ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে, নির্বাচনী অঙ্গনে অনেক দুর্বৃত্ত ঢুকে গেছে: ড. বদিউল আলম ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদে বেসিকের বাচ্চু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসিক ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এর আগে গত সোমবার দুদকের পরিচালক জায়েদ হোসেন খান ও সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেদিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক এই চেয়ারম্যান।

গত ২৩ নভেম্বর রাষ্ট্রয়ত্ত বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ ১১জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকটির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আসামি না করায় সম্প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট। এরপরই দুদক তাদেরকে তলব করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে বেসিক ব্যাংকের তিনটি শাখায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে গুলশান শাখায় ১৩০০ কোটি টাকা, শান্তিনগর শাখার ৩৮৭ কোটি, মূল শাখায় প্রায় ২৪৮ কোটি ও দিলকুশা শাখায় ১৩০ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি বেসিক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে আরও এক হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি বেরিয়ে আসে। সব মিলে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে।

ঋণ কেলেঙ্কারি মাথায় নিয়ে ২০১৪ সালের ৬ জুলাই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়েন আবদুল হাই বাচ্চু। পরের বছর বাচ্চুকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ১৫৬ জনের জনের জনের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলায় বাচ্চুকে আসামি না করার সমালোচনা ছিল শুরু থেকেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একাধিকবার বলেছেন, তিন মনে করেন বাচ্চুকেও আসামি করা উচিত ছিল।

এর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে তৎকালীন চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা জড়িত মর্মে হাইকোর্ট বেশ কয়েকবার পর্যবেক্ষণ দেয়। দুদকের পক্ষ থেকে যেসব মামলা করা হয়েছে সেই মামলায় চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা কেন আসামি নয় সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট। এরপরই ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ১০ পরিচালককে তলব করে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। গত ২২ নভেম্বর থেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম

দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদে বেসিকের বাচ্চু

আপডেট সময় ০৩:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসিক ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এর আগে গত সোমবার দুদকের পরিচালক জায়েদ হোসেন খান ও সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেদিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক এই চেয়ারম্যান।

গত ২৩ নভেম্বর রাষ্ট্রয়ত্ত বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ ১১জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকটির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আসামি না করায় সম্প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট। এরপরই দুদক তাদেরকে তলব করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে বেসিক ব্যাংকের তিনটি শাখায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে গুলশান শাখায় ১৩০০ কোটি টাকা, শান্তিনগর শাখার ৩৮৭ কোটি, মূল শাখায় প্রায় ২৪৮ কোটি ও দিলকুশা শাখায় ১৩০ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি বেসিক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে আরও এক হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি বেরিয়ে আসে। সব মিলে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে।

ঋণ কেলেঙ্কারি মাথায় নিয়ে ২০১৪ সালের ৬ জুলাই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়েন আবদুল হাই বাচ্চু। পরের বছর বাচ্চুকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ১৫৬ জনের জনের জনের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলায় বাচ্চুকে আসামি না করার সমালোচনা ছিল শুরু থেকেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একাধিকবার বলেছেন, তিন মনে করেন বাচ্চুকেও আসামি করা উচিত ছিল।

এর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে তৎকালীন চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা জড়িত মর্মে হাইকোর্ট বেশ কয়েকবার পর্যবেক্ষণ দেয়। দুদকের পক্ষ থেকে যেসব মামলা করা হয়েছে সেই মামলায় চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা কেন আসামি নয় সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট। এরপরই ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ১০ পরিচালককে তলব করে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। গত ২২ নভেম্বর থেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।