ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মৃত মানুষের শরীর বেচে মাসিক ৩০ লাখ টাকা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের কলারোডা অঙ্গরাজ্যের মন্টরোজে ‘সানসেট মেসা’ নামক এক ফিউনারেল হোমের আড়ালে মানবশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে। ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মী কারি এশচারের বরাতে ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর রয়টার্সের।

এক বছর ধরে করা রয়টার্সের তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ সব তথ্য। মা শারলি কচ আর তার বাবা অ্যালান কচের সহযোগিতায় ফিউনারেল হোমটি চালায় মেগান হেস নামক এক ভদ্রমহিলা। তিনি একে তার পারিবারিক ব্যবসা বলে দাবি করেন।

সাবেক কর্মী কারি এশচার জানান, মেগান হেসের মা শারলি কচের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক ছিল। সে যখন অন্তেষ্ট্যক্রিয়ার জন্য মৃত মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গচ্ছেদ করতো, তখন লাশের দাঁত খুলে সোনার দাঁতসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র আলাদা করে সংগ্রহ করে রাখতো।

তিনি আরও বলেন, সে একদিন তার মৃত মানুষের সোনার দাঁতের সংগ্রহ আমাকে দেখিয়েছিলো। এক বছর পর পর সোনার দাঁতের পুরো একটি ব্যাচ বিক্রি করে তারা পুরো পরিবারসহ ডিজনীল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিল। কোনো কোনো মাসে তার মাসিক আয় ৪০,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়ে বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, পুরো আমেরিকায় আর এমন কোনো ফিউনারেল হোম খুঁজে পাওয়া যায়নি, যেখানে একই সাথে ফিউনারেল হোম, মানুষ পোড়ানো আর মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয়।

ডোনার সার্ভিস নামক একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেগান হেস মানব শরীরে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করতেন। এগুলো ছাড়াও সে নন ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট টিস্যু ও বিক্রি করত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ওই ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

উল্লেখ্য, কলারোডাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অংগরাজ্যগুলোতে মৃত মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিয়ে কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, সুধী মহলে এ ব্যবসার নৈতিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় ও মুক্তিপণ দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ১

মৃত মানুষের শরীর বেচে মাসিক ৩০ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের কলারোডা অঙ্গরাজ্যের মন্টরোজে ‘সানসেট মেসা’ নামক এক ফিউনারেল হোমের আড়ালে মানবশরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে। ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মী কারি এশচারের বরাতে ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর রয়টার্সের।

এক বছর ধরে করা রয়টার্সের তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ সব তথ্য। মা শারলি কচ আর তার বাবা অ্যালান কচের সহযোগিতায় ফিউনারেল হোমটি চালায় মেগান হেস নামক এক ভদ্রমহিলা। তিনি একে তার পারিবারিক ব্যবসা বলে দাবি করেন।

সাবেক কর্মী কারি এশচার জানান, মেগান হেসের মা শারলি কচের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক ছিল। সে যখন অন্তেষ্ট্যক্রিয়ার জন্য মৃত মানুষের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গচ্ছেদ করতো, তখন লাশের দাঁত খুলে সোনার দাঁতসহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র আলাদা করে সংগ্রহ করে রাখতো।

তিনি আরও বলেন, সে একদিন তার মৃত মানুষের সোনার দাঁতের সংগ্রহ আমাকে দেখিয়েছিলো। এক বছর পর পর সোনার দাঁতের পুরো একটি ব্যাচ বিক্রি করে তারা পুরো পরিবারসহ ডিজনীল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিল। কোনো কোনো মাসে তার মাসিক আয় ৪০,০০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়ে বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, পুরো আমেরিকায় আর এমন কোনো ফিউনারেল হোম খুঁজে পাওয়া যায়নি, যেখানে একই সাথে ফিউনারেল হোম, মানুষ পোড়ানো আর মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করা হয়।

ডোনার সার্ভিস নামক একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেগান হেস মানব শরীরে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি করতেন। এগুলো ছাড়াও সে নন ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট টিস্যু ও বিক্রি করত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ওই ফিউনারেল হোমের সাবেক কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

উল্লেখ্য, কলারোডাসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অংগরাজ্যগুলোতে মৃত মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিক্রি নিয়ে কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, সুধী মহলে এ ব্যবসার নৈতিকতা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।