ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে না থাকলে মাহফিল শোনার দরকার নেই :জামায়াতের আমির মো. মিজানুর রহমান বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুনের ঘটনায় রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন গ্রেপ্তার নির্বাচন সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ : মির্জা ফখরুল ইরানে বিরুদ্ধে ‘কঠোর’ পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি জানাল শিক্ষা বোর্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী

গর্ভবতী হতে গুরুর পায়ের নিচে নারীরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের অন্ধ্রপদেশের অনন্তপুর জেলার লক্ষ্মী নরসিমা স্বামী মন্দিরে প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে বহু পুরোনো ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী সন্তান ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার আশায় নরনারীরা জড়ো হন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাহাড়ি উপত্যকরার নারীরা ‘একাদশী’ নামের এ উৎসব পালন করে আসছে। ওই নারীদের বিশ্বাস, এতে তারা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দিনে নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে মন্দিরের সামনে লাইন ধরে শুয়ে পড়েন। এরপর অপেক্ষা করতে থাকেন ধর্মীয় গুরু বা স্বামীজির জন্য। এক পর্যায়ে গলায় মালা পরে হাজির হন স্বামীজি। নারীদের পিঠ মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তিনি। এ সময় হাজারো মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্বামীজির এই পদমণ্ডিত হয়েও তাদের কোনো কাজ হয়নি। একাধিকবার এলেও সন্তান আর পেটে আসেনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মানাকসিরা শহরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হরিলাল নায়ক জানান, ওই অঞ্চলের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গভীর বিশ্বাস ধারণ করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা এখন পরিষ্কার স্বামীজি তাদের পিঠের ওপর দিয়ে হাঁটলেও গর্ভবর্তী হতে পারছেন না। তারপরেও তাদের বিশ্বাসের জোর কমছে না। একবার যদি গুরুর টোটকা কাজে লাগে, এই আশায় প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও প্রত্যেক বছর তারা আসছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

গর্ভবতী হতে গুরুর পায়ের নিচে নারীরা

আপডেট সময় ০৩:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের অন্ধ্রপদেশের অনন্তপুর জেলার লক্ষ্মী নরসিমা স্বামী মন্দিরে প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে বহু পুরোনো ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী সন্তান ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার আশায় নরনারীরা জড়ো হন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাহাড়ি উপত্যকরার নারীরা ‘একাদশী’ নামের এ উৎসব পালন করে আসছে। ওই নারীদের বিশ্বাস, এতে তারা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দিনে নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে মন্দিরের সামনে লাইন ধরে শুয়ে পড়েন। এরপর অপেক্ষা করতে থাকেন ধর্মীয় গুরু বা স্বামীজির জন্য। এক পর্যায়ে গলায় মালা পরে হাজির হন স্বামীজি। নারীদের পিঠ মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তিনি। এ সময় হাজারো মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্বামীজির এই পদমণ্ডিত হয়েও তাদের কোনো কাজ হয়নি। একাধিকবার এলেও সন্তান আর পেটে আসেনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মানাকসিরা শহরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হরিলাল নায়ক জানান, ওই অঞ্চলের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গভীর বিশ্বাস ধারণ করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা এখন পরিষ্কার স্বামীজি তাদের পিঠের ওপর দিয়ে হাঁটলেও গর্ভবর্তী হতে পারছেন না। তারপরেও তাদের বিশ্বাসের জোর কমছে না। একবার যদি গুরুর টোটকা কাজে লাগে, এই আশায় প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও প্রত্যেক বছর তারা আসছেন।