অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
উত্তর কোরিয়াকে অবৈধভাবে তেল বেচার ঘটনা অস্বীকার করেছে চীন। জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তর কোরিয়াকে তেল জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করছে চীন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ অভিযোগের জবাবে চীন এ বিবৃতি দিয়েছে। গতকাল শুক্রবার ট্রাম্পের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে চীন সরকার।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং গণমাধ্যমকে বলেন, বাস্তবে প্রশ্নবিদ্ধ ওই জাহাজটি গত আগস্ট থেকে চীনের বন্দরের ডকে ভেড়ানো হয়নি। আর এটি চীনের বন্দরে তেল প্রবেশ বা বের হওয়ার কোনো রেকর্ড তাদের কাছে নেই। এধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে ৬টি বিদেশি জাহাজকে কালো তালিকায় আনার মার্কিন প্রচেষ্টাকে রুখে দেয় চীন। ওই ৬টি জাহাজের মধ্যে ৫টিই চীন বা হংকংয়ের মালিকানাধীন।
জাতিসংঘে মার্কিন নিরাপত্তা পরিষদের এক কূটনীতিক বলেছিলেন, ওয়াশিংটনের বিশ্বাস ওই জাহাজগুলো উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অবৈধ বাণিজ্যে জড়িত ছিল। সূত্র রয়টার্স, জিনহুয়া। গত বৃহস্পতিবার এক টুইটার বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, উত্তর কোরিয়াকে তেল বেচতে গিয়ে চীন ‘হাতেনাতে’ ধরা পড়েছে। এমন চলতে থাকলে উত্তর কোরিয়া সমস্যার কোনো বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধান হবে না। যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত হানতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার পারমানবিক ও ব্যালিস্টিক মিশাইল পরীক্ষা চালানোর প্রেক্ষিতে দেশটির কড়া নজরদারিতে রয়েছে পিয়ংইয়ং।
পরবর্তীতে নিউইয়র্ক টাইমসের এক সাক্ষাতকারে চীনের প্রতি নরম সুর রয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, বাণিজ্যের চেয়ে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। যদি চীন উত্তর কোরিয়াকে সহযোগিতা করে তাহলে আমি বাণিজ্যকে কিছু সময়ের জন্য একটু ভিন্নভাবে দেখবো। কিন্তু তেল রপ্তানির বিষয়ে তিনি একেবারেই নাখোশ বলে জানান ট্রাম্প।
দক্ষিণ কোরিয়ার কোসুন ইলবো পত্রিকা এ সপ্তাহে দেশটির সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে প্রকাশ করে, মার্কিন গোয়েন্দা স্যাটেলাইটে চীনের জাহাজ থেকে উত্তর কোরিয়ার জাহাজে প্রায় ৩০ বারের বেশি তেল স্থানান্তর করতে দেখা গেছে। গত অক্টোবর থেকে এ দৃশ্য ধরা পড়েছে বলেছে জানিয়েছে ওই সূত্র। গত সপ্তাহে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া করা একটি সমাধানে সমর্থন দিয়েছিল চীন। যাতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমদানিকে ৯০ শতাংশ কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছিল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























