানের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্ট থেকে ইনদিন গ্রামের গণকবরের সত্যতা স্বীকার করে নিহতদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়৷

সেনাপ্রধান দাবি করেন, ১ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার পর গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’। ওই সংঘর্ষের পর ১০ ‘বাঙালি সন্ত্রাসীকে’ আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি স্কুলে নেয়া হয়। সেখানে পর দিন গ্রামবাসী তলোয়ার নিয়ে ওই ‘সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের লাশ মাটি চাপা দেয় সেনারা।