ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান গ্রাম-শহরের সব প্রতিবন্ধী শিশু আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ইরানের হৃদয় ভেঙে ইতিহাস গড়ে নকআউটে মিশর হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি ইউরোপের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের তুরাগে পিকনিক করতে গিয়ে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আহত ছেলে

সিকি পয়সা দিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিকি পয়সা দিয়ে গাড়ি কিনতে চাওয়া! তাও আবার বিএমডব্লিউ! যার দাম শুনলে কিনা মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে! আমাদের দেশে হলে নির্ঘাত গাড়িওয়ালা মাথা দুদিকে নেড়ে মানা করে দিতো। কিন্তু চীনের গাড়ি ব্যবসায়ী সেটা করেননি। বরং দোকানের কর্মচারীদের লাগিয়ে দিয়ে সুবোধ বালকের মতোই খুচরো পয়সা গুণে নিয়েছেন।

ঘটনাটা ঘটিয়েছেন যিনি, তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার নাম জানানো বারন ছিলো বলে গাড়ির দোকানের ম্যানেজার নামটা মুখে নেননি। তবে জানিয়েছেন, গেল কয়েক বছর ধরে চীনের এই খুচরো পণ্যের ব্যবসায়ী তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসা সিকি পয়সা ব্যাংকে না দিয়ে নিজের বাড়িতে জমা করছিলেন। তার ইচ্ছে ছিলো একটা বড় অংক হলে একসাথে করে ব্যাংকে জমা দেবেন।

কিন্তু এক সময় তাকে নেশায় পেয়ে বসে। তিনি সিকি পয়সা জমাতে জমাতে বিশাল এক অংক দাড় করিয়ে ফেলেন। বিএমডব্লিউর দাম শুনে মনে হলো জমানো পয়সায় একটা নতুন গাড়ি কেনা যেতেই পারে। এরপর এক সুন্দর সকালে ঘরে জমা হওয়া সমস্ত সিকি পয়সা খুঁজে বের করে, সেগুলো বাক্সবন্দী করে সোজা চলে যান গাড়ির দোকানে। কয়েকটি কিস্তিতে কিনে ফেলেন ৪৫ হাজার পাউন্ডের একটি ব্র্যান্ডনিউ বিএমডব্লিউ।

গাড়ি যখন বিক্রি করা হয়েই গেলো, তখন কি আর করা! ১০টি বাক্সের মধ্যে থাকা কয়েনগুলো সেই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বয়ে নিয়ে আসেন দোকানের বেশ কয়েকজন কর্মচারী মিলে। আনার পর সেগুলো দোকানের মেঝেতে ঢালা হয়। সেলসম্যানদের একটা গ্রুপ কয়েনগুলো কয়েক ঘণ্টায় এক এক করে গুণে শেষ করেন।

এ প্রসঙ্গে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের বিএমডব্লিউ ডিলারশিপের সেলস ম্যানেজার জানিয়েছেন, ওই ক্রেতা একজন খুচর পণ্যের ব্যবসায়ী। যাতে তাকে নিয়ে কোনও বিদ্রূপ করা না হয়, সেই কারণে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিএমডব্লিউ কেনার জন্য কয়েক বছর ধরে একটু একটু করে সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। আমরা তাকে জানিয়ে দিয়েছি, বাকি টাকাটাও যদি তিনি খুচরোতে দেন, তাহলেও কোনোআপত্তি নেই আমাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

সিকি পয়সা দিয়ে বিএমডব্লিউ ক্রয়

আপডেট সময় ০৪:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিকি পয়সা দিয়ে গাড়ি কিনতে চাওয়া! তাও আবার বিএমডব্লিউ! যার দাম শুনলে কিনা মাথা চক্কর দিয়ে ওঠে! আমাদের দেশে হলে নির্ঘাত গাড়িওয়ালা মাথা দুদিকে নেড়ে মানা করে দিতো। কিন্তু চীনের গাড়ি ব্যবসায়ী সেটা করেননি। বরং দোকানের কর্মচারীদের লাগিয়ে দিয়ে সুবোধ বালকের মতোই খুচরো পয়সা গুণে নিয়েছেন।

ঘটনাটা ঘটিয়েছেন যিনি, তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার নাম জানানো বারন ছিলো বলে গাড়ির দোকানের ম্যানেজার নামটা মুখে নেননি। তবে জানিয়েছেন, গেল কয়েক বছর ধরে চীনের এই খুচরো পণ্যের ব্যবসায়ী তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসা সিকি পয়সা ব্যাংকে না দিয়ে নিজের বাড়িতে জমা করছিলেন। তার ইচ্ছে ছিলো একটা বড় অংক হলে একসাথে করে ব্যাংকে জমা দেবেন।

কিন্তু এক সময় তাকে নেশায় পেয়ে বসে। তিনি সিকি পয়সা জমাতে জমাতে বিশাল এক অংক দাড় করিয়ে ফেলেন। বিএমডব্লিউর দাম শুনে মনে হলো জমানো পয়সায় একটা নতুন গাড়ি কেনা যেতেই পারে। এরপর এক সুন্দর সকালে ঘরে জমা হওয়া সমস্ত সিকি পয়সা খুঁজে বের করে, সেগুলো বাক্সবন্দী করে সোজা চলে যান গাড়ির দোকানে। কয়েকটি কিস্তিতে কিনে ফেলেন ৪৫ হাজার পাউন্ডের একটি ব্র্যান্ডনিউ বিএমডব্লিউ।

গাড়ি যখন বিক্রি করা হয়েই গেলো, তখন কি আর করা! ১০টি বাক্সের মধ্যে থাকা কয়েনগুলো সেই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বয়ে নিয়ে আসেন দোকানের বেশ কয়েকজন কর্মচারী মিলে। আনার পর সেগুলো দোকানের মেঝেতে ঢালা হয়। সেলসম্যানদের একটা গ্রুপ কয়েনগুলো কয়েক ঘণ্টায় এক এক করে গুণে শেষ করেন।

এ প্রসঙ্গে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের বিএমডব্লিউ ডিলারশিপের সেলস ম্যানেজার জানিয়েছেন, ওই ক্রেতা একজন খুচর পণ্যের ব্যবসায়ী। যাতে তাকে নিয়ে কোনও বিদ্রূপ করা না হয়, সেই কারণে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিএমডব্লিউ কেনার জন্য কয়েক বছর ধরে একটু একটু করে সঞ্চয় করেছিলেন তিনি। আমরা তাকে জানিয়ে দিয়েছি, বাকি টাকাটাও যদি তিনি খুচরোতে দেন, তাহলেও কোনোআপত্তি নেই আমাদের।