ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

যশোর আদালতে ৩ দারোগাসহ ৫ পুলিশের নামে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে গভীর রাতে তল্লাশির নামে পুলিশ পরিচয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নেয়ার অভিযোগে পুলিশের তিন দারেগাসহ ৫ পুলিশ ও এক সোর্সের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার (৮ নভেম্বর) উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের স্ত্রী আয়েশা বেগম যশোর বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন এসআই মুজাহিদুল ইসলাম, এএসআই আশরাফুল ইসলাম, এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, কনস্টেবল সালাউদ্দীন, ড্রাইভার মোহাম্মদ মজনু ও পুলিশের কথিত সোর্স উপজেলার বাগদা গ্রামের মৃত করিম মোড়লের ছেলে ফজলুর রহমান।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কেশবপুর উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের ৩ ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম ভাড়াই চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এছাড়া জাহিদুল ইসলাম পুরানো মোটর সাইকেল বেচাকেনার ব্যবসায় জড়িত। পুলিশের কথিত সোর্স ফজলুর রহমান প্রায় সময় জাহিদুল ইসলামের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করত। এ টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ৬ নভেম্বর রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় ওই সোর্সের কথামত তার সাথে পুলিশের পোষাক পরিহিত থানার এসআই মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ পুলিশ মামলার বাদী আয়েশা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন।

এ সময় ওই পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র ও মাদক তল্লাশীর নামে ঘরের ভেতর ঢুকতে গেলে আয়েশা বেগম বাধা দিলে তার চুল ধরে মাটিতে ফেলে লাথি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাদী তিন ছেলের মাথায় এএসআই আশরাফুল, এএসআই জাহাঙ্গীর ও কনস্টেবল সালাউদ্দীন পিস্তল ঠেকিয়ে তাদের জিম্মি করে মোটরসাইকেল বিক্রি করা নগদ দুই লাখ ১০ হাজার টাকাসহ তিন লাখ টাকা মূল্যের ছয় ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদেরকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ সদস্যরা চলে আসে। সকালে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। এরপর আয়েশা বেগম আদালতে মামলা করেন।

কেশবপুর থানার ওসি এসএম আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটকের জন্য পুলিশ তার বাড়িতে গিয়েছিল। সে অসুস্থ থাকার কারণে আটক করা হয়নি। কিন্তু জাহাঙ্গীরের মা আয়েশা বেগম পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

যশোর আদালতে ৩ দারোগাসহ ৫ পুলিশের নামে মামলা

আপডেট সময় ১২:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যশোরের কেশবপুরে গভীর রাতে তল্লাশির নামে পুলিশ পরিচয়ে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নেয়ার অভিযোগে পুলিশের তিন দারেগাসহ ৫ পুলিশ ও এক সোর্সের নামে আদালতে মামলা হয়েছে। বুধবার (৮ নভেম্বর) উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের স্ত্রী আয়েশা বেগম যশোর বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন এসআই মুজাহিদুল ইসলাম, এএসআই আশরাফুল ইসলাম, এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন, কনস্টেবল সালাউদ্দীন, ড্রাইভার মোহাম্মদ মজনু ও পুলিশের কথিত সোর্স উপজেলার বাগদা গ্রামের মৃত করিম মোড়লের ছেলে ফজলুর রহমান।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, কেশবপুর উপজেলার আটন্ডা গ্রামের বজলুর রহমান মোড়লের ৩ ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম ভাড়াই চালিত মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এছাড়া জাহিদুল ইসলাম পুরানো মোটর সাইকেল বেচাকেনার ব্যবসায় জড়িত। পুলিশের কথিত সোর্স ফজলুর রহমান প্রায় সময় জাহিদুল ইসলামের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করত। এ টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ৬ নভেম্বর রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় ওই সোর্সের কথামত তার সাথে পুলিশের পোষাক পরিহিত থানার এসআই মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ পুলিশ মামলার বাদী আয়েশা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলেন।

এ সময় ওই পুলিশ সদস্যরা অবৈধ অস্ত্র ও মাদক তল্লাশীর নামে ঘরের ভেতর ঢুকতে গেলে আয়েশা বেগম বাধা দিলে তার চুল ধরে মাটিতে ফেলে লাথি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাদী তিন ছেলের মাথায় এএসআই আশরাফুল, এএসআই জাহাঙ্গীর ও কনস্টেবল সালাউদ্দীন পিস্তল ঠেকিয়ে তাদের জিম্মি করে মোটরসাইকেল বিক্রি করা নগদ দুই লাখ ১০ হাজার টাকাসহ তিন লাখ টাকা মূল্যের ছয় ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদেরকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার হুমকি দিয়ে ওই পুলিশ সদস্যরা চলে আসে। সকালে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে রাজি হয়নি। এরপর আয়েশা বেগম আদালতে মামলা করেন।

কেশবপুর থানার ওসি এসএম আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটকের জন্য পুলিশ তার বাড়িতে গিয়েছিল। সে অসুস্থ থাকার কারণে আটক করা হয়নি। কিন্তু জাহাঙ্গীরের মা আয়েশা বেগম পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।