ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

শিগগির যশোর-বেনাপোল সড়কের সব গাছ কাটা হবে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করতে ওই সড়কের দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তমতে দ্রুতই এই কাজে হাত দেওয়া হবে। শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক যথাযথ মানের ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে গাছসমূহ অপসারণের বিষয়ে’ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগির এই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কের দুই পাশে নতুন-পুরনো অনেক গাছ থাকায় চার লেন করা সম্ভব না। তাই জনস্বার্থে গাছগুলো কাটতে হবে। সভা সূত্র জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ দ্বিমত করেননি। রাস্তা নির্মাণের পর দুই ধারে নতুন করে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে রাস্তার ক্ষতি করবে না তেমন গাছ লাগানো হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

সভা শেষে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন জানান, মহাসড়কটিতে দুই হাজার তিন শয়ের বেশি গাছ আছে বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জাহিদ হাসান জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে যশোর, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলা পরিষদ এবং যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আগেই সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রসিদ্ধ যশোর রোডে (যশোর থেকে কলকাতা) নড়াইলের জমিদার কালিবাবুর তত্ত্বাবধানে লাগানো প্রাচীন গাছগুলোর মধ্যে অল্প কিছু এখনো জীবিত আছে। এগুলোর আয়ু শেষের পথে। এর আগে নানা সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা বহু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আর বিভিন্ন সময়ে মহাসড়কটিতে নতুন করে কিছু গাছ লাগানো হয়। সড়ক উন্নয়নের জন্য সীমান্তের ওপারে যশোর রোডেও প্রাচীন গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

শিগগির যশোর-বেনাপোল সড়কের সব গাছ কাটা হবে

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করতে ওই সড়কের দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ উচ্চপর্যায়ের এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তমতে দ্রুতই এই কাজে হাত দেওয়া হবে। শনিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক যথাযথ মানের ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে গাছসমূহ অপসারণের বিষয়ে’ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগির এই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কের দুই পাশে নতুন-পুরনো অনেক গাছ থাকায় চার লেন করা সম্ভব না। তাই জনস্বার্থে গাছগুলো কাটতে হবে। সভা সূত্র জানায়, গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ দ্বিমত করেননি। রাস্তা নির্মাণের পর দুই ধারে নতুন করে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে রাস্তার ক্ষতি করবে না তেমন গাছ লাগানো হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন, সাংসদ অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

সভা শেষে জানতে চাইলে প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন জানান, মহাসড়কটিতে দুই হাজার তিন শয়ের বেশি গাছ আছে বলে জানানো হয়। তবে এ নিয়ে বিতর্ক আছে। জাহিদ হাসান জানান, গাছ কাটার ব্যাপারে যশোর, ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলা পরিষদ এবং যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আগেই সিদ্ধান্ত হয়। বিদ্যমান গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রসিদ্ধ যশোর রোডে (যশোর থেকে কলকাতা) নড়াইলের জমিদার কালিবাবুর তত্ত্বাবধানে লাগানো প্রাচীন গাছগুলোর মধ্যে অল্প কিছু এখনো জীবিত আছে। এগুলোর আয়ু শেষের পথে। এর আগে নানা সময়ে অসাধু ব্যক্তিরা বহু গাছ কেটে নিয়ে গেছে। আর বিভিন্ন সময়ে মহাসড়কটিতে নতুন করে কিছু গাছ লাগানো হয়। সড়ক উন্নয়নের জন্য সীমান্তের ওপারে যশোর রোডেও প্রাচীন গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।