ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় ২২ দিনের ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধির সার্বিক লক্ষ্য সামনে রেখে ভোলার দীর্ঘ মেঘনা এবং তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনের মাছ শিকারে টানা ২২ দিনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই সময়সীমায় নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকার পুরোটাজুড়ে সব ধরনের জাল ফেলা এবং জলযান নিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে মাছের অবাধ ডিম ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে মৎস্য বিভাগ নদী তীরবর্তী জনপদ ও জেলে পল্লিগুলোতে সচেতনতামূলক প্রচারণাও জোরদার করেছে। আগামীকাল ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ শিকার বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে ভোলার জেলে পল্লিগুলোতে মৎস্য বিভাগ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে।

জেলেদের জীবনসংগ্রাম ও দাবি

মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ থাকার এই দীর্ঘ সময়ে কোনো বিকল্প আয়ের সুযোগ না থাকায় চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন স্থানীয় জেলেরা। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে তাদের পরিবার নিয়ে মানবেতর দিন কাটাতে হয়। এই সংকটকালীন সময়ে বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোর কিস্তি আদায় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্থগিত রাখা এবং প্রকৃত জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষেরা। তাদের অভিযোগ, কঠোর এই নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু চক্র প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গোপনে নদীতে জাল নামায়, যার ফলে সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

সরকারি চাল বরাদ্দ ও বিতরণ প্রস্তুতি

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময় নদীতে নামতে না পারা অসহায় জেলে পরিবারগুলোর জীবিকা নির্বাহের কথা বিবেচনা করে ভোলার সাতটি উপজেলার জন্য ৩ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন বিশেষ ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়নাধীন এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জেলার মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৬টি নিবন্ধিত পরিবারকে এই চাল দেওয়া হবে। নির্ধারিত ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে প্রতিটি পরিবার পাবে ২৫ কেজি করে চাল। জেলার মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হুসাইন গণমাধ্যমকে জানান যে, নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে এই সরকারি সহায়তা বিতরণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সিরাজগঞ্জে পুকুরে মিলল নিখোঁজ এক কৃষকের মৃত অবস্থায় পাওয়া

ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়ায় ২২ দিনের ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০৯:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধির সার্বিক লক্ষ্য সামনে রেখে ভোলার দীর্ঘ মেঘনা এবং তেঁতুলিয়া নদীতে সব ধরনের মাছ শিকারে টানা ২২ দিনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই সময়সীমায় নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকার পুরোটাজুড়ে সব ধরনের জাল ফেলা এবং জলযান নিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে মাছের অবাধ ডিম ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে মৎস্য বিভাগ নদী তীরবর্তী জনপদ ও জেলে পল্লিগুলোতে সচেতনতামূলক প্রচারণাও জোরদার করেছে। আগামীকাল ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের জাল ফেলা ও মাছ শিকার বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে ভোলার জেলে পল্লিগুলোতে মৎস্য বিভাগ ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে।

জেলেদের জীবনসংগ্রাম ও দাবি

মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ থাকার এই দীর্ঘ সময়ে কোনো বিকল্প আয়ের সুযোগ না থাকায় চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন স্থানীয় জেলেরা। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে তাদের পরিবার নিয়ে মানবেতর দিন কাটাতে হয়। এই সংকটকালীন সময়ে বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোর কিস্তি আদায় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্থগিত রাখা এবং প্রকৃত জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষেরা। তাদের অভিযোগ, কঠোর এই নিষেধাজ্ঞার সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু চক্র প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গোপনে নদীতে জাল নামায়, যার ফলে সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

সরকারি চাল বরাদ্দ ও বিতরণ প্রস্তুতি

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময় নদীতে নামতে না পারা অসহায় জেলে পরিবারগুলোর জীবিকা নির্বাহের কথা বিবেচনা করে ভোলার সাতটি উপজেলার জন্য ৩ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন বিশেষ ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী বাস্তবায়নাধীন এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জেলার মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৬টি নিবন্ধিত পরিবারকে এই চাল দেওয়া হবে। নির্ধারিত ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার বিপরীতে প্রতিটি পরিবার পাবে ২৫ কেজি করে চাল। জেলার মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হুসাইন গণমাধ্যমকে জানান যে, নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে এই সরকারি সহায়তা বিতরণ করা হবে।