ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইস্তানবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে যা জানালেন রকস্টারের মিথিলা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

ঘুরতে সবারই ভালো লাগে। সেই ভ্রমণে যদি প্রিয় কোনো মানুষ থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। ঈদের ছুটি উপলক্ষে আমার প্রিয় বন্ধু সামিরা খান মাহিকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছি দেশের বাইরে। আমাদের দুজনের পছন্দের দেশ তুরস্ক। অনেক দিন ধরেই সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলাম। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। গত ১৮ জুন দেশটির রাজধানী ইস্তানবুলে এসেছি। ইতিহাস, সংস্কৃতি আর অপার সৌন্দর্যে ঘেরা এই শহর যেন এক জীবন্ত গল্পের বই, যার প্রতিটি পাতা নতুন বিস্ময়ে ভরা। শহরের অলিগলি, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, বসফরাসের নীল জলরাশি আর মানুষের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে বারবার। মনে হয়েছে, প্রতিটি মুহূর্ত যেন এক টুকরো জাদু, যা সহজে ভোলার নয়।

এ ছাড়া ইস্তানবুলের স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়াও ছিল আমাদের সফরের অন্যতম আকর্ষণ। ঐতিহ্যবাহী তুর্কি খাবার, ব্যস্ত রাস্তার প্রাণচাঞ্চল্য আর সন্ধ্যার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ভ্রমণকে আরও রঙিন করে তুলেছে। ভ্রমণের প্রতিটি দিন ছিল নতুন অভিজ্ঞতায় ভরা। কখনও ইতিহাসের স্পর্শ, কখনও প্রকৃতির সৌন্দর্য, আবার কখনও বন্ধুত্বের উষ্ণতায় কাটানো সময়– সব মিলিয়ে এই সফর আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই ভ্রমণকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে মাহি।

২০১৩ সাল থেকে জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে, প্রতিটি হাসি, অশ্রু আর গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা একে অপরের পাশে থেকেছি। একসময়ের বন্ধুত্ব আজ বোনের মতো এক গভীর সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও বিশ্বাস, আস্থা, ভালোবাসা আর অসংখ্য স্মৃতির বন্ধনে আমরা একসূত্রে গাঁথা।

ইস্তানবুলের পথে পথে হাঁটতে হাঁটতে আমাদের সেই দীর্ঘ পথচলার কথা বারবার মনে পড়েছে। কত স্মৃতি, কত গল্প, কত স্বপ্ন আর সংগ্রামের সাক্ষী আমরা দুজন। জীবনের ব্যস্ততা আমাদের কখনও কখনও ভিন্ন পথে নিয়ে গেলেও আমাদের বন্ধনের শক্তি কখনও কমেনি; বরং সময়ের সঙ্গে তা আরও দৃঢ় হয়েছে। জীবন আমাদের যেখানেই নিয়ে যাক না কেন, কিছু সম্পর্ক কখনও বদলে যায় না।

ইস্তানবুলের এই দিনগুলো তাই শুধু একটি ভ্রমণের স্মৃতি নয়; বরং বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোকে নতুন করে উদযাপন করার এক অনন্য উপলক্ষ। কোনো জায়গায় ভ্রমণে গেলে সেখানকার কিছু স্থিরচিত্র সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরি। এবার এর ব্যত্যয় ঘটেনি। পোস্টে অনেকেই ইতিবাচক প্রতিক্রয়া জানিয়েছেন। এই সফরে আমরা শুধু একটি শহর দেখিনি, নতুন করে উপলব্ধি করেছি আমাদের বন্ধুত্বের সৌন্দর্যও। একসঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সামনে আরও অনেক পথচলা, আরও অনেক গল্প আর নতুন নতুন স্মৃতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইস্তানবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে যা জানালেন রকস্টারের মিথিলা

আপডেট সময় ০৩:১০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

ঘুরতে সবারই ভালো লাগে। সেই ভ্রমণে যদি প্রিয় কোনো মানুষ থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। ঈদের ছুটি উপলক্ষে আমার প্রিয় বন্ধু সামিরা খান মাহিকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছি দেশের বাইরে। আমাদের দুজনের পছন্দের দেশ তুরস্ক। অনেক দিন ধরেই সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলাম। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। গত ১৮ জুন দেশটির রাজধানী ইস্তানবুলে এসেছি। ইতিহাস, সংস্কৃতি আর অপার সৌন্দর্যে ঘেরা এই শহর যেন এক জীবন্ত গল্পের বই, যার প্রতিটি পাতা নতুন বিস্ময়ে ভরা। শহরের অলিগলি, ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, বসফরাসের নীল জলরাশি আর মানুষের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে বারবার। মনে হয়েছে, প্রতিটি মুহূর্ত যেন এক টুকরো জাদু, যা সহজে ভোলার নয়।

এ ছাড়া ইস্তানবুলের স্থানীয় খাবারের স্বাদ নেওয়াও ছিল আমাদের সফরের অন্যতম আকর্ষণ। ঐতিহ্যবাহী তুর্কি খাবার, ব্যস্ত রাস্তার প্রাণচাঞ্চল্য আর সন্ধ্যার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ভ্রমণকে আরও রঙিন করে তুলেছে। ভ্রমণের প্রতিটি দিন ছিল নতুন অভিজ্ঞতায় ভরা। কখনও ইতিহাসের স্পর্শ, কখনও প্রকৃতির সৌন্দর্য, আবার কখনও বন্ধুত্বের উষ্ণতায় কাটানো সময়– সব মিলিয়ে এই সফর আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই ভ্রমণকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে মাহি।

২০১৩ সাল থেকে জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে, প্রতিটি হাসি, অশ্রু আর গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা একে অপরের পাশে থেকেছি। একসময়ের বন্ধুত্ব আজ বোনের মতো এক গভীর সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও বিশ্বাস, আস্থা, ভালোবাসা আর অসংখ্য স্মৃতির বন্ধনে আমরা একসূত্রে গাঁথা।

ইস্তানবুলের পথে পথে হাঁটতে হাঁটতে আমাদের সেই দীর্ঘ পথচলার কথা বারবার মনে পড়েছে। কত স্মৃতি, কত গল্প, কত স্বপ্ন আর সংগ্রামের সাক্ষী আমরা দুজন। জীবনের ব্যস্ততা আমাদের কখনও কখনও ভিন্ন পথে নিয়ে গেলেও আমাদের বন্ধনের শক্তি কখনও কমেনি; বরং সময়ের সঙ্গে তা আরও দৃঢ় হয়েছে। জীবন আমাদের যেখানেই নিয়ে যাক না কেন, কিছু সম্পর্ক কখনও বদলে যায় না।

ইস্তানবুলের এই দিনগুলো তাই শুধু একটি ভ্রমণের স্মৃতি নয়; বরং বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোকে নতুন করে উদযাপন করার এক অনন্য উপলক্ষ। কোনো জায়গায় ভ্রমণে গেলে সেখানকার কিছু স্থিরচিত্র সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরি। এবার এর ব্যত্যয় ঘটেনি। পোস্টে অনেকেই ইতিবাচক প্রতিক্রয়া জানিয়েছেন। এই সফরে আমরা শুধু একটি শহর দেখিনি, নতুন করে উপলব্ধি করেছি আমাদের বন্ধুত্বের সৌন্দর্যও। একসঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সামনে আরও অনেক পথচলা, আরও অনেক গল্প আর নতুন নতুন স্মৃতি আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।