ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আবেদন পহেলা বৈশাখ আমাদের আত্মপরিচয়ের এক অনন্য প্রতীক : প্রধানমন্ত্রী গণভোটের রায় মেনে নিন, না হলে করুণ পরিণতি হবে: গোলাম পরওয়ার আগামী শিক্ষাবর্ষে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া জোরদার হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু জ্বালানি তেলের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিএনপি এখন একটা কৃত্রিম বিরোধ বা সংকট তৈরি করছে: নাহিদ ইসলাম

এখনো খোঁঁজ নেই নীলফামারীর তিন চিকিৎসকের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নীলফামারীতে তিন চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে পাচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিনা ছুটিতে লাপাত্তা তিন চিকিৎসক হলেন ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ইমরান হাসান, একই উপজেলার নাউতারা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী এবং ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত আলী শাফায়াত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই তিন চিকিৎসক লাপাত্তা হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিজেদের বেতন-ভাতাও তোলেননি। কর্মস্থলে তাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসার পর তাদের বাড়ির ঠিকানায় তিন দফা চিঠি পাঠায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। কিন্তু কোনো উত্তর মেলেনি।

শুক্রবার সকালে দৈনিক আকাশের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয় নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মণের সঙ্গে। তিনি জানান, কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরেজমিন তদন্ত করা হয়েছে। কিন্তু এই তিন চিকিৎসকের কোনো সন্ধান দিতে পারেনি কেউ।

সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নথি থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী (কোড নম্বর ১২৬০১৬) ২০১২ সালের ২৪ জুন ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নাউতারা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। সেখানে মোট ৪০ দিন কর্মরত ছিলেন তিনি। এরপর ওই বছরের ৪ আগস্ট থেকে অনুপস্থিত।

ডা. ইমরান হাসান (কোড নম্বর ১২৮৮৪৩) ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট। এরপর ২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে বিনা ছুটিতে লাপাত্তা তিনি। নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা শহরের শহীদ আতিয়ার কলোনি মহল্লার ইকবাল হাসানের ছেলে ডা. ইমরান।

অপরজন ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত আলী শাফায়াত ২০১০ সালের ১ জুলাই যোগদানের পরদিন থেকেই অনুপস্থিত রয়েছেন। তার দাপ্তরিক নথিতে এর বেশি কিছু লেখা নেই। এমনকি সেখানে তার চাকরির কোড নম্বর কিংবা বাড়ির ঠিকানাও পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

২২৬টির বেশি আসন নিয়ে আমরাই সরকার গড়বো: মমতা

এখনো খোঁঁজ নেই নীলফামারীর তিন চিকিৎসকের

আপডেট সময় ১২:১৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নীলফামারীতে তিন চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে পাচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিনা ছুটিতে লাপাত্তা তিন চিকিৎসক হলেন ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ইমরান হাসান, একই উপজেলার নাউতারা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী এবং ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত আলী শাফায়াত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই তিন চিকিৎসক লাপাত্তা হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিজেদের বেতন-ভাতাও তোলেননি। কর্মস্থলে তাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি নজরে আসার পর তাদের বাড়ির ঠিকানায় তিন দফা চিঠি পাঠায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর। কিন্তু কোনো উত্তর মেলেনি।

শুক্রবার সকালে দৈনিক আকাশের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয় নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. রণজিৎ কুমার বর্মণের সঙ্গে। তিনি জানান, কর্মস্থলে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরেজমিন তদন্ত করা হয়েছে। কিন্তু এই তিন চিকিৎসকের কোনো সন্ধান দিতে পারেনি কেউ।

সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নথি থেকে জানা গেছে, চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে ডা. মামুনুর রশীদ চৌধুরী (কোড নম্বর ১২৬০১৬) ২০১২ সালের ২৪ জুন ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নাউতারা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন। সেখানে মোট ৪০ দিন কর্মরত ছিলেন তিনি। এরপর ওই বছরের ৪ আগস্ট থেকে অনুপস্থিত।

ডা. ইমরান হাসান (কোড নম্বর ১২৮৮৪৩) ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট। এরপর ২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে বিনা ছুটিতে লাপাত্তা তিনি। নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা শহরের শহীদ আতিয়ার কলোনি মহল্লার ইকবাল হাসানের ছেলে ডা. ইমরান।

অপরজন ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শওকত আলী শাফায়াত ২০১০ সালের ১ জুলাই যোগদানের পরদিন থেকেই অনুপস্থিত রয়েছেন। তার দাপ্তরিক নথিতে এর বেশি কিছু লেখা নেই। এমনকি সেখানে তার চাকরির কোড নম্বর কিংবা বাড়ির ঠিকানাও পাওয়া যায়নি।