ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সিকি পয়সা দিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিকি পয়সা দিয়ে গাড়ি কিনতে চাওয়া! তাও আবার বিএমডব্লিউ! যার দাম শুনলে কিনা মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে! আমাদের দেশে হলে নির্ঘাত গাড়িওয়ালা মাথা দুদিকে নেড়ে মানা করে দিতো। কিন্তু চীনের গাড়ি ব্যবসায়ী সেটা করেননি। বরং দোকানের কর্মচারীদের লাগিয়ে দিয়ে সুবোধ বালকের মতোই খুচরো পয়সা গুণে নিয়েছেন।

ঘটনাটা ঘটিয়েছেন যিনি, তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার নাম জানানো বারন ছিলো বলে গাড়ির দোকানের ম্যানেজার নামটা মুখে নেননি। তবে জানিয়েছেন, গেল কয়েক বছর ধরে চীনের এই খুচরো পণ্যের ব্যবসায়ী তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসা সিকি পয়সা ব্যাংকে না দিয়ে নিজের বাড়িতে জমা করছিলেন। তার ইচ্ছে ছিলো একটা বড় অংক হলে একসাথে করে ব্যাংকে জমা দেবেন।

কিন্তু এক সময় তাকে নেশায় পেয়ে বসে। তিনি সিকি পয়সা জমাতে জমাতে বিশাল এক অংক দাড় করিয়ে ফেলেন। বিএমডব্লিউর দাম শুনে মনে হলো জমানো পয়সায় একটা নতুন গাড়ি কেনা যেতেই পারে। এরপর এক সুন্দর সকালে ঘরে জমা হওয়া সমস্ত সিকি পয়সা খুঁজে বের করে, সেগুলো বাক্সবন্দী করে সোজা চলে যান গাড়ির দোকানে। কয়েকটি কিস্তিতে কিনে ফেলেন ৪৫ হাজার পাউন্ডের একটি ব্র্যান্ডনিউ বিএমডব্লিউ।

গাড়ি যখন বিক্রি করা হয়েই গেলো, তখন কি আর করা! ১০টি বাক্সের মধ্যে থাকা কয়েনগুলো সেই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বয়ে নিয়ে আসেন দোকানের বেশ কয়েকজন কর্মচারী মিলে। আনার পর সেগুলো দোকানের মেঝেতে ঢালা হয়। সেলসম্যানদের একটা গ্রুপ কয়েনগুলো কয়েক ঘণ্টায় এক এক করে গুণে শেষ করেন।

এ প্রসঙ্গে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের বিএমডব্লিউ ডিলারশিপের সেলস ম্যানেজার জানিয়েছেন, ওই ক্রেতা একজন খুচর পণ্যের ব্যবসায়ী। যাতে তাকে নিয়ে কোনও বিদ্রূপ করা না হয়, সেই কারণে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিএমডব্লিউ কেনার জন্য কয়েক বছর ধরে একটু একটু করে সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। আমরা তাকে জানিয়ে দিয়েছি, বাকি টাকাটাও যদি তিনি খুচরোতে দেন, তাহলেও কোনোআপত্তি নেই আমাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজের কাছে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

সিকি পয়সা দিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়

আপডেট সময় ০৪:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিকি পয়সা দিয়ে গাড়ি কিনতে চাওয়া! তাও আবার বিএমডব্লিউ! যার দাম শুনলে কিনা মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে! আমাদের দেশে হলে নির্ঘাত গাড়িওয়ালা মাথা দুদিকে নেড়ে মানা করে দিতো। কিন্তু চীনের গাড়ি ব্যবসায়ী সেটা করেননি। বরং দোকানের কর্মচারীদের লাগিয়ে দিয়ে সুবোধ বালকের মতোই খুচরো পয়সা গুণে নিয়েছেন।

ঘটনাটা ঘটিয়েছেন যিনি, তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার নাম জানানো বারন ছিলো বলে গাড়ির দোকানের ম্যানেজার নামটা মুখে নেননি। তবে জানিয়েছেন, গেল কয়েক বছর ধরে চীনের এই খুচরো পণ্যের ব্যবসায়ী তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসা সিকি পয়সা ব্যাংকে না দিয়ে নিজের বাড়িতে জমা করছিলেন। তার ইচ্ছে ছিলো একটা বড় অংক হলে একসাথে করে ব্যাংকে জমা দেবেন।

কিন্তু এক সময় তাকে নেশায় পেয়ে বসে। তিনি সিকি পয়সা জমাতে জমাতে বিশাল এক অংক দাড় করিয়ে ফেলেন। বিএমডব্লিউর দাম শুনে মনে হলো জমানো পয়সায় একটা নতুন গাড়ি কেনা যেতেই পারে। এরপর এক সুন্দর সকালে ঘরে জমা হওয়া সমস্ত সিকি পয়সা খুঁজে বের করে, সেগুলো বাক্সবন্দী করে সোজা চলে যান গাড়ির দোকানে। কয়েকটি কিস্তিতে কিনে ফেলেন ৪৫ হাজার পাউন্ডের একটি ব্র্যান্ডনিউ বিএমডব্লিউ।

গাড়ি যখন বিক্রি করা হয়েই গেলো, তখন কি আর করা! ১০টি বাক্সের মধ্যে থাকা কয়েনগুলো সেই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বয়ে নিয়ে আসেন দোকানের বেশ কয়েকজন কর্মচারী মিলে। আনার পর সেগুলো দোকানের মেঝেতে ঢালা হয়। সেলসম্যানদের একটা গ্রুপ কয়েনগুলো কয়েক ঘণ্টায় এক এক করে গুণে শেষ করেন।

এ প্রসঙ্গে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের বিএমডব্লিউ ডিলারশিপের সেলস ম্যানেজার জানিয়েছেন, ওই ক্রেতা একজন খুচর পণ্যের ব্যবসায়ী। যাতে তাকে নিয়ে কোনও বিদ্রূপ করা না হয়, সেই কারণে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিএমডব্লিউ কেনার জন্য কয়েক বছর ধরে একটু একটু করে সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। আমরা তাকে জানিয়ে দিয়েছি, বাকি টাকাটাও যদি তিনি খুচরোতে দেন, তাহলেও কোনোআপত্তি নেই আমাদের।