ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের আহ্বান কাতারের প্রধানমন্ত্রীর

ইরানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং একটি যৌথ আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের ফাঁকে অনুষ্ঠিত কাতার ইকোনমিক ফোরামে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রচলিত সব ধারণাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে, যার প্রভাব পুরো অঞ্চলের জন্যই উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে এর প্রভাব শুধু এ অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি বলেন, ‘ইরান আমাদের প্রতিবেশী। উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি নিরাপত্তা কাঠামো ছাড়া এই অঞ্চল আগের মতো চলতে পারবে না। এমন এক ব্যবস্থা প্রয়োজন যেখানে কোনো দেশই অন্যের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না।’ তার মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধ এই অঞ্চলের জন্য একটি বড় ‘সতর্কবার্তা’ এবং এখনই সময় সম্মিলিতভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার।

তিনি আরও জানান, কাতার ও তার আঞ্চলিক অংশীদারেরা এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে এবং আশা করছে যে আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে সংঘাত এড়ানো সম্ভব। কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি অঞ্চল হিসেবে আমাদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যেন ইরানের সঙ্গে আমাদের, এবং ইরানেরও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকে।’ এ ধরনের প্রচেষ্টা আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আমাদের আঞ্চলিক অংশীদাররাও এতে বিশ্বাস করে।

উত্তেজনা প্রশমন ও কূটনৈতিক সমঝোতার পথ সুগম করতে কাতার তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে আল-থানি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং সংলাপে চ্যানেলগুলো খোলা রাখাই এখন মূল লক্ষ্য। সংঘাতের এই সতর্কবার্তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে কাতার তার কাজ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। আল-থানি বলেন, ‘আমরা এ লক্ষ্যেই কাজ করছি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহরুখের নায়িকা গায়ত্রী এখন ধনকুবেরের স্ত্রী, কেমন কাটছে জীবন?

আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গঠনের আহ্বান কাতারের প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৮:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং একটি যৌথ আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহের ফাঁকে অনুষ্ঠিত কাতার ইকোনমিক ফোরামে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রচলিত সব ধারণাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে, যার প্রভাব পুরো অঞ্চলের জন্যই উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে এর প্রভাব শুধু এ অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি বলেন, ‘ইরান আমাদের প্রতিবেশী। উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি নিরাপত্তা কাঠামো ছাড়া এই অঞ্চল আগের মতো চলতে পারবে না। এমন এক ব্যবস্থা প্রয়োজন যেখানে কোনো দেশই অন্যের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না।’ তার মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধ এই অঞ্চলের জন্য একটি বড় ‘সতর্কবার্তা’ এবং এখনই সময় সম্মিলিতভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার।

তিনি আরও জানান, কাতার ও তার আঞ্চলিক অংশীদারেরা এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে এবং আশা করছে যে আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে সংঘাত এড়ানো সম্ভব। কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি অঞ্চল হিসেবে আমাদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যেন ইরানের সঙ্গে আমাদের, এবং ইরানেরও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকে।’ এ ধরনের প্রচেষ্টা আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। আমাদের আঞ্চলিক অংশীদাররাও এতে বিশ্বাস করে।

উত্তেজনা প্রশমন ও কূটনৈতিক সমঝোতার পথ সুগম করতে কাতার তার মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে আল-থানি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং সংলাপে চ্যানেলগুলো খোলা রাখাই এখন মূল লক্ষ্য। সংঘাতের এই সতর্কবার্তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে কাতার তার কাজ চালিয়ে যাবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। আল-থানি বলেন, ‘আমরা এ লক্ষ্যেই কাজ করছি।