ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মৃত মানুষের শরীর বেচে মাসিক ৩০ লাখ টাকা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের কলারোডা অঙ্গরাজ্যের মন্টরোজে ‘সানসেট মেসা’ নামক এক ফিউনারেল হোমের আড়ালে মানবশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে। ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মী কারি এশচারের বরাতে ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর রয়টার্সের।

এক বছর ধরে করা রয়টার্সের তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ সব তথ্য। মা শারলি কচ আর তার বাবা অ্যালান কচের সহযোগিতায় ফিউনারেল হোমটি চালায় মেগান হেস নামক এক ভদ্রমহিলা। তিনি একে তার পারিবারিক ব্যবসা বলে দাবি করেন।

সাবেক কর্মী কারি এশচার জানান, মেগান হেসের মা শারলি কচের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক ছিল। সে যখন অন্তেষ্ট্যক্রিয়ার জন্য মৃত মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গচ্ছেদ করতো, তখন লাশের দাঁত খুলে সোনার দাঁতসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র আলাদা করে সংগ্রহ করে রাখতো।

তিনি আরও বলেন, সে একদিন তার মৃত মানুষের সোনার দাঁতের সংগ্রহ আমাকে দেখিয়েছিলো। এক বছর পর পর সোনার দাঁতের পুরো একটি ব্যাচ বিক্রি করে তারা পুরো পরিবারসহ ডিজনীল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিল। কোনো কোনো মাসে তার মাসিক আয় ৪০,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়ে বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, পুরো আমেরিকায় আর এমন কোনো ফিউনারেল হোম খুঁজে পাওয়া যায়নি, যেখানে একই সাথে ফিউনারেল হোম, মানুষ পোড়ানো আর মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয়।

ডোনার সার্ভিস নামক একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেগান হেস মানব শরীরে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করতেন। এগুলো ছাড়াও সে নন ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট টিস্যু ও বিক্রি করত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ওই ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

উল্লেখ্য, কলারোডাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অংগরাজ্যগুলোতে মৃত মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিয়ে কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, সুধী মহলে এ ব্যবসার নৈতিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মৃত মানুষের শরীর বেচে মাসিক ৩০ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের কলারোডা অঙ্গরাজ্যের মন্টরোজে ‘সানসেট মেসা’ নামক এক ফিউনারেল হোমের আড়ালে মানবশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে। ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মী কারি এশচারের বরাতে ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর রয়টার্সের।

এক বছর ধরে করা রয়টার্সের তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ সব তথ্য। মা শারলি কচ আর তার বাবা অ্যালান কচের সহযোগিতায় ফিউনারেল হোমটি চালায় মেগান হেস নামক এক ভদ্রমহিলা। তিনি একে তার পারিবারিক ব্যবসা বলে দাবি করেন।

সাবেক কর্মী কারি এশচার জানান, মেগান হেসের মা শারলি কচের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক ছিল। সে যখন অন্তেষ্ট্যক্রিয়ার জন্য মৃত মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গচ্ছেদ করতো, তখন লাশের দাঁত খুলে সোনার দাঁতসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র আলাদা করে সংগ্রহ করে রাখতো।

তিনি আরও বলেন, সে একদিন তার মৃত মানুষের সোনার দাঁতের সংগ্রহ আমাকে দেখিয়েছিলো। এক বছর পর পর সোনার দাঁতের পুরো একটি ব্যাচ বিক্রি করে তারা পুরো পরিবারসহ ডিজনীল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিল। কোনো কোনো মাসে তার মাসিক আয় ৪০,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়ে বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, পুরো আমেরিকায় আর এমন কোনো ফিউনারেল হোম খুঁজে পাওয়া যায়নি, যেখানে একই সাথে ফিউনারেল হোম, মানুষ পোড়ানো আর মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয়।

ডোনার সার্ভিস নামক একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেগান হেস মানব শরীরে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করতেন। এগুলো ছাড়াও সে নন ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট টিস্যু ও বিক্রি করত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ওই ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

উল্লেখ্য, কলারোডাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অংগরাজ্যগুলোতে মৃত মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিয়ে কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, সুধী মহলে এ ব্যবসার নৈতিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।