ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

এখন রাশিয়ার হাতে আছে শয়তান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গতকাল রাতে রাশিয়া তাদের নতুন নিউক্লিয়ার মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের নতুন এই মিসাইলের নাম ‘সাটান টু’ বা ‘শয়তান দুই’। এই রকেটটি ‘আরএস-২৮ সার্মাত’ নামেও পরিচিত। কুরা টেস্ট রেঞ্জের প্লেস্টেক কস্মোদ্রোম থেকে এটাকে ছোড়া হয়। টার্গেটে আঘাত হানার আগে মিসাইলটি ৩ হাজার ৬০০ মাইল পাড়ি দিয়েছে।

ব্যালেস্টিক মিসাইল টেস্টেও সফলতা দেখিয়েছে আরো তিনটি সাবমেরিন। এগুলো নিউক্লিয়ার বোমা বহনে সক্ষম। এই তিন সাবমেরিন স্থলের টার্গেটে সফলভাবে ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, দুটো সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোড়া হয় ওকহোটস্ক সাগরে। জাপানের উত্তরে এবং উত্তর কোরিয়ার কাছাকাছি একটি স্থানে। তৃতীয় মিসাইলটি ছোড়া হয় বারেন্টস সাগর থেকে আর্কটি সাগরে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী মূলত নিউক্লিয়ার শক্তির কৌশলগত বিদ্যা চর্চার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালিয়েছে। রাশিয়ার কয়েকটি বিমানঘাঁটি থেকে স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার্স টিইউ-১৬০এমসি, টিইউ-৯৫এমসি এবং টিইউ-২২এম৩ সহ ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায়। রকেটগুলো মূলত কামচাটকা, পূর্ব রাশিয়া এবং কোমি রিপাবলিক, উত্তরাংশ এবং কাজাখস্তানের রাশিয়ার ঘাঁটির স্থল অংশের টার্গেটে হামলা চালায়। প্রতিটা বোমার পরীক্ষায় সফলতা এসেছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

এ বছর রাশিয়া সাটান টু-কে নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নিউক্লিয়ার বোমাবাহী ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাল। মিলিটারি জানায়, সার্মাত নেক্সট জেনারেশন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে সক্ষম।

সেই ২০০৯ সাল থেকে এই অস্ত্রটি নিয়ে কাজ করছে রাশিয়া। এ বছরের শেষ নাগাদ আরো কিছু পরীক্ষা চালানো হবে। ২০১৯-২০২০ সালের মধ্যে অস্ত্রটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।

এই বোমাটির ওয়ারহেড ৪০ মেগাটন বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। কাজেই বোমাটি ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিকে ফেলা বোমের চেয়ে ২ হাজার গুন বেশি শক্তিশালী। সেপ্টেম্বরেই আরো দুটো নেক্সট জেনারেশন নিউক্লিয়ার মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

এখন রাশিয়ার হাতে আছে শয়তান

আপডেট সময় ০২:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

গতকাল রাতে রাশিয়া তাদের নতুন নিউক্লিয়ার মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের নতুন এই মিসাইলের নাম ‘সাটান টু’ বা ‘শয়তান দুই’। এই রকেটটি ‘আরএস-২৮ সার্মাত’ নামেও পরিচিত। কুরা টেস্ট রেঞ্জের প্লেস্টেক কস্মোদ্রোম থেকে এটাকে ছোড়া হয়। টার্গেটে আঘাত হানার আগে মিসাইলটি ৩ হাজার ৬০০ মাইল পাড়ি দিয়েছে।

ব্যালেস্টিক মিসাইল টেস্টেও সফলতা দেখিয়েছে আরো তিনটি সাবমেরিন। এগুলো নিউক্লিয়ার বোমা বহনে সক্ষম। এই তিন সাবমেরিন স্থলের টার্গেটে সফলভাবে ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী জানায়, দুটো সাবমেরিন থেকে মিসাইল ছোড়া হয় ওকহোটস্ক সাগরে। জাপানের উত্তরে এবং উত্তর কোরিয়ার কাছাকাছি একটি স্থানে। তৃতীয় মিসাইলটি ছোড়া হয় বারেন্টস সাগর থেকে আর্কটি সাগরে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী মূলত নিউক্লিয়ার শক্তির কৌশলগত বিদ্যা চর্চার অংশ হিসেবে এই পরীক্ষা চালিয়েছে। রাশিয়ার কয়েকটি বিমানঘাঁটি থেকে স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার্স টিইউ-১৬০এমসি, টিইউ-৯৫এমসি এবং টিইউ-২২এম৩ সহ ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায়। রকেটগুলো মূলত কামচাটকা, পূর্ব রাশিয়া এবং কোমি রিপাবলিক, উত্তরাংশ এবং কাজাখস্তানের রাশিয়ার ঘাঁটির স্থল অংশের টার্গেটে হামলা চালায়। প্রতিটা বোমার পরীক্ষায় সফলতা এসেছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

এ বছর রাশিয়া সাটান টু-কে নিয়ে তৃতীয়বারের মতো নিউক্লিয়ার বোমাবাহী ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালাল। মিলিটারি জানায়, সার্মাত নেক্সট জেনারেশন ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক মিসাইল বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে সক্ষম।

সেই ২০০৯ সাল থেকে এই অস্ত্রটি নিয়ে কাজ করছে রাশিয়া। এ বছরের শেষ নাগাদ আরো কিছু পরীক্ষা চালানো হবে। ২০১৯-২০২০ সালের মধ্যে অস্ত্রটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।

এই বোমাটির ওয়ারহেড ৪০ মেগাটন বিস্ফোরক বহনে সক্ষম। কাজেই বোমাটি ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকিকে ফেলা বোমের চেয়ে ২ হাজার গুন বেশি শক্তিশালী। সেপ্টেম্বরেই আরো দুটো নেক্সট জেনারেশন নিউক্লিয়ার মিসাইলের পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি।