ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

চার দিন ধরে মাদ্রাসা ছাত্রী নিখোঁজ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে মডেলিংয়ের প্রলোভনে দেখিয়ে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনার পর চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন ওই ছাত্রী। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে চরম উৎকণ্ঠায় ভুগছে পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বেবি বেগম শুক্রবার ইন্দুরকানী থানায় তার মেয়ে পত্তাশী এস. দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী আবিদা সুলতানার উধাও হওয়ার বিষয়ে ইন্দুরকানী থানায় একটি ডায়েরি করেছেন।

স্থানীয় ও ছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে ছাত্রী আবিদা সুলতানা বাড়ি থেকে বের হয়। পরে মডেলিং তারকা হবে বলে এক অপরিচিত মেয়ের ফোনে চাড়াখালী চৌরাস্তা এলাকায় সে কাউকে না বলে একাই চলে যায়। মাদ্রাসা ছুটি হলেও আবিদা বাড়ি না ফেরায় তার মা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। বাড়ি না ফিরে ওই রাতে ঢাকা থেকে আবিদা তার নিজের মোবাইলে তার মায়ের সাথে কথা বলে জানায়, “মা আমি ভাল আছি। আমি আমার এক বান্ধবীর বাসায় আছি।”

এছাড়া আবিদা তার অপর এক বান্ধবী মাদ্রাসাছাত্রী রেশমার ফোনে মেসেস পাঠিয়ে জানায়, “আম্মু যেন কোন চিন্তা না করে আমি এক বান্ধবীর বাসায় আছি, ভাল আছি।” তবে ঢাকায় কোথায় কিভাবে আছে সেটা জানাননি রেশমাকে। এরপর থেকে গত চার দিন ধরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সাথে কোন যোগাযোগও নেই এই তিন দিনে।

মাদ্রাসা ছাত্রীর মা বেবি বেগম জানান, ঢাকায় আমার মেয়ের কোন বান্ধবী নেই। আমার মেয়েকে কে বা কারা মোবাইলে মডেলিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। আমার মেয়েকে আমি অক্ষত অবস্থায় ফেরত চাই।

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, মাদ্রাসাছাত্রীর নিখোঁজের বিষয় তার মা শুক্রবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। আমরা তার সন্ধানের জন্য চেষ্টা করছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

চার দিন ধরে মাদ্রাসা ছাত্রী নিখোঁজ

আপডেট সময় ০৮:৫০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে মডেলিংয়ের প্রলোভনে দেখিয়ে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনার পর চার দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন ওই ছাত্রী। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে চরম উৎকণ্ঠায় ভুগছে পরিবারের সদস্যরা।

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বেবি বেগম শুক্রবার ইন্দুরকানী থানায় তার মেয়ে পত্তাশী এস. দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী আবিদা সুলতানার উধাও হওয়ার বিষয়ে ইন্দুরকানী থানায় একটি ডায়েরি করেছেন।

স্থানীয় ও ছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে ছাত্রী আবিদা সুলতানা বাড়ি থেকে বের হয়। পরে মডেলিং তারকা হবে বলে এক অপরিচিত মেয়ের ফোনে চাড়াখালী চৌরাস্তা এলাকায় সে কাউকে না বলে একাই চলে যায়। মাদ্রাসা ছুটি হলেও আবিদা বাড়ি না ফেরায় তার মা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। বাড়ি না ফিরে ওই রাতে ঢাকা থেকে আবিদা তার নিজের মোবাইলে তার মায়ের সাথে কথা বলে জানায়, “মা আমি ভাল আছি। আমি আমার এক বান্ধবীর বাসায় আছি।”

এছাড়া আবিদা তার অপর এক বান্ধবী মাদ্রাসাছাত্রী রেশমার ফোনে মেসেস পাঠিয়ে জানায়, “আম্মু যেন কোন চিন্তা না করে আমি এক বান্ধবীর বাসায় আছি, ভাল আছি।” তবে ঢাকায় কোথায় কিভাবে আছে সেটা জানাননি রেশমাকে। এরপর থেকে গত চার দিন ধরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সাথে কোন যোগাযোগও নেই এই তিন দিনে।

মাদ্রাসা ছাত্রীর মা বেবি বেগম জানান, ঢাকায় আমার মেয়ের কোন বান্ধবী নেই। আমার মেয়েকে কে বা কারা মোবাইলে মডেলিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। আমার মেয়েকে আমি অক্ষত অবস্থায় ফেরত চাই।

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, মাদ্রাসাছাত্রীর নিখোঁজের বিষয় তার মা শুক্রবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। আমরা তার সন্ধানের জন্য চেষ্টা করছি।