ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

“স্বামীকে যৌনতায় বাঁধা দিলে স্ত্রীর ‘পাপ’ হয়”!

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

“কোনও বৈধ কারণ ছাড়া যদি কোনও মহিলা তাঁর স্বামীকে যৌন সঙ্গমে বাঁধা দেয় তাহলে সে পাপের ভাগী হবে”, এমনই নিদান কানাডার ইমাম মুসলেহ খানের। একমাত্র পবিত্র রমজানের সময় উপবাস করা কালীন কোনও মহিলা তাঁর স্বামীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমে অসম্মত হলে তা পাপ হিসেবে ধরা হবে না। নারী যদি তাঁর স্বামীর সঙ্গে যৌন হতে আস্বীকার করে তাহলে তাঁকে বৈধ কারণও দেখাতে হবে, কানাডার ইমাম মুসলেহ খানের এই বক্তব্যের পরই শুরু হয় বিতর্ক। কানাডা তো বটেই গোটা বিশ্বেই প্রশ্ন তৈরি হয় ইসলাম রক্ষণশীলতা নিয়ে।

ওই ইমামের আরও দাবি, “স্বামীর সঙ্গে যৌন হয়ে নারী আসলে আল্লাহ্‌কেই পুজো করে। পতিব্রতা স্ত্রী হিসেবে একজন নারীর উচিত স্বামীকে সম্মতি প্রদান করা”। এমনকি ঘর থেকে কোথাও গেলে স্বামীর নির্দেশ মেনেই নারীর তা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন ইমাম মুসলেহ খান।

তবে এমন বক্তব্যকে কখনই সায় দেয় না কানাডিয়ান সরকার। অনেকের মতেই এই বক্তব্য কেবল ওই ইমামের ব্যক্তিগত। ইসলাম কখনই এই মতের পক্ষে নয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

“স্বামীকে যৌনতায় বাঁধা দিলে স্ত্রীর ‘পাপ’ হয়”!

আপডেট সময় ১১:০০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

“কোনও বৈধ কারণ ছাড়া যদি কোনও মহিলা তাঁর স্বামীকে যৌন সঙ্গমে বাঁধা দেয় তাহলে সে পাপের ভাগী হবে”, এমনই নিদান কানাডার ইমাম মুসলেহ খানের। একমাত্র পবিত্র রমজানের সময় উপবাস করা কালীন কোনও মহিলা তাঁর স্বামীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমে অসম্মত হলে তা পাপ হিসেবে ধরা হবে না। নারী যদি তাঁর স্বামীর সঙ্গে যৌন হতে আস্বীকার করে তাহলে তাঁকে বৈধ কারণও দেখাতে হবে, কানাডার ইমাম মুসলেহ খানের এই বক্তব্যের পরই শুরু হয় বিতর্ক। কানাডা তো বটেই গোটা বিশ্বেই প্রশ্ন তৈরি হয় ইসলাম রক্ষণশীলতা নিয়ে।

ওই ইমামের আরও দাবি, “স্বামীর সঙ্গে যৌন হয়ে নারী আসলে আল্লাহ্‌কেই পুজো করে। পতিব্রতা স্ত্রী হিসেবে একজন নারীর উচিত স্বামীকে সম্মতি প্রদান করা”। এমনকি ঘর থেকে কোথাও গেলে স্বামীর নির্দেশ মেনেই নারীর তা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন ইমাম মুসলেহ খান।

তবে এমন বক্তব্যকে কখনই সায় দেয় না কানাডিয়ান সরকার। অনেকের মতেই এই বক্তব্য কেবল ওই ইমামের ব্যক্তিগত। ইসলাম কখনই এই মতের পক্ষে নয়।