ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যৌনতা নিয়ে মধ্যযুগের এই নিয়মগুলি জানলে বলবেন ‘‘ভাগ্যিস! সেই সময়ে জন্মাইনি!’’

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কেমন ছিল মধ্যযুগীয় যৌনতার রীতিনীতি? এ যুগের মানুষ হিসেবে যদি এই নিয়মগুলি শোনেন, তাহলে নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হতেই পারে। কেন? চলুন, জেনে নেওয়া যাক।

কেমন ছিল নিয়মকানুন?

১. প্রিম্যারিটাল সেক্স বা বিয়ের আগে যৌনতার শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড।
২. ল্যাটেক্স-এর কন্ডোম তখনও বেরোয়নি। কন্ডোম সেই সময়ে তৈরি হত পশুর শরীরের অংশ বা কাপড় দিয়ে। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণের থেকেও কন্ডোম ব্যবহারের বড় কারণ ছিল যৌনরোগ থেকে সুরক্ষা।
৩. লম্বাটে পাঁউরুটি ব্যবহার করা হত সেক্স টয়-এর পরিবর্তে।
৪. বিয়ের পরে স্ত্রীর কুমারীত্বে দাঁড়ি ফেলার জন্য স্বামীদের একটি কাজ বাধ্যতামূলকভাবে করতে হত। স্ত্রীকে দামি দামি উপহার কিনে দেওয়া।
৫. সন্তানলাভের জন্য যৌনমিলন করলে, তা উপভোগ করার অধিকার নারী বা পুরুষ— কারও ছিল না।
৬. বলা হত, কুমারীত্ব হারানোর পরে যদি কোনও মহিলা প্রবল তপস্যা এবং সাধনা করেন, তা হলে তিনি তাঁর ‘পবিত্রতা’ ফিরে পাবেন।
৭. সমকামিতার শাস্তি ছিল মৃত্যু। নিদেনপক্ষে এমন শারীরিক অত্যাচার, যা পাওয়ার পরে মনে হত, এর থেকে মৃত্যু ভাল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যৌনতা নিয়ে মধ্যযুগের এই নিয়মগুলি জানলে বলবেন ‘‘ভাগ্যিস! সেই সময়ে জন্মাইনি!’’

আপডেট সময় ১২:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

কেমন ছিল মধ্যযুগীয় যৌনতার রীতিনীতি? এ যুগের মানুষ হিসেবে যদি এই নিয়মগুলি শোনেন, তাহলে নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হতেই পারে। কেন? চলুন, জেনে নেওয়া যাক।

কেমন ছিল নিয়মকানুন?

১. প্রিম্যারিটাল সেক্স বা বিয়ের আগে যৌনতার শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড।
২. ল্যাটেক্স-এর কন্ডোম তখনও বেরোয়নি। কন্ডোম সেই সময়ে তৈরি হত পশুর শরীরের অংশ বা কাপড় দিয়ে। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণের থেকেও কন্ডোম ব্যবহারের বড় কারণ ছিল যৌনরোগ থেকে সুরক্ষা।
৩. লম্বাটে পাঁউরুটি ব্যবহার করা হত সেক্স টয়-এর পরিবর্তে।
৪. বিয়ের পরে স্ত্রীর কুমারীত্বে দাঁড়ি ফেলার জন্য স্বামীদের একটি কাজ বাধ্যতামূলকভাবে করতে হত। স্ত্রীকে দামি দামি উপহার কিনে দেওয়া।
৫. সন্তানলাভের জন্য যৌনমিলন করলে, তা উপভোগ করার অধিকার নারী বা পুরুষ— কারও ছিল না।
৬. বলা হত, কুমারীত্ব হারানোর পরে যদি কোনও মহিলা প্রবল তপস্যা এবং সাধনা করেন, তা হলে তিনি তাঁর ‘পবিত্রতা’ ফিরে পাবেন।
৭. সমকামিতার শাস্তি ছিল মৃত্যু। নিদেনপক্ষে এমন শারীরিক অত্যাচার, যা পাওয়ার পরে মনে হত, এর থেকে মৃত্যু ভাল।