ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

আপডেট সময় ১১:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি