ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

শিগগির যশোর-বেনাপোল সড়কের সব গাছ কাটা হবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করতে ওই সড়কের দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তমতে দ্রুতই এই কাজে হাত দেওয়া হবে। শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক যথাযথ মানের ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে গাছসমূহ অপসারণের বিষয়ে’ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগির এই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কের দুই পাশে নতুন-পুরনো অনেক গাছ থাকায় চার লেন করা সম্ভব না। তাই জনস্বার্থে গাছগুলো কাটতে হবে। সভা সূত্র জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ দ্বিমত করেননি। রাস্তা নির্মাণের পর দুই ধারে নতুন করে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে রাস্তার ক্ষতি করবে না তেমন গাছ লাগানো হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

সভা শেষে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন জানান, মহাসড়কটিতে দুই হাজার তিন শয়ের বেশি গাছ আছে বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জাহিদ হাসান জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে যশোর, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলা পরিষদ এবং যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আগেই সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রসিদ্ধ যশোর রোডে (যশোর থেকে কলকাতা) নড়াইলের জমিদার কালিবাবুর তত্ত্বাবধানে লাগানো প্রাচীন গাছগুলোর মধ্যে অল্প কিছু এখনো জীবিত আছে। এগুলোর আয়ু শেষের পথে। এর আগে নানা সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা বহু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আর বিভিন্ন সময়ে মহাসড়কটিতে নতুন করে কিছু গাছ লাগানো হয়। সড়ক উন্নয়নের জন্য সীমান্তের ওপারে যশোর রোডেও প্রাচীন গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

শিগগির যশোর-বেনাপোল সড়কের সব গাছ কাটা হবে

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করতে ওই সড়কের দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তমতে দ্রুতই এই কাজে হাত দেওয়া হবে। শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক যথাযথ মানের ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে গাছসমূহ অপসারণের বিষয়ে’ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগির এই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কের দুই পাশে নতুন-পুরনো অনেক গাছ থাকায় চার লেন করা সম্ভব না। তাই জনস্বার্থে গাছগুলো কাটতে হবে। সভা সূত্র জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ দ্বিমত করেননি। রাস্তা নির্মাণের পর দুই ধারে নতুন করে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে রাস্তার ক্ষতি করবে না তেমন গাছ লাগানো হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

সভা শেষে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন জানান, মহাসড়কটিতে দুই হাজার তিন শয়ের বেশি গাছ আছে বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জাহিদ হাসান জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে যশোর, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলা পরিষদ এবং যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আগেই সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রসিদ্ধ যশোর রোডে (যশোর থেকে কলকাতা) নড়াইলের জমিদার কালিবাবুর তত্ত্বাবধানে লাগানো প্রাচীন গাছগুলোর মধ্যে অল্প কিছু এখনো জীবিত আছে। এগুলোর আয়ু শেষের পথে। এর আগে নানা সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা বহু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আর বিভিন্ন সময়ে মহাসড়কটিতে নতুন করে কিছু গাছ লাগানো হয়। সড়ক উন্নয়নের জন্য সীমান্তের ওপারে যশোর রোডেও প্রাচীন গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।