ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৯ দফার ঘোষক কাদের: ফিমেল জোন যেন ফিমেল উইংয়ের ‘টিএসসি শাখা অফিস’ না হয় ৩০০ এমপিকে হাওড় ঘুরে আসার আহ্বান নাহিদের ভয়াবহ দাবানল : ফ্রান্সে সরানো হলো ৬৩ হাজার মানুষ, স্পেনে জরুরি অবস্থা মোহাম্মদপুরে এসআইয়ের পিঠে ছুরিকাঘাত, লেগেছে ৪৩ সেলাই আসিয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মের নামে যারা বিভক্তি চায়, তারা জাতি ও ঈশ্বরের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন ও কর্মসংস্থানই বাংলাদেশের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর মাফিয়া আমলে নির্বাচিত হলেও সাহাবুদ্দিনের বর্তমান সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল: স্পিকার

পাকিস্তানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গি নিহত: আইএসপিআর

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে পৃথক দুটি অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গিকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসপিআর।

বিবৃতিতে বলা হয়, জঙ্গিদের উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে খাইবার জেলার বারা এলাকা এবং বান্নু জেলায় দুটি পৃথক গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, বারা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের অবস্থান লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। তীব্র গোলাগুলির পর সেখানে ১০ জন জঙ্গি নিহত হয়।

এ ছাড়া বান্নু জেলায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে আরও তিনজন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকায় অন্য কোনো ‘ভারত-সমর্থিত’ জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান (স্যানিটাইজেশন অপারেশন) চালানো হচ্ছে। বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার থাকবে বলেও জানায় আইএসপিআর।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে, বিশেষ করে কেপি ও বেলুচিস্তান প্রদেশে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে প্রায় ৬৮৪ জন আফগান তালেবান সদস্য ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৯০০-র বেশি আফগান তালেবান সদস্য আহত হয়েছেন এবং ২৫২টি চেকপোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগান তালেবান ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গিদের আকস্মিক হামলার জেরে দুদেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষও হয়। এতে ২০০-র বেশি তালেবান ও সহযোগী জঙ্গি নিহত এবং পাকিস্তানের ২৩ জন সেনা সদস্য নিহত হন।

তবে একাধিক দফা আলোচনা সত্ত্বেও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আফগান তালেবান সরকারের অনীহার কারণে দুদেশ এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগপত্রে যা লিখলেন মো. সাহাবুদ্দিন

পাকিস্তানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গি নিহত: আইএসপিআর

আপডেট সময় ০৭:৩০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে পৃথক দুটি অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ১৩ জঙ্গিকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসপিআর।

বিবৃতিতে বলা হয়, জঙ্গিদের উপস্থিতির খবরের ভিত্তিতে খাইবার জেলার বারা এলাকা এবং বান্নু জেলায় দুটি পৃথক গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আইএসপিআর জানায়, বারা এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের অবস্থান লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। তীব্র গোলাগুলির পর সেখানে ১০ জন জঙ্গি নিহত হয়।

এ ছাড়া বান্নু জেলায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে আরও তিনজন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকায় অন্য কোনো ‘ভারত-সমর্থিত’ জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অভিযান (স্যানিটাইজেশন অপারেশন) চালানো হচ্ছে। বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ অভিযানের আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম জোরদার থাকবে বলেও জানায় আইএসপিআর।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে পাকিস্তানে, বিশেষ করে কেপি ও বেলুচিস্তান প্রদেশে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ‘অপারেশন গাজাব লিল-হক’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানে প্রায় ৬৮৪ জন আফগান তালেবান সদস্য ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়।

দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৯০০-র বেশি আফগান তালেবান সদস্য আহত হয়েছেন এবং ২৫২টি চেকপোস্ট ধ্বংস করা হয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগান তালেবান ও সংশ্লিষ্ট জঙ্গিদের আকস্মিক হামলার জেরে দুদেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষও হয়। এতে ২০০-র বেশি তালেবান ও সহযোগী জঙ্গি নিহত এবং পাকিস্তানের ২৩ জন সেনা সদস্য নিহত হন।

তবে একাধিক দফা আলোচনা সত্ত্বেও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আফগান তালেবান সরকারের অনীহার কারণে দুদেশ এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।