ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে সহিংসতা ঠেকাতে সেনাবাহিনী মোতায়েন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানে ইসলামপন্থীদের বিক্ষোভে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানী ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। শনিবার বিকালে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামবাদের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক অবরোধকারী বিক্ষোভকারীদের সরাতে শনিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সহিংসতায় প্রায় দুইশ মানুষ আহত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদের বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে বিক্ষোভ শুরু করে ইসলামপন্থীরা। তার অপসারণের দাবিতে তখন থেকেই তারা ফইজাবাদ হাইওয়ের মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে তাদের সরানোর অভিযান শুরু হলে তাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ইটপাটকেল ছুড়ে জবাব দেয়। এতে আহত হয় অন্তত ২০০ জন।

পরে করাচিসহ আরো কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আইনমন্ত্রীর বাড়ির একাংশে ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা। যদিও সে সময় আইনমন্ত্রী বা তার পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। এরপরই শহর কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী তলব করা হয়। যদিও সেনা দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন বিবৃতি দেয়া হয়নি।

নির্বাচনী শপথের একটি অংশে ইসলামের নবী মোহাম্মদের উল্লেখ বাদ পড়ার পর আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদ অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ শুরু করে ইসলামপন্থীরা। যদিও এ ঘটনা একজন ক্লার্কের ভুলে হয়েছে জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনাও করেছিলেন হামিদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

পাকিস্তানে সহিংসতা ঠেকাতে সেনাবাহিনী মোতায়েন

আপডেট সময় ১২:১১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানে ইসলামপন্থীদের বিক্ষোভে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানী ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। শনিবার বিকালে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামবাদের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক অবরোধকারী বিক্ষোভকারীদের সরাতে শনিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সহিংসতায় প্রায় দুইশ মানুষ আহত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদের বিরুদ্ধে ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে বিক্ষোভ শুরু করে ইসলামপন্থীরা। তার অপসারণের দাবিতে তখন থেকেই তারা ফইজাবাদ হাইওয়ের মোড়ে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে তাদের সরানোর অভিযান শুরু হলে তাদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ইটপাটকেল ছুড়ে জবাব দেয়। এতে আহত হয় অন্তত ২০০ জন।

পরে করাচিসহ আরো কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আইনমন্ত্রীর বাড়ির একাংশে ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা। যদিও সে সময় আইনমন্ত্রী বা তার পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। এরপরই শহর কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী তলব করা হয়। যদিও সেনা দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন বিবৃতি দেয়া হয়নি।

নির্বাচনী শপথের একটি অংশে ইসলামের নবী মোহাম্মদের উল্লেখ বাদ পড়ার পর আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদ অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ শুরু করে ইসলামপন্থীরা। যদিও এ ঘটনা একজন ক্লার্কের ভুলে হয়েছে জানিয়ে ক্ষমা প্রার্থনাও করেছিলেন হামিদ।