ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পাকিস্তানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গি নিহত: আইএসপিআর

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে পৃথক দুটি অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গিকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসপিআর।

বিবৃতিতে বলা হয়, জঙ্গিদের উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে খাইবার জেলার বারা এলাকা এবং বান্নু জেলায় দুটি পৃথক গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, বারা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের অবস্থান লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। তীব্র গোলাগুলির পর সেখানে ১০ জন জঙ্গি নিহত হয়।

এ ছাড়া বান্নু জেলায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে আরও তিনজন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকায় অন্য কোনো ‘ভারত-সমর্থিত’ জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান (স্যানিটাইজেশন অপারেশন) চালানো হচ্ছে। বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার থাকবে বলেও জানায় আইএসপিআর।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে, বিশেষ করে কেপি ও বেলুচিস্তান প্রদেশে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে প্রায় ৬৮৪ জন আফগান তালেবান সদস্য ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৯০০-র বেশি আফগান তালেবান সদস্য আহত হয়েছেন এবং ২৫২টি চেকপোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগান তালেবান ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গিদের আকস্মিক হামলার জেরে দুদেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষও হয়। এতে ২০০-র বেশি তালেবান ও সহযোগী জঙ্গি নিহত এবং পাকিস্তানের ২৩ জন সেনা সদস্য নিহত হন।

তবে একাধিক দফা আলোচনা সত্ত্বেও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আফগান তালেবান সরকারের অনীহার কারণে দুদেশ এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের জবাবের অপেক্ষায় ইরান: কাতারের মধ্যস্থতা

পাকিস্তানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গি নিহত: আইএসপিআর

আপডেট সময় ০৭:৩০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে পৃথক দুটি অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গিকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসপিআর।

বিবৃতিতে বলা হয়, জঙ্গিদের উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে খাইবার জেলার বারা এলাকা এবং বান্নু জেলায় দুটি পৃথক গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, বারা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের অবস্থান লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। তীব্র গোলাগুলির পর সেখানে ১০ জন জঙ্গি নিহত হয়।

এ ছাড়া বান্নু জেলায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে আরও তিনজন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকায় অন্য কোনো ‘ভারত-সমর্থিত’ জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান (স্যানিটাইজেশন অপারেশন) চালানো হচ্ছে। বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার থাকবে বলেও জানায় আইএসপিআর।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে, বিশেষ করে কেপি ও বেলুচিস্তান প্রদেশে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে প্রায় ৬৮৪ জন আফগান তালেবান সদস্য ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৯০০-র বেশি আফগান তালেবান সদস্য আহত হয়েছেন এবং ২৫২টি চেকপোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগান তালেবান ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গিদের আকস্মিক হামলার জেরে দুদেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষও হয়। এতে ২০০-র বেশি তালেবান ও সহযোগী জঙ্গি নিহত এবং পাকিস্তানের ২৩ জন সেনা সদস্য নিহত হন।

তবে একাধিক দফা আলোচনা সত্ত্বেও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আফগান তালেবান সরকারের অনীহার কারণে দুদেশ এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।