ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে: ফখরুল

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইসির এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও এমপি-মন্ত্রীদের মতো হয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া, সবাই বিশ্বাস করে- এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সহায়ক সরকারের সমঝোতার আগে নির্বাচন কমিশনের এ রোডম্যাপ ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করতে পারছে না।

রোববার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বিএনপি। রোডম্যাপকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দলটির নেতারা বলছেন, এতে তারা হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মূল বক্তব্য উপস্থাপন করলেও স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য এ নিয়ে কথা বলেন।

সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির ব্যাপক আপত্তি ছিল। তাদের দাবি, এই কমিশন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অগ্রাহ্য করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বদলে তারা ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দেয়ার পরও বিএনপি প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। তবে বর্তমান কমিশনের অধীনে নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট বড় ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি তারা। তবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, দুই কমিশনের মধ্যে কোনো পার্থক্য তাদের চোখে ধরা পড়ছে না। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে: ফখরুল

আপডেট সময় ০৬:২৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইসির এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও এমপি-মন্ত্রীদের মতো হয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া, সবাই বিশ্বাস করে- এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সহায়ক সরকারের সমঝোতার আগে নির্বাচন কমিশনের এ রোডম্যাপ ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করতে পারছে না।

রোববার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বিএনপি। রোডম্যাপকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দলটির নেতারা বলছেন, এতে তারা হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মূল বক্তব্য উপস্থাপন করলেও স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য এ নিয়ে কথা বলেন।

সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির ব্যাপক আপত্তি ছিল। তাদের দাবি, এই কমিশন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অগ্রাহ্য করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বদলে তারা ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দেয়ার পরও বিএনপি প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। তবে বর্তমান কমিশনের অধীনে নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট বড় ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি তারা। তবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, দুই কমিশনের মধ্যে কোনো পার্থক্য তাদের চোখে ধরা পড়ছে না। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।