ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল টিকা সংকটে হামের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্বেগ গ্যাস সঙ্কটের কারণেই দেশে লোডশেডিং বেড়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের গুরুতর আহত মোজতবা খামেনির প্লাস্টিক সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে

পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি আ. লীগ নেতাকে ছিনতাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরে পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কামারজুড়ি রোডের বাধেকল্মেশ্বরের উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

ছিনিয়ে নেওয়া আসামি স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. কামরুজ্জামান জামান (৪৫)। তিনি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মাইনুউদ্দিন চেয়ারম্যানের ছেলে এবং গাছা থানার মামলায় এজাহারনামীয় আসামি। এ মামলায় পতিত আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আ ক ম মোজাম্মেল হক, জাহিদ আহসান রাসেল, আজমত উল্লা খান ও একাধিক হত্যাসহ ৩৪ মামলার আসামি মামুন মণ্ডলসহ ২২৭ জন আসামি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছা থানার এএসআই রেজাউলসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মঙ্গলবার বিকালে ওই এলাকায় আসেন। পরে জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণসহ সহিংসতার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজহারভুক্ত আসামি মো. কামরুজ্জামান জামানকে আটক করে একটি চায়ের দোকানে বসে আলাপ করতে থাকেন।

এ সময় উৎসুক জনতা ভিড় জমাতে থাকেন। একপর্যায়ে কিছু লোক পুলিশের সোর্স (ইনফর্মা) মো. সুমনকে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং এএসআই রেজাউলকে কিল-ঘুসি মেরে আসামি কামরুজ্জামানকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ সংবাদ চাউর হয়ে গেলে গাছা থানার ওসি মো. মনির হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতিতে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করে।

নাম প্রকাশে একজন আইনজীবী জানান, অভিযোগ রয়েছে ওই পুলিশ কর্মকর্তা মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে ধরে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়েছেন। না হয় আসামি ধরে চায়ের দোকানে বসিয়ে গল্প করার কী আছে?

গাছা থানার ওসি মো. মনির হোসেন জানান, ঘটনাটি ঘটার পর সংবাদ পেয়ে আমি গিয়েছিলাম। এএসআই রেজাউল আমাকে না বলেই আসামি ধরতে গিয়েছিল। সেও বুঝে উঠতে পারে নাই। ধরার পর আশপাশের লোকজন জমে যাওয়ায় এবং একই সময় গার্মেন্টস ছুটি হয়ে যাওয়াতে আসামিকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি পরবর্তী আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি আ. লীগ নেতাকে ছিনতাই

আপডেট সময় ০৮:০০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

গাজীপুরে পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কামারজুড়ি রোডের বাধেকল্মেশ্বরের উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

ছিনিয়ে নেওয়া আসামি স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মো. কামরুজ্জামান জামান (৪৫)। তিনি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মাইনুউদ্দিন চেয়ারম্যানের ছেলে এবং গাছা থানার মামলায় এজাহারনামীয় আসামি। এ মামলায় পতিত আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আ ক ম মোজাম্মেল হক, জাহিদ আহসান রাসেল, আজমত উল্লা খান ও একাধিক হত্যাসহ ৩৪ মামলার আসামি মামুন মণ্ডলসহ ২২৭ জন আসামি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছা থানার এএসআই রেজাউলসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মঙ্গলবার বিকালে ওই এলাকায় আসেন। পরে জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণসহ সহিংসতার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজহারভুক্ত আসামি মো. কামরুজ্জামান জামানকে আটক করে একটি চায়ের দোকানে বসে আলাপ করতে থাকেন।

এ সময় উৎসুক জনতা ভিড় জমাতে থাকেন। একপর্যায়ে কিছু লোক পুলিশের সোর্স (ইনফর্মা) মো. সুমনকে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং এএসআই রেজাউলকে কিল-ঘুসি মেরে আসামি কামরুজ্জামানকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ সংবাদ চাউর হয়ে গেলে গাছা থানার ওসি মো. মনির হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশের উপস্থিতিতে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করে।

নাম প্রকাশে একজন আইনজীবী জানান, অভিযোগ রয়েছে ওই পুলিশ কর্মকর্তা মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে ধরে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়েছেন। না হয় আসামি ধরে চায়ের দোকানে বসিয়ে গল্প করার কী আছে?

গাছা থানার ওসি মো. মনির হোসেন জানান, ঘটনাটি ঘটার পর সংবাদ পেয়ে আমি গিয়েছিলাম। এএসআই রেজাউল আমাকে না বলেই আসামি ধরতে গিয়েছিল। সেও বুঝে উঠতে পারে নাই। ধরার পর আশপাশের লোকজন জমে যাওয়ায় এবং একই সময় গার্মেন্টস ছুটি হয়ে যাওয়াতে আসামিকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি পরবর্তী আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করেননি।