ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীর সাফল্য

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে সম্মানজনক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হলেন ১৬ বছরের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লন্ডনের নিউহ্যাম কলেজিয়েট সিক্সথ ফর্ম সেন্টারের শিক্ষার্থী সেলিনা বেগম। ইটন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তার জয়ের খবর গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গুলোতে।

রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে আয়োজিত এই স্কুল বিতর্কে সেরা বিতার্কিকের পুরস্কার জেতেন সেলিনা। যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা বিভিন্ন স্কুলের ২০০ প্রতিযোগীকে হারিয়ে এ পুরস্কার জেতেন সেলিনা। বিতর্কে জাঙ্ক ফুড, গোপনীয়তার অধিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড বিলোপের মতো বিষয়গুলোতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন ১৬ বছরের এ শিক্ষার্থী।

এ মাসের গোড়ার দিকে তিনি এই প্রতিষ্ঠান থেকে তিন সহপাঠীকে নিয়ে বিশ্বখ্যাত ইটন কলেজে আয়োজিত বার্ষিক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ওই প্রতিযোগিতায় তার ক্ষুরধার যুক্তি মুগ্ধ করে বিচারক প্যানেলের সদস্যদের। ধারালো বক্তৃতা এবং বিতর্কে পারদর্শিতার স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা বক্তা হিসেবে ছয়জনকে বেছে নেন কর্তৃপক্ষ। এই ছয়জনের একজন সেলিনা। এছাড়া এককভাবে সেরা বিতার্কিকের পুরস্কারও ছিনিয়ে নেন সেলিনা বেগম।

সেরা বিতার্কিকের সম্মান পাওয়া সেলিনা বলেন, এই বিতর্কের অংশ হতে পারাটাই ছিল সম্মানজনক। তিনি বলেন, এটি ছিল একটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিতর্ক। তবে আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিযোগিতায় অন্যদের চেয়ে আমাদের ভালো করতে হবে। এই উচ্চাভিলাষ নিয়েই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রকৃতপক্ষে এটা ছিল আমাদের আত্মবিশ্বাস। নিজের সাফল্যের জন্য মা-বাবাকে ধন্যবাদ জানান সেলিনা বেগম। কষ্টকর হলেও নিজের স্বপ্নের পথে পা বাড়াতে তারা তাকে উৎসাহিত করেছেন।

সেলিনা বেগম বলেন, মা-বাবার সবসময় আমাকে নিয়ে উচ্চাভিলাষ কাজ করে। ভবিষ্যতে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনা করতে চান সেলিনা বেগম। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি। লন্ডনের মেনর পার্ক এলাকার বাসিন্দা সেলিনার মা বাবা ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীর সাফল্য

আপডেট সময় ০২:১৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে সম্মানজনক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হলেন ১৬ বছরের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লন্ডনের নিউহ্যাম কলেজিয়েট সিক্সথ ফর্ম সেন্টারের শিক্ষার্থী সেলিনা বেগম। ইটন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় তার জয়ের খবর গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গুলোতে।

রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে আয়োজিত এই স্কুল বিতর্কে সেরা বিতার্কিকের পুরস্কার জেতেন সেলিনা। যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা বিভিন্ন স্কুলের ২০০ প্রতিযোগীকে হারিয়ে এ পুরস্কার জেতেন সেলিনা। বিতর্কে জাঙ্ক ফুড, গোপনীয়তার অধিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড বিলোপের মতো বিষয়গুলোতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন ১৬ বছরের এ শিক্ষার্থী।

এ মাসের গোড়ার দিকে তিনি এই প্রতিষ্ঠান থেকে তিন সহপাঠীকে নিয়ে বিশ্বখ্যাত ইটন কলেজে আয়োজিত বার্ষিক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ওই প্রতিযোগিতায় তার ক্ষুরধার যুক্তি মুগ্ধ করে বিচারক প্যানেলের সদস্যদের। ধারালো বক্তৃতা এবং বিতর্কে পারদর্শিতার স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা বক্তা হিসেবে ছয়জনকে বেছে নেন কর্তৃপক্ষ। এই ছয়জনের একজন সেলিনা। এছাড়া এককভাবে সেরা বিতার্কিকের পুরস্কারও ছিনিয়ে নেন সেলিনা বেগম।

সেরা বিতার্কিকের সম্মান পাওয়া সেলিনা বলেন, এই বিতর্কের অংশ হতে পারাটাই ছিল সম্মানজনক। তিনি বলেন, এটি ছিল একটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিতর্ক। তবে আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিযোগিতায় অন্যদের চেয়ে আমাদের ভালো করতে হবে। এই উচ্চাভিলাষ নিয়েই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রকৃতপক্ষে এটা ছিল আমাদের আত্মবিশ্বাস। নিজের সাফল্যের জন্য মা-বাবাকে ধন্যবাদ জানান সেলিনা বেগম। কষ্টকর হলেও নিজের স্বপ্নের পথে পা বাড়াতে তারা তাকে উৎসাহিত করেছেন।

সেলিনা বেগম বলেন, মা-বাবার সবসময় আমাকে নিয়ে উচ্চাভিলাষ কাজ করে। ভবিষ্যতে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনা করতে চান সেলিনা বেগম। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি। লন্ডনের মেনর পার্ক এলাকার বাসিন্দা সেলিনার মা বাবা ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ছেড়ে যুক্তরাজ্যে স্থায়ী হন।