ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

দ্য গার্ডিয়ান: সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পরোক্ষ আলোচনার তৃতীয় দিন পার হয়েছে দোহায়।

এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের জব্দ করা ৬০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ ছাড়ের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করা এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে সংলাপে বসার পথ তৈরি করা। ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলো চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যে কোনো সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এই সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানো ইরান কিংবা তার কোনো প্রতিবেশী দেশের স্বার্থে নয়। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তারা সর্বদাই যে কোনো খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। গারগাশের মতে, ইরান তাদের প্রতিবেশী হওয়ায় তাদের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কোনো অস্থিরতা তারা কাম্য নয়। এ বিষয়ে কাতারের প্রধানমন্ত্রী চার দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও যেমন দেখিয়েছি, এবারও সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’। ৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘস্থায়ী সংকটে ইরান জড়িয়ে পড়ুক, তা তারা চান না। দ্য গার্ডিয়ান-এর কূটনৈতিক সম্পাদক প্যাট্রিক উইনটুরের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই শুক্রবার পাকিস্তানগামী কাতারের একটি এলএনজিবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই তেহরান জাহাজটিকে নিরাপদ চলাচলের ছাড়পত্র দিয়েছিল। এই ঘটনার পরও কাতার তাদের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। দেশটির লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পরমাণু আলোচনা শুরুর প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করা। ইরান ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিনে আনতে সম্মতি দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির কাছে পাকিস্তানগামী কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী (এলএনজি) জাহাজে শুক্রবার অজ্ঞাতপরিচয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও কাতারের মধ্যস্থতা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনার কিছু অংশে অবৈধ বোমা হামলার মুখে পড়তে হয়েছে।’।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তার দেশ প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি উভয় পথের জন্যই প্রস্তুত রয়েছে। তিনি ওয়াশিংটনকে সামরিক কৌশলের চেয়ে কূটনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। দোহার এই আলোচনায় সরাসরি আরাগচি অংশ না নিলেও ইরানের প্রতিনিধি দল সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আরাগচি বর্তমানে তুর্কমেনিস্তান সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে তার জন্যও প্রস্তুতি রয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি বড় অংশ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো কিছু লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়ে গেছে বলে তিনি জানান। ইরানও যেকোনো হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও তিনি ইরানকে নির্ভরযোগ্য মনে করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন। তবে এখনো এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবস্থা নেওয়া বাকি রয়েছে। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি বলেন, ‘আজ ট্রাম্প যেখানেই যান, তাঁকে জবাব দিতে হয়—কেন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে ওয়াশিংটন কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী। ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি জানান, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে আলোচনার বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের সুরে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন বলেও দাবি করেন রেজায়ি, যদিও চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর এখনো দেননি।

তেহরানের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের বাধা অপসারণ এবং জাহাজ চলাচলের অবরোধ তুললে মাত্র দুই দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। তবে ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ স্পষ্ট করেছেন, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, শত্রুদের এটি বুঝতে হবে যে ইরানি জনগণ চাপের মুখে কখনোই পরমাণু ইস্যুতে আলোচনায় বসবে না।

রেজায়ি আরও দাবি করেন, ট্রাম্প বর্তমানে এমন এক যুদ্ধের চাপে রয়েছেন যার আন্তর্জাতিক প্রভাব ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও বিস্তৃত। তাঁর ভাষ্যমতে, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং যেখানেই যাচ্ছেন ট্রাম্পকে এই যুদ্ধের দায়ভার নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শায়েস্তাগঞ্জে ১৮ দিনের সেলাই প্রশিক্ষণে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ৩০ বেকার

দ্য গার্ডিয়ান: সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে উপসাগরীয় দেশগুলো

আপডেট সময় ১২:০৪:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পরোক্ষ আলোচনার তৃতীয় দিন পার হয়েছে দোহায়।

এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের জব্দ করা ৬০০ কোটি ডলারের বেশি সম্পদ ছাড়ের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করা এবং দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে সংলাপে বসার পথ তৈরি করা। ওয়াশিংটনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকা প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলো চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যে কোনো সংঘাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ এই সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানো ইরান কিংবা তার কোনো প্রতিবেশী দেশের স্বার্থে নয়। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তারা সর্বদাই যে কোনো খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। গারগাশের মতে, ইরান তাদের প্রতিবেশী হওয়ায় তাদের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কোনো অস্থিরতা তারা কাম্য নয়। এ বিষয়ে কাতারের প্রধানমন্ত্রী চার দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও যেমন দেখিয়েছি, এবারও সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছি।’। ৪ দেশের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বললেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘস্থায়ী সংকটে ইরান জড়িয়ে পড়ুক, তা তারা চান না। দ্য গার্ডিয়ান-এর কূটনৈতিক সম্পাদক প্যাট্রিক উইনটুরের প্রতিবেদন অবলম্বনে।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই শুক্রবার পাকিস্তানগামী কাতারের একটি এলএনজিবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই তেহরান জাহাজটিকে নিরাপদ চলাচলের ছাড়পত্র দিয়েছিল। এই ঘটনার পরও কাতার তাদের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। দেশটির লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পরমাণু আলোচনা শুরুর প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করা। ইরান ইতিমধ্যে এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা সাত দিন থেকে কমিয়ে দুই দিনে আনতে সম্মতি দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালির কাছে পাকিস্তানগামী কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী (এলএনজি) জাহাজে শুক্রবার অজ্ঞাতপরিচয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলেও কাতারের মধ্যস্থতা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনার কিছু অংশে অবৈধ বোমা হামলার মুখে পড়তে হয়েছে।’।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তার দেশ প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি উভয় পথের জন্যই প্রস্তুত রয়েছে। তিনি ওয়াশিংটনকে সামরিক কৌশলের চেয়ে কূটনীতিকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। দোহার এই আলোচনায় সরাসরি আরাগচি অংশ না নিলেও ইরানের প্রতিনিধি দল সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আরাগচি বর্তমানে তুর্কমেনিস্তান সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে তার জন্যও প্রস্তুতি রয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি বড় অংশ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনো কিছু লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়ে গেছে বলে তিনি জানান। ইরানও যেকোনো হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও তিনি ইরানকে নির্ভরযোগ্য মনে করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন। তবে এখনো এক বা দুটি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবস্থা নেওয়া বাকি রয়েছে। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি বলেন, ‘আজ ট্রাম্প যেখানেই যান, তাঁকে জবাব দিতে হয়—কেন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন যে ওয়াশিংটন কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী। ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি জানান, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের কাছ থেকে আলোচনার বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের সুরে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন বলেও দাবি করেন রেজায়ি, যদিও চিঠির কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর এখনো দেননি।

তেহরানের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ছাড়ের বাধা অপসারণ এবং জাহাজ চলাচলের অবরোধ তুললে মাত্র দুই দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। তবে ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ স্পষ্ট করেছেন, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কোনো সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, শত্রুদের এটি বুঝতে হবে যে ইরানি জনগণ চাপের মুখে কখনোই পরমাণু ইস্যুতে আলোচনায় বসবে না।

রেজায়ি আরও দাবি করেন, ট্রাম্প বর্তমানে এমন এক যুদ্ধের চাপে রয়েছেন যার আন্তর্জাতিক প্রভাব ভিয়েতনাম যুদ্ধের চেয়েও বিস্তৃত। তাঁর ভাষ্যমতে, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং যেখানেই যাচ্ছেন ট্রাম্পকে এই যুদ্ধের দায়ভার নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।