ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

আপডেট সময় ১১:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি