ঢাকা ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘বাবা হাসপাতালে ভর্তি’ বলে শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘তোমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। তোমাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে আমাকে পাঠানো হয়েছে’ এমন কথা বলে স্কুল থেকে ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে একটি চক্র। তবে অপহরণের দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার মামাতো ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)। ফয়সাল সম্পর্কে শিশুটির বাবার মামাতো ভাই। অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০ জুলাই স্কুল ছুটির পর ওয়াসিফা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। ওই কথায় বিশ্বাস করে শিশুটি সিএনজিতে ওঠে। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার ফয়সাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের টাকা ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দূষিত শহরের তালিকায় আজ পঞ্চম অবস্থানে ঢাকা

‘বাবা হাসপাতালে ভর্তি’ বলে শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ০৮:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘তোমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। তোমাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে আমাকে পাঠানো হয়েছে’ এমন কথা বলে স্কুল থেকে ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে একটি চক্র। তবে অপহরণের দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার মামাতো ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)। ফয়সাল সম্পর্কে শিশুটির বাবার মামাতো ভাই। অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০ জুলাই স্কুল ছুটির পর ওয়াসিফা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। ওই কথায় বিশ্বাস করে শিশুটি সিএনজিতে ওঠে। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার ফয়সাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের টাকা ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।