ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প উপজেলা পরিষদে কক্ষ বরাদ্দ পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা, সংসদে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মা হারা কন্যার বিয়েতে গাজীপুরের ডিসি, আবেগাপ্লুত হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে মৌলভীবাজারের যুবক নিহত স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন করে হাসপাতালে স্ত্রী সংসদে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, জামায়াত আমির বললেন, ছোটদের ‘না’ বলতে নেই অনলাইন ভ্যাট রিটার্নে অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা : এনবিআর চেয়ারম্যান ৪ ঘণ্টা পর জামিন পেলেন বাচ্চাসহ কারাগারে পাঠানো সেই মহিলা লীগ নেত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

গর্ভবতী হতে গুরুর পায়ের নিচে নারীরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের অন্ধ্রপদেশের অনন্তপুর জেলার লক্ষ্মী নরসিমা স্বামী মন্দিরে প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে বহু পুরোনো ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী সন্তান ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার আশায় নরনারীরা জড়ো হন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাহাড়ি উপত্যকরার নারীরা ‘একাদশী’ নামের এ উৎসব পালন করে আসছে। ওই নারীদের বিশ্বাস, এতে তারা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দিনে নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে মন্দিরের সামনে লাইন ধরে শুয়ে পড়েন। এরপর অপেক্ষা করতে থাকেন ধর্মীয় গুরু বা স্বামীজির জন্য। এক পর্যায়ে গলায় মালা পরে হাজির হন স্বামীজি। নারীদের পিঠ মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তিনি। এ সময় হাজারো মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্বামীজির এই পদমণ্ডিত হয়েও তাদের কোনো কাজ হয়নি। একাধিকবার এলেও সন্তান আর পেটে আসেনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মানাকসিরা শহরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হরিলাল নায়ক জানান, ওই অঞ্চলের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গভীর বিশ্বাস ধারণ করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা এখন পরিষ্কার স্বামীজি তাদের পিঠের ওপর দিয়ে হাঁটলেও গর্ভবর্তী হতে পারছেন না। তারপরেও তাদের বিশ্বাসের জোর কমছে না। একবার যদি গুরুর টোটকা কাজে লাগে, এই আশায় প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও প্রত্যেক বছর তারা আসছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করলে ইরান খুব ভালো থাকবে: ট্রাম্প

গর্ভবতী হতে গুরুর পায়ের নিচে নারীরা

আপডেট সময় ০৩:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের অন্ধ্রপদেশের অনন্তপুর জেলার লক্ষ্মী নরসিমা স্বামী মন্দিরে প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে বহু পুরোনো ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী সন্তান ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার আশায় নরনারীরা জড়ো হন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাহাড়ি উপত্যকরার নারীরা ‘একাদশী’ নামের এ উৎসব পালন করে আসছে। ওই নারীদের বিশ্বাস, এতে তারা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দিনে নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে মন্দিরের সামনে লাইন ধরে শুয়ে পড়েন। এরপর অপেক্ষা করতে থাকেন ধর্মীয় গুরু বা স্বামীজির জন্য। এক পর্যায়ে গলায় মালা পরে হাজির হন স্বামীজি। নারীদের পিঠ মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তিনি। এ সময় হাজারো মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্বামীজির এই পদমণ্ডিত হয়েও তাদের কোনো কাজ হয়নি। একাধিকবার এলেও সন্তান আর পেটে আসেনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মানাকসিরা শহরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হরিলাল নায়ক জানান, ওই অঞ্চলের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গভীর বিশ্বাস ধারণ করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা এখন পরিষ্কার স্বামীজি তাদের পিঠের ওপর দিয়ে হাঁটলেও গর্ভবর্তী হতে পারছেন না। তারপরেও তাদের বিশ্বাসের জোর কমছে না। একবার যদি গুরুর টোটকা কাজে লাগে, এই আশায় প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও প্রত্যেক বছর তারা আসছেন।