ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে যুক্তরাজ্যে নাগরিক সমাবেশ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ডে হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের উদ্যোগে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত সোমবার পূর্ব লন্ডনের দ্যা অট্রিয়াম হলে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে এবং যুক্তরাজ্য ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ক্রীড়াবিদ নঈমুদ্দিন রিয়াজ ও সাংবাদিক উর্মি মাজহারের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করতে গিয়ে যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি মহাকাব্য। সারাবিশ্বের নিপীড়িত মানুষের উতসাহ আর উদ্দীপনা যুগিয়েছে এ ভাষণ। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন এ ভাষণের মাধ্যমে। বাঙালি জাতি তার এ ভাষণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে টাওয়ার হ্যামলেটের মেয়র জন বিগস বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিশ্ববাসীর সম্পদ, এটি শুধু বাঙালিদের নয় সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্যে গৌরবের, আমরা ব্রিটিশরাও এনিয়ে গর্বিত। আর একারণেই অমূল্য এই ভাষণকে ইউনেস্ক কর্তৃক বিশ্ব হ্যারিটেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববাসীর সম্পদ হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে অমূল্য ভাষণটিকে বিভিন্ন ভাষায় প্রচার করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বাঙালিদের গর্ব করা উচিত। নাগরিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার মধ্যদিয়ে বিশ্ব দরবারে বাঙালি জাতি আবারো উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হলো। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে একটি বিশেষ প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরামের শিল্পীরা। দেশাত্ববোধক সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আলাউর রহমান।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব শামসুদ্দিন খান, জালাল উদ্দীন, সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, শাহ আজিজুর রহমান, হরমুজ আলী, মারুফ চৌধুরী, সাজ্জাদ মিয়া, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, শাহ শামীম আহমদ, আসম মিসবাহ, সাংবাদিক আনসার আহমদ, কবি মুজিবুল হক মনি, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতিতে যুক্তরাজ্যে নাগরিক সমাবেশ

আপডেট সময় ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ডে হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের উদ্যোগে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত সোমবার পূর্ব লন্ডনের দ্যা অট্রিয়াম হলে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফের সভাপতিত্বে এবং যুক্তরাজ্য ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ক্রীড়াবিদ নঈমুদ্দিন রিয়াজ ও সাংবাদিক উর্মি মাজহারের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করতে গিয়ে যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ একটি মহাকাব্য। সারাবিশ্বের নিপীড়িত মানুষের উতসাহ আর উদ্দীপনা যুগিয়েছে এ ভাষণ। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন এ ভাষণের মাধ্যমে। বাঙালি জাতি তার এ ভাষণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে টাওয়ার হ্যামলেটের মেয়র জন বিগস বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বিশ্ববাসীর সম্পদ, এটি শুধু বাঙালিদের নয় সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্যে গৌরবের, আমরা ব্রিটিশরাও এনিয়ে গর্বিত। আর একারণেই অমূল্য এই ভাষণকে ইউনেস্ক কর্তৃক বিশ্ব হ্যারিটেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববাসীর সম্পদ হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যে অমূল্য ভাষণটিকে বিভিন্ন ভাষায় প্রচার করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বাঙালিদের গর্ব করা উচিত। নাগরিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার মধ্যদিয়ে বিশ্ব দরবারে বাঙালি জাতি আবারো উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হলো। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে একটি বিশেষ প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরামের শিল্পীরা। দেশাত্ববোধক সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আলাউর রহমান।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব শামসুদ্দিন খান, জালাল উদ্দীন, সৈয়দ মোজাম্মেল আলী, শাহ আজিজুর রহমান, হরমুজ আলী, মারুফ চৌধুরী, সাজ্জাদ মিয়া, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, শাহ শামীম আহমদ, আসম মিসবাহ, সাংবাদিক আনসার আহমদ, কবি মুজিবুল হক মনি, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।