ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ব্রাসেলস বৈঠকে মিয়ানমারের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দেবে ইইউ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সে দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সোমবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ বিষয়ের ওপর একটি যৌথ ইশতেহারের খসড়া ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। মিয়ানমারের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইউরোপ সমর্থন জানাবে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ইউরোপীয় নেতারা মিয়ানমারের সরকারের ওপর কতখানি চাপ প্রয়োগ করতে পারেন এবং নেপিডোর সরকারের ওপর তার কতখানি প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিন আহমেদের মতে, ‘ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে বার্মার ওপর। আগে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা ছিলো। এখন দুটি বিষয়ে আছে অস্ত্রসহ। এখন তাদের নতুন নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই এ ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব নিতে হবে। যথেষ্ট না হলেও কিছু ব্যবস্থা তারা নেবে বলে তিনি মনে করেন। জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ করাসহ মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক রকম ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং কতটুকু করবে সেটা আজ বৈঠকে বোঝা যাবে।’

তিনি বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাকেই রাখাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য ওখানে গিয়ে কি ঘটেছে সেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখতে হবে। তার মতে, ‘তাদের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিশন যেনো সেখানে যেতে পারে ও মিয়ানমারের সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ দিতে হবে যাতে রোহিঙ্গা নিধন কর্মসূচি তারা বন্ধ করে।’

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ মিয়ানমারকে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইউরোপ ছাড়া বাংলাদেশের এ মুহূর্তে আশার জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ব্রাসেলস বৈঠকে মিয়ানমারের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় সম্মতি দেবে ইইউ

আপডেট সময় ০৩:১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সে দেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সোমবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউভুক্ত দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ বিষয়ের ওপর একটি যৌথ ইশতেহারের খসড়া ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হবে। মিয়ানমারের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইউরোপ সমর্থন জানাবে বলেও সেখানে বলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো ইউরোপীয় নেতারা মিয়ানমারের সরকারের ওপর কতখানি চাপ প্রয়োগ করতে পারেন এবং নেপিডোর সরকারের ওপর তার কতখানি প্রভাব পড়তে পারে?

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ আহমেদ জিয়াউদ্দিন আহমেদের মতে, ‘ইওরোপীয় ইউনিয়ন ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রকম নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে বার্মার ওপর। আগে আরও বেশি নিষেধাজ্ঞা ছিলো। এখন দুটি বিষয়ে আছে অস্ত্রসহ। এখন তাদের নতুন নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেই এ ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব নিতে হবে। যথেষ্ট না হলেও কিছু ব্যবস্থা তারা নেবে বলে তিনি মনে করেন। জিয়াউদ্দিন বলেন, ‘ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ করাসহ মিয়ানমারের সেনা নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেক রকম ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং কতটুকু করবে সেটা আজ বৈঠকে বোঝা যাবে।’

তিনি বলেন, অধিকাংশ রোহিঙ্গাকেই রাখাইন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং সেজন্য ওখানে গিয়ে কি ঘটেছে সেটা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দেখতে হবে। তার মতে, ‘তাদের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিশন যেনো সেখানে যেতে পারে ও মিয়ানমারের সরকারের ওপর ব্যাপক চাপ দিতে হবে যাতে রোহিঙ্গা নিধন কর্মসূচি তারা বন্ধ করে।’

পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবেশ মিয়ানমারকে তৈরি করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ইউরোপ ছাড়া বাংলাদেশের এ মুহূর্তে আশার জায়গা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।