ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের শিকার রোহিঙ্গারা জঙ্গি ছিল না

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইনদিন গ্রামের ১০ রোহিঙ্গা ’বাঙালি জঙ্গি’- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে সেখানকার গ্রামবাসী। তাদের দাবি, সেনাদের হাতে নিহত ১০ রোহিঙ্গা জঙ্গি ছিল না। তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রামবাসীরা এ দাবি করে। উল্লেখ্য, গত বুধবার মিয়ানমার সেনাপ্রধান প্রথমবারের মতো ১০ রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন। সেনাপ্রধানের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্ট থেকে ইনদিন গ্রামের গণকবরের সত্যতা স্বীকার করে নিহতদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়৷

সেনাপ্রধান দাবি করেন, ১ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার পর গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’। ওই সংঘর্ষের পর ১০ ‘বাঙালি সন্ত্রাসীকে’ আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি স্কুলে নেয়া হয়। সেখানে পর দিন গ্রামবাসী তলোয়ার নিয়ে ওই ‘সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের লাশ মাটি চাপা দেয় সেনারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের শিকার রোহিঙ্গারা জঙ্গি ছিল না

আপডেট সময় ১১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইনদিন গ্রামের ১০ রোহিঙ্গা ’বাঙালি জঙ্গি’- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধানের এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে সেখানকার গ্রামবাসী। তাদের দাবি, সেনাদের হাতে নিহত ১০ রোহিঙ্গা জঙ্গি ছিল না। তাদেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে৷

বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে গ্রামবাসীরা এ দাবি করে। উল্লেখ্য, গত বুধবার মিয়ানমার সেনাপ্রধান প্রথমবারের মতো ১০ রোহিঙ্গা হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেন। সেনাপ্রধানের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্ট থেকে ইনদিন গ্রামের গণকবরের সত্যতা স্বীকার করে নিহতদের ‘বাঙালি জঙ্গি’ বলে আখ্যায়িত করা হয়৷

সেনাপ্রধান দাবি করেন, ১ সেপ্টেম্বর ওই গ্রামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে হত্যার পর গ্রামবাসী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় ‘রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা’। ওই সংঘর্ষের পর ১০ ‘বাঙালি সন্ত্রাসীকে’ আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একটি স্কুলে নেয়া হয়। সেখানে পর দিন গ্রামবাসী তলোয়ার নিয়ে ওই ‘সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা করে। এ সময় নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের গুলি করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের লাশ মাটি চাপা দেয় সেনারা।