ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

আপডেট সময় ১১:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি