ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

এখন রাশিয়ার হাতে আছে শয়তান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গতকাল রাতে রাশিয়া তাদের নতুন নিউক্লিয়ার মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের নতুন এই মিসাইলের নাম ‘সাটান টু’ বা ‘শয়তান দুই’। এই রকেটটি ‘আরএস-২৮ সার্মাত’ নামেও পরিচিত। কুরা টেস্ট রেঞ্জের প্লেস্টেক কস্মোদ্রোম থেকে এটাকে ছোড়া হয়। টার্গেটে আঘাত হানার আগে মিসাইলটি ৩ হাজার ৬০০ মাইল পাড়ি দিয়েছে।

ব্যালেস্টিক মিসাইল টেস্টেও সফলতা দেখিয়েছে আরো তিনটি সাবমেরিন। এগুলো নিউক্লিয়ার বোমা বহনে সক্ষম। এই তিন সাবমেরিন স্থলের টার্গেটে সফলভাবে ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, দুটো সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোড়া হয় ওকহোটস্ক সাগরে। জাপানের উত্তরে এবং উত্তর কোরিয়ার কাছাকাছি একটি স্থানে। তৃতীয় মিসাইলটি ছোড়া হয় বারেন্টস সাগর থেকে আর্কটি সাগরে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী মূলত নিউক্লিয়ার শক্তির কৌশলগত বিদ্যা চর্চার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালিয়েছে। রাশিয়ার কয়েকটি বিমানঘাঁটি থেকে স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার্স টিইউ-১৬০এমসি, টিইউ-৯৫এমসি এবং টিইউ-২২এম৩ সহ ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায়। রকেটগুলো মূলত কামচাটকা, পূর্ব রাশিয়া এবং কোমি রিপাবলিক, উত্তরাংশ এবং কাজাখস্তানের রাশিয়ার ঘাঁটির স্থল অংশের টার্গেটে হামলা চালায়। প্রতিটা বোমার পরীক্ষায় সফলতা এসেছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

এ বছর রাশিয়া সাটান টু-কে নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নিউক্লিয়ার বোমাবাহী ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাল। মিলিটারি জানায়, সার্মাত নেক্সট জেনারেশন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে সক্ষম।

সেই ২০০৯ সাল থেকে এই অস্ত্রটি নিয়ে কাজ করছে রাশিয়া। এ বছরের শেষ নাগাদ আরো কিছু পরীক্ষা চালানো হবে। ২০১৯-২০২০ সালের মধ্যে অস্ত্রটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।

এই বোমাটির ওয়ারহেড ৪০ মেগাটন বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। কাজেই বোমাটি ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিকে ফেলা বোমের চেয়ে ২ হাজার গুন বেশি শক্তিশালী। সেপ্টেম্বরেই আরো দুটো নেক্সট জেনারেশন নিউক্লিয়ার মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন রাশিয়ার হাতে আছে শয়তান

আপডেট সময় ০২:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গতকাল রাতে রাশিয়া তাদের নতুন নিউক্লিয়ার মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের নতুন এই মিসাইলের নাম ‘সাটান টু’ বা ‘শয়তান দুই’। এই রকেটটি ‘আরএস-২৮ সার্মাত’ নামেও পরিচিত। কুরা টেস্ট রেঞ্জের প্লেস্টেক কস্মোদ্রোম থেকে এটাকে ছোড়া হয়। টার্গেটে আঘাত হানার আগে মিসাইলটি ৩ হাজার ৬০০ মাইল পাড়ি দিয়েছে।

ব্যালেস্টিক মিসাইল টেস্টেও সফলতা দেখিয়েছে আরো তিনটি সাবমেরিন। এগুলো নিউক্লিয়ার বোমা বহনে সক্ষম। এই তিন সাবমেরিন স্থলের টার্গেটে সফলভাবে ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, দুটো সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোড়া হয় ওকহোটস্ক সাগরে। জাপানের উত্তরে এবং উত্তর কোরিয়ার কাছাকাছি একটি স্থানে। তৃতীয় মিসাইলটি ছোড়া হয় বারেন্টস সাগর থেকে আর্কটি সাগরে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী মূলত নিউক্লিয়ার শক্তির কৌশলগত বিদ্যা চর্চার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালিয়েছে। রাশিয়ার কয়েকটি বিমানঘাঁটি থেকে স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার্স টিইউ-১৬০এমসি, টিইউ-৯৫এমসি এবং টিইউ-২২এম৩ সহ ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায়। রকেটগুলো মূলত কামচাটকা, পূর্ব রাশিয়া এবং কোমি রিপাবলিক, উত্তরাংশ এবং কাজাখস্তানের রাশিয়ার ঘাঁটির স্থল অংশের টার্গেটে হামলা চালায়। প্রতিটা বোমার পরীক্ষায় সফলতা এসেছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

এ বছর রাশিয়া সাটান টু-কে নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নিউক্লিয়ার বোমাবাহী ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাল। মিলিটারি জানায়, সার্মাত নেক্সট জেনারেশন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে সক্ষম।

সেই ২০০৯ সাল থেকে এই অস্ত্রটি নিয়ে কাজ করছে রাশিয়া। এ বছরের শেষ নাগাদ আরো কিছু পরীক্ষা চালানো হবে। ২০১৯-২০২০ সালের মধ্যে অস্ত্রটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।

এই বোমাটির ওয়ারহেড ৪০ মেগাটন বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। কাজেই বোমাটি ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিকে ফেলা বোমের চেয়ে ২ হাজার গুন বেশি শক্তিশালী। সেপ্টেম্বরেই আরো দুটো নেক্সট জেনারেশন নিউক্লিয়ার মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি।