ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এই প্রজন্ম হারিয়ে ফেললে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব মামলায় জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন-বিধি সংশোধন প্রস্তাব চূড়ান্ত, যাচ্ছে মন্ত্রণালয়ে বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ

গর্ভবতী হতে গুরুর পায়ের নিচে নারীরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের অন্ধ্রপদেশের অনন্তপুর জেলার লক্ষ্মী নরসিমা স্বামী মন্দিরে প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে বহু পুরোনো ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী সন্তান ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার আশায় নরনারীরা জড়ো হন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাহাড়ি উপত্যকরার নারীরা ‘একাদশী’ নামের এ উৎসব পালন করে আসছে। ওই নারীদের বিশ্বাস, এতে তারা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দিনে নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে মন্দিরের সামনে লাইন ধরে শুয়ে পড়েন। এরপর অপেক্ষা করতে থাকেন ধর্মীয় গুরু বা স্বামীজির জন্য। এক পর্যায়ে গলায় মালা পরে হাজির হন স্বামীজি। নারীদের পিঠ মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তিনি। এ সময় হাজারো মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্বামীজির এই পদমণ্ডিত হয়েও তাদের কোনো কাজ হয়নি। একাধিকবার এলেও সন্তান আর পেটে আসেনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মানাকসিরা শহরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হরিলাল নায়ক জানান, ওই অঞ্চলের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গভীর বিশ্বাস ধারণ করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা এখন পরিষ্কার স্বামীজি তাদের পিঠের ওপর দিয়ে হাঁটলেও গর্ভবর্তী হতে পারছেন না। তারপরেও তাদের বিশ্বাসের জোর কমছে না। একবার যদি গুরুর টোটকা কাজে লাগে, এই আশায় প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও প্রত্যেক বছর তারা আসছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বিনিয়োগ আনতে ২৭ দেশে আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ

গর্ভবতী হতে গুরুর পায়ের নিচে নারীরা

আপডেট সময় ০৩:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের অন্ধ্রপদেশের অনন্তপুর জেলার লক্ষ্মী নরসিমা স্বামী মন্দিরে প্রত্যেক বছর জুলাই মাসে বহু পুরোনো ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী সন্তান ধারণের ক্ষমতা পাওয়ার আশায় নরনারীরা জড়ো হন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাহাড়ি উপত্যকরার নারীরা ‘একাদশী’ নামের এ উৎসব পালন করে আসছে। ওই নারীদের বিশ্বাস, এতে তারা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারবেন।

নির্দিষ্ট দিনে নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে মন্দিরের সামনে লাইন ধরে শুয়ে পড়েন। এরপর অপেক্ষা করতে থাকেন ধর্মীয় গুরু বা স্বামীজির জন্য। এক পর্যায়ে গলায় মালা পরে হাজির হন স্বামীজি। নারীদের পিঠ মাড়িয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন তিনি। এ সময় হাজারো মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেন। তবে অনেকেই অভিযোগ করেছেন, স্বামীজির এই পদমণ্ডিত হয়েও তাদের কোনো কাজ হয়নি। একাধিকবার এলেও সন্তান আর পেটে আসেনি। অন্ধ্রপ্রদেশের মানাকসিরা শহরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হরিলাল নায়ক জানান, ওই অঞ্চলের মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গভীর বিশ্বাস ধারণ করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা এখন পরিষ্কার স্বামীজি তাদের পিঠের ওপর দিয়ে হাঁটলেও গর্ভবর্তী হতে পারছেন না। তারপরেও তাদের বিশ্বাসের জোর কমছে না। একবার যদি গুরুর টোটকা কাজে লাগে, এই আশায় প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও প্রত্যেক বছর তারা আসছেন।