ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ব্রাসেলস বৈঠকে মিয়ানমারের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দেবে ইইউ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সে দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সোমবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ বিষয়ের ওপর একটি যৌথ ইশতেহারের খসড়া ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। মিয়ানমারের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইউরোপ সমর্থন জানাবে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ইউরোপীয় নেতারা মিয়ানমারের সরকারের ওপর কতখানি চাপ প্রয়োগ করতে পারেন এবং নেপিডোর সরকারের ওপর তার কতখানি প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিন আহমেদের মতে, ‘ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে বার্মার ওপর। আগে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা ছিলো। এখন দুটি বিষয়ে আছে অস্ত্রসহ। এখন তাদের নতুন নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই এ ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব নিতে হবে। যথেষ্ট না হলেও কিছু ব্যবস্থা তারা নেবে বলে তিনি মনে করেন। জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ করাসহ মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক রকম ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং কতটুকু করবে সেটা আজ বৈঠকে বোঝা যাবে।’

তিনি বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাকেই রাখাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য ওখানে গিয়ে কি ঘটেছে সেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখতে হবে। তার মতে, ‘তাদের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিশন যেনো সেখানে যেতে পারে ও মিয়ানমারের সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ দিতে হবে যাতে রোহিঙ্গা নিধন কর্মসূচি তারা বন্ধ করে।’

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ মিয়ানমারকে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইউরোপ ছাড়া বাংলাদেশের এ মুহূর্তে আশার জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্রাসেলস বৈঠকে মিয়ানমারের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দেবে ইইউ

আপডেট সময় ০৩:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সে দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সোমবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ বিষয়ের ওপর একটি যৌথ ইশতেহারের খসড়া ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। মিয়ানমারের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইউরোপ সমর্থন জানাবে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ইউরোপীয় নেতারা মিয়ানমারের সরকারের ওপর কতখানি চাপ প্রয়োগ করতে পারেন এবং নেপিডোর সরকারের ওপর তার কতখানি প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিন আহমেদের মতে, ‘ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে বার্মার ওপর। আগে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা ছিলো। এখন দুটি বিষয়ে আছে অস্ত্রসহ। এখন তাদের নতুন নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই এ ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব নিতে হবে। যথেষ্ট না হলেও কিছু ব্যবস্থা তারা নেবে বলে তিনি মনে করেন। জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ করাসহ মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক রকম ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং কতটুকু করবে সেটা আজ বৈঠকে বোঝা যাবে।’

তিনি বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাকেই রাখাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য ওখানে গিয়ে কি ঘটেছে সেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখতে হবে। তার মতে, ‘তাদের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিশন যেনো সেখানে যেতে পারে ও মিয়ানমারের সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ দিতে হবে যাতে রোহিঙ্গা নিধন কর্মসূচি তারা বন্ধ করে।’

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ মিয়ানমারকে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইউরোপ ছাড়া বাংলাদেশের এ মুহূর্তে আশার জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।