ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদে বেসিকের বাচ্চু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসিক ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এর আগে গত সোমবার দুদকের পরিচালক জায়েদ হোসেন খান ও সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেদিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক এই চেয়ারম্যান।

গত ২৩ নভেম্বর রাষ্ট্রয়ত্ত বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ ১১জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকটির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আসামি না করায় সম্প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট। এরপরই দুদক তাদেরকে তলব করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে বেসিক ব্যাংকের তিনটি শাখায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে গুলশান শাখায় ১৩০০ কোটি টাকা, শান্তিনগর শাখার ৩৮৭ কোটি, মূল শাখায় প্রায় ২৪৮ কোটি ও দিলকুশা শাখায় ১৩০ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি বেসিক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে আরও এক হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি বেরিয়ে আসে। সব মিলে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে।

ঋণ কেলেঙ্কারি মাথায় নিয়ে ২০১৪ সালের ৬ জুলাই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়েন আবদুল হাই বাচ্চু। পরের বছর বাচ্চুকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ১৫৬ জনের জনের জনের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলায় বাচ্চুকে আসামি না করার সমালোচনা ছিল শুরু থেকেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একাধিকবার বলেছেন, তিন মনে করেন বাচ্চুকেও আসামি করা উচিত ছিল।

এর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে তৎকালীন চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা জড়িত মর্মে হাইকোর্ট বেশ কয়েকবার পর্যবেক্ষণ দেয়। দুদকের পক্ষ থেকে যেসব মামলা করা হয়েছে সেই মামলায় চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা কেন আসামি নয় সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট। এরপরই ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ১০ পরিচালককে তলব করে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। গত ২২ নভেম্বর থেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদে বেসিকের বাচ্চু

আপডেট সময় ০৩:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসিক ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এর আগে গত সোমবার দুদকের পরিচালক জায়েদ হোসেন খান ও সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেদিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক এই চেয়ারম্যান।

গত ২৩ নভেম্বর রাষ্ট্রয়ত্ত বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুসহ ১১জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংকটির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আসামি না করায় সম্প্রতি উষ্মা প্রকাশ করে হাইকোর্ট। এরপরই দুদক তাদেরকে তলব করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে বেসিক ব্যাংকের তিনটি শাখায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। এর মধ্যে গুলশান শাখায় ১৩০০ কোটি টাকা, শান্তিনগর শাখার ৩৮৭ কোটি, মূল শাখায় প্রায় ২৪৮ কোটি ও দিলকুশা শাখায় ১৩০ কোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি বেসিক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে আরও এক হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি বেরিয়ে আসে। সব মিলে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে।

ঋণ কেলেঙ্কারি মাথায় নিয়ে ২০১৪ সালের ৬ জুলাই ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ ছাড়েন আবদুল হাই বাচ্চু। পরের বছর বাচ্চুকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ১৫৬ জনের জনের জনের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলায় বাচ্চুকে আসামি না করার সমালোচনা ছিল শুরু থেকেই। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একাধিকবার বলেছেন, তিন মনে করেন বাচ্চুকেও আসামি করা উচিত ছিল।

এর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে তৎকালীন চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা জড়িত মর্মে হাইকোর্ট বেশ কয়েকবার পর্যবেক্ষণ দেয়। দুদকের পক্ষ থেকে যেসব মামলা করা হয়েছে সেই মামলায় চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা কেন আসামি নয় সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্ট। এরপরই ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ১০ পরিচালককে তলব করে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। গত ২২ নভেম্বর থেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।