ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন আমরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি: হাসনাত আবদুল্লাহ চাঁদপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হরমুজে প্রতিটি হামলার জন্য একটি করে ইরানি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে: ট্রাম্প ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা গত ১৭ বছর দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার ছিল না: খায়রুল কবির খোকন পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

‘বাবা হাসপাতালে ভর্তি’ বলে শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘তোমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। তোমাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে আমাকে পাঠানো হয়েছে’ এমন কথা বলে স্কুল থেকে ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে একটি চক্র। তবে অপহরণের দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার মামাতো ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)। ফয়সাল সম্পর্কে শিশুটির বাবার মামাতো ভাই। অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০ জুলাই স্কুল ছুটির পর ওয়াসিফা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। ওই কথায় বিশ্বাস করে শিশুটি সিএনজিতে ওঠে। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার ফয়সাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের টাকা ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে: মাহ্দী আমিন

‘বাবা হাসপাতালে ভর্তি’ বলে শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ০৮:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

‘তোমার বাবা হাসপাতালে ভর্তি। তোমাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে আমাকে পাঠানো হয়েছে’ এমন কথা বলে স্কুল থেকে ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অপহরণ করে একটি চক্র। তবে অপহরণের দুই দিনের মাথায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবার মামাতো ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার জেলা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া শিশু ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (রহ.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)। ফয়সাল সম্পর্কে শিশুটির বাবার মামাতো ভাই। অপহরণে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০ জুলাই স্কুল ছুটির পর ওয়াসিফা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে সিএনজি চালক পরিচয় দিয়ে শিশুটিকে বলেন, তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যেতে এসেছেন। ওই কথায় বিশ্বাস করে শিশুটি সিএনজিতে ওঠে। এরপর তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তার ফয়সাল পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে তিনি পরিচিত দুই সিএনজি চালককে যুক্ত করেন এবং মুক্তিপণের টাকা ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, বিভিন্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।