ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে: ফখরুল

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইসির এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও এমপি-মন্ত্রীদের মতো হয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া, সবাই বিশ্বাস করে- এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সহায়ক সরকারের সমঝোতার আগে নির্বাচন কমিশনের এ রোডম্যাপ ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করতে পারছে না।

রোববার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বিএনপি। রোডম্যাপকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দলটির নেতারা বলছেন, এতে তারা হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মূল বক্তব্য উপস্থাপন করলেও স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য এ নিয়ে কথা বলেন।

সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির ব্যাপক আপত্তি ছিল। তাদের দাবি, এই কমিশন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অগ্রাহ্য করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বদলে তারা ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দেয়ার পরও বিএনপি প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। তবে বর্তমান কমিশনের অধীনে নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট বড় ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি তারা। তবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, দুই কমিশনের মধ্যে কোনো পার্থক্য তাদের চোখে ধরা পড়ছে না। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে: ফখরুল

আপডেট সময় ০৬:২৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, ইসির এমন বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী ও এমপি-মন্ত্রীদের মতো হয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নির্বাচন কমিশন নীল নকশা করছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এছাড়া, সবাই বিশ্বাস করে- এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সহায়ক সরকারের সমঝোতার আগে নির্বাচন কমিশনের এ রোডম্যাপ ষড়যন্ত্রের অংশ। নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করতে পারছে না।

রোববার নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনের রোডম্যাপের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেয় বিএনপি। রোডম্যাপকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে দলটির নেতারা বলছেন, এতে তারা হতাশ ও ক্ষুদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল মূল বক্তব্য উপস্থাপন করলেও স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য এ নিয়ে কথা বলেন।

সদ্য বিদায়ী নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপির ব্যাপক আপত্তি ছিল। তাদের দাবি, এই কমিশন বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অগ্রাহ্য করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বদলে তারা ক্ষমতাসীনদের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব দেয়ার পরও বিএনপি প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। তবে বর্তমান কমিশনের অধীনে নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট বড় ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি তারা। তবে আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, দুই কমিশনের মধ্যে কোনো পার্থক্য তাদের চোখে ধরা পড়ছে না। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।