ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

শিগগির যশোর-বেনাপোল সড়কের সব গাছ কাটা হবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করতে ওই সড়কের দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তমতে দ্রুতই এই কাজে হাত দেওয়া হবে। শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক যথাযথ মানের ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে গাছসমূহ অপসারণের বিষয়ে’ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগির এই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কের দুই পাশে নতুন-পুরনো অনেক গাছ থাকায় চার লেন করা সম্ভব না। তাই জনস্বার্থে গাছগুলো কাটতে হবে। সভা সূত্র জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ দ্বিমত করেননি। রাস্তা নির্মাণের পর দুই ধারে নতুন করে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে রাস্তার ক্ষতি করবে না তেমন গাছ লাগানো হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

সভা শেষে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন জানান, মহাসড়কটিতে দুই হাজার তিন শয়ের বেশি গাছ আছে বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জাহিদ হাসান জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে যশোর, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলা পরিষদ এবং যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আগেই সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রসিদ্ধ যশোর রোডে (যশোর থেকে কলকাতা) নড়াইলের জমিদার কালিবাবুর তত্ত্বাবধানে লাগানো প্রাচীন গাছগুলোর মধ্যে অল্প কিছু এখনো জীবিত আছে। এগুলোর আয়ু শেষের পথে। এর আগে নানা সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা বহু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আর বিভিন্ন সময়ে মহাসড়কটিতে নতুন করে কিছু গাছ লাগানো হয়। সড়ক উন্নয়নের জন্য সীমান্তের ওপারে যশোর রোডেও প্রাচীন গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

শিগগির যশোর-বেনাপোল সড়কের সব গাছ কাটা হবে

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করতে ওই সড়কের দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তমতে দ্রুতই এই কাজে হাত দেওয়া হবে। শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক যথাযথ মানের ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে গাছসমূহ অপসারণের বিষয়ে’ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগির এই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কের দুই পাশে নতুন-পুরনো অনেক গাছ থাকায় চার লেন করা সম্ভব না। তাই জনস্বার্থে গাছগুলো কাটতে হবে। সভা সূত্র জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ দ্বিমত করেননি। রাস্তা নির্মাণের পর দুই ধারে নতুন করে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে রাস্তার ক্ষতি করবে না তেমন গাছ লাগানো হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

সভা শেষে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন জানান, মহাসড়কটিতে দুই হাজার তিন শয়ের বেশি গাছ আছে বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জাহিদ হাসান জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে যশোর, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলা পরিষদ এবং যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আগেই সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রসিদ্ধ যশোর রোডে (যশোর থেকে কলকাতা) নড়াইলের জমিদার কালিবাবুর তত্ত্বাবধানে লাগানো প্রাচীন গাছগুলোর মধ্যে অল্প কিছু এখনো জীবিত আছে। এগুলোর আয়ু শেষের পথে। এর আগে নানা সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা বহু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আর বিভিন্ন সময়ে মহাসড়কটিতে নতুন করে কিছু গাছ লাগানো হয়। সড়ক উন্নয়নের জন্য সীমান্তের ওপারে যশোর রোডেও প্রাচীন গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।