ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

ব্রাসেলস বৈঠকে মিয়ানমারের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দেবে ইইউ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সে দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সোমবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ বিষয়ের ওপর একটি যৌথ ইশতেহারের খসড়া ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। মিয়ানমারের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইউরোপ সমর্থন জানাবে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ইউরোপীয় নেতারা মিয়ানমারের সরকারের ওপর কতখানি চাপ প্রয়োগ করতে পারেন এবং নেপিডোর সরকারের ওপর তার কতখানি প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিন আহমেদের মতে, ‘ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে বার্মার ওপর। আগে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা ছিলো। এখন দুটি বিষয়ে আছে অস্ত্রসহ। এখন তাদের নতুন নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই এ ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব নিতে হবে। যথেষ্ট না হলেও কিছু ব্যবস্থা তারা নেবে বলে তিনি মনে করেন। জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ করাসহ মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক রকম ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং কতটুকু করবে সেটা আজ বৈঠকে বোঝা যাবে।’

তিনি বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাকেই রাখাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য ওখানে গিয়ে কি ঘটেছে সেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখতে হবে। তার মতে, ‘তাদের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিশন যেনো সেখানে যেতে পারে ও মিয়ানমারের সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ দিতে হবে যাতে রোহিঙ্গা নিধন কর্মসূচি তারা বন্ধ করে।’

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ মিয়ানমারকে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইউরোপ ছাড়া বাংলাদেশের এ মুহূর্তে আশার জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

ব্রাসেলস বৈঠকে মিয়ানমারের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দেবে ইইউ

আপডেট সময় ০৩:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সে দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সোমবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ বিষয়ের ওপর একটি যৌথ ইশতেহারের খসড়া ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। মিয়ানমারের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইউরোপ সমর্থন জানাবে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ইউরোপীয় নেতারা মিয়ানমারের সরকারের ওপর কতখানি চাপ প্রয়োগ করতে পারেন এবং নেপিডোর সরকারের ওপর তার কতখানি প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিন আহমেদের মতে, ‘ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে বার্মার ওপর। আগে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা ছিলো। এখন দুটি বিষয়ে আছে অস্ত্রসহ। এখন তাদের নতুন নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই এ ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব নিতে হবে। যথেষ্ট না হলেও কিছু ব্যবস্থা তারা নেবে বলে তিনি মনে করেন। জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ করাসহ মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক রকম ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং কতটুকু করবে সেটা আজ বৈঠকে বোঝা যাবে।’

তিনি বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাকেই রাখাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য ওখানে গিয়ে কি ঘটেছে সেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখতে হবে। তার মতে, ‘তাদের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিশন যেনো সেখানে যেতে পারে ও মিয়ানমারের সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ দিতে হবে যাতে রোহিঙ্গা নিধন কর্মসূচি তারা বন্ধ করে।’

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ মিয়ানমারকে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইউরোপ ছাড়া বাংলাদেশের এ মুহূর্তে আশার জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।