ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার

নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে: ফখরুল

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইসির এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও এমপি-মন্ত্রীদের মতো হয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া, সবাই বিশ্বাস করে- এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সহায়ক সরকারের সমঝোতার আগে নির্বাচন কমিশনের এ রোডম্যাপ ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করতে পারছে না।

রোববার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বিএনপি। রোডম্যাপকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দলটির নেতারা বলছেন, এতে তারা হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মূল বক্তব্য উপস্থাপন করলেও স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য এ নিয়ে কথা বলেন।

সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির ব্যাপক আপত্তি ছিল। তাদের দাবি, এই কমিশন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অগ্রাহ্য করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বদলে তারা ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দেয়ার পরও বিএনপি প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। তবে বর্তমান কমিশনের অধীনে নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট বড় ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি তারা। তবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, দুই কমিশনের মধ্যে কোনো পার্থক্য তাদের চোখে ধরা পড়ছে না। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে: ফখরুল

আপডেট সময় ০৬:২৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইসির এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও এমপি-মন্ত্রীদের মতো হয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া, সবাই বিশ্বাস করে- এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সহায়ক সরকারের সমঝোতার আগে নির্বাচন কমিশনের এ রোডম্যাপ ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করতে পারছে না।

রোববার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বিএনপি। রোডম্যাপকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দলটির নেতারা বলছেন, এতে তারা হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মূল বক্তব্য উপস্থাপন করলেও স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য এ নিয়ে কথা বলেন।

সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির ব্যাপক আপত্তি ছিল। তাদের দাবি, এই কমিশন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অগ্রাহ্য করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বদলে তারা ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দেয়ার পরও বিএনপি প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। তবে বর্তমান কমিশনের অধীনে নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট বড় ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি তারা। তবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, দুই কমিশনের মধ্যে কোনো পার্থক্য তাদের চোখে ধরা পড়ছে না। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।