ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাতার বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি, এবার খরচ প্রায় শূন্য: তথ্যমন্ত্রী সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ঠোঁট-তালুকাটা শিশুদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার বুড়িগঙ্গায় লঞ্চের ধাক্কায় নৌকা ডুবি, নিখোঁজ ২ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতার বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি, এবার খরচ প্রায় শূন্য: তথ্যমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট

আপডেট সময় ১১:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের ভি.আই.পি ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসায় শিশুর চোখ নষ্ট। মঙ্গলবার সকালে ভুল চিকিৎসায় ৩ দিনের এক নবজাতকের চোখ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহরের ভি.আই.পি হিসাবে খ্যাত হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালের নামে।

নবজাতক শিশুটি সদর উপজেলার বগুলাডাংগি ভুল্লীবাজার এলাকার হাবিল শেখের মেয়ে। শিশুটির অভিভাবক হাবিল শেখ অভিযোগ করে বলেন, গত তিন আগে হাসান এক্স-রে ক্লিনিক অ্যান্ড প্যাথলজি ও জেনারেল হাসপাতালে আমার কন্যা শিশুর প্রসব হয়েছে।

পরে শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনকে দেখালে তিনি চোখের ও নাভির দুটি ড্রপ দেয়। গতরাতে কথাকথিত নার্সরা সঠিকভাবে ড্রপ প্রয়োগ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে কর্তব্যরত কথাকথিত নার্স লিপি রানী ভুল করে চোখের ড্রপ ব্যবহার না করে নাভির ড্রপ চোখে প্রয়োগ করে। ফলে শিশু চিৎকার করে অস্থির হয়ে উঠে।এ সময় নবজাতকের স্বজনরা রাজু নামে এক ক্লিনিককর্মীর উপর উত্তেজিত হয়ে হামলা চালিয়েছে বলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন।অপরদিকে কর্তব্যরত নার্স লিপি রানী ডা. সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের দেয়া সঠিক ড্রগ প্রয়োগ করেছেন বলে দাবি করেছেন।পরে তাৎক্ষণিক শিশু ডাক্তার সাজ্জাদ হায়দার শাহীনের কাছে নবজাতকটি নিয়ে গেলে ভুল ড্রপ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান এবং চক্ষু ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন।

পরে অভিভাবকরা ঠাকুরগাঁও গ্রামীন চক্ষু হাসপাতালে ডা. নাইমুল হাসানকে নবজাতকের চোখ দেখালে তিনি জানান, শিশুটির চোখে যে ড্রপটি প্রয়োগ করা হয়েছে সেটিতে অতিরিক্ত এসিড থাকায় চোখের ৭০ ভাগ অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।হাসান জেনারেল হাসপাতালের মালিক ময়নুল হাসান মানিক জানান, ডাক্তার বা নার্সের ভুল বসত এমনটি হতে পারে। যেহেতু আমার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে নবজাতকের চিকিৎসার ব্যয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

মহসিন হোসেন মিতুল, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি